স্মৃতিসৌধে না গেলেও বঙ্গভবনে গেলেন ইইউ রাষ্ট্রদূতেরা

12

smritiশেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত পাল্টে বঙ্গভবনে বিজয় দিবসের সংবর্ধনায় যোগ দিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূতেরা। তবে কাল ভোরে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের অনুষ্ঠানে তাঁরা যোগ দেননি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে ইইউ রাষ্ট্রদূতদের যোগ না দেওয়ার আগের সিদ্ধান্তে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। এরপর তাঁরা নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করেন।

কূটনীতিক সূত্রে জানা গেছে, ইইউ রাষ্ট্রদূত ছাড়াও ঢাকায় অবস্থিত জোটের সাতটি দেশের হাইকমিশনার ও রাষ্ট্রদূতেরা বিকেলে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের দেওয়া সংবর্ধনায় যোগ দিয়েছেন। ওই সূত্রমতে, সমন্বয় সভার কারণে ইইউ রাষ্ট্রদূতদের বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। তবে সরকারের অসন্তোষের কারণে সমন্বয় সভার সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়। কাল বেলা তিনটায় সমন্বয় সভাটির সময়সূচি নির্ধারিত থাকলেও সেটি সকালে পুনর্নির্ধারণ করা হয়। বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম আনার বাসায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার এবং জার্মানি, ফ্রান্স, সুইডেন ও নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতেরা।

সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র জানায়, ইইউ রাষ্ট্রদূতদের বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ না দেওয়ার আগের সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একেবারেই নজিরবিহীন। এ ধরনের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক না হলেও এটা একটা রেওয়াজ। এ অনুষ্ঠানে কূটনীতিকদের যোগ না দেওয়া এ দেশের প্রতি এক ধরনের অবজ্ঞা। কাজেই সমন্বয় সভার নামে রাষ্ট্রের অনুষ্ঠানে যোগ না দেওয়াটা মোটেই সমীচীন নয়।

সূত্রটি জানায়, গত রোববার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য কূটনীতিকদের কয়েক দফা অনুরোধ জানানো হয়। এর পরও তাঁরা অনড় থাকায় রাতে অসন্তোষ প্রকাশ করে তাঁদের কাছে বার্তা পাঠানো হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here