সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও নাশকতা রোধে চার বাহিনীর অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত

12

RAB

দেশজুড়ে নাশকতা রুখতে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও আনসার—এই চার বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে। গতকাল বুধবার আইন-শৃংখলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আসন্ন নির্বাচনের সময়ে আইন-শৃংখলা রক্ষার বিষয়েও গোয়েন্দাদের পর্যবেক্ষণ নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে ভূমি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আমির হোসেন আমু সাংবাদিকদের বলেন, আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে উন্নত হচ্ছে। আগামীতে আরো হবে। নির্বাচনও যথাসময়েই হবে। তিনি সাংবাদিকদের শুধু গাড়ি পোড়ানো-ভাংচুরের দৃশ্য না দেখিয়ে রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলের দৃশ্যও দেখাতে বলেন।

গোয়েন্দা সুপারিশে বলা হয়েছে, কেবল আইন-শৃংখলা বাহিনী দিয়ে ভোটের নিরাপত্তা বা নাশকতা রোধ সম্ভব নয়। এ জন্য রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পৃক্ততা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে প্রতিটি কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি গঠন করার পরামর্শ দেয়া হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন শিল্প, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসেইন ভুঁইয়া, স্বরাষ্ট্র সচিব সিকিউকে মোশতাক আহমদ, মহাপুলিশ পরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার, বিজিবির মহাপরিচালক আজিজ আহমেদ, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে পরিস্থিতি অনেক ভাল করেছে। এ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে বলা হয়েছে। তিনিও বলেন, নির্বাচন যথাসময়েই হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here