সীমান্তে মিয়ানমার নৌবাহিনীর তিনটি জাহাজ

13

myanmar shipসেন্ট মার্টিনের পূর্বে বঙ্গোপসাগরে মিয়ানমার নৌবাহিনীর তিনটি জাহাজ গত দুই দিন ধরে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জেলেরা। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) গুলিবর্ষণে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমানের মৃত্যুর পর থেকে ঐ তিনটি জাহাজ সীমান্তে অবস্থান করছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার লে. কাজি হারুন উর রশিদ  বলেন, ‘মিয়ানমার জলসীমানায় তাদের তিনটি নৌবাহিনীর জাহাজ টহল দিচ্ছে বলে শুনেছি। এ জন্যা সীমান্ত এলাকায় আমরা সর্তক অবস্থানে রয়েছি। এ কারণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী জাহাজ ও ট্রলারগুলোকে আমাদের নিদের্শনা অনুসারে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

সের্ন্টমাটিনের কয়েকজন স্থানীয় জেলে জানান, শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে দ্বীপের পুর্বে দিকে ট্রলার নিয়ে মাছ শিকারে গেলে মিয়ানমার জলসীমায় তিনটি নৌবাহিনির জাহাজ অবস্থান করতে দেখেন তারা।

টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন রুটে চলাচলকারি সেন্ট মার্টিন সার্ভিস বোট মালিক সমিতির সভাপতি আবু তালেব জানান, শনিবার সকালে কোস্টগার্ডে নিদের্শনা অনুসারে যাত্রী পরিবহন বন্ধ থাকলেও কিছু খাদ্যদ্রব্য পরিবহনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আজ রবিবার বেলা ১২টার দিকে টেকনাফ স্থলবন্দরে গিয়ে দেখা যায়, মিয়ানমার থেকে শুক্রবার থেকে কোনো ধরনের পণ্যবাহী ট্রলার বন্দরে আসেনি। কিন্তু বন্দরের অভ্যন্তরে মজুদ থাকা পন্যসামগ্রী ট্রাকে ভর্তি করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

স্থলবন্দরের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমানকে হত্যা করার ঘটনায় উভয় দেশের সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এরপর থেকে মিয়ানমারের মংডু শহরের হাসুরাতায় দুটি ও কিলা দং এলাকায় একটিসহ তিনটি নৌবাহিনী জাহাজ অবস্থান করায় সেদেশ থেকে পন্যবাহী ট্রলার আসছে না।

স্থলবন্দরের কাস্টমস শুল্ক কর্মকর্তা নুরে আলম বলেন, শুক্রবার থেকে আজ সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত কোনো পন্যবাহী ট্রলার আসেনি। এতে করে সরকারের দৈনিক ৩৫ লাখ টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here