শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাতের সাহায্যে কলকাতায় ছিলেন নূর হোসেন

24

জনতার নিউজঃ- অনলাইন ডেস্কঃ

 

বাংলাদেশের শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাত হোসেন দীর্ঘ দিন লুকিয়েছিল কলকাতায়। তার সাহায্য নিয়েই কলকাতার উপকণ্ঠে নেতাজি সুভাস বোস বিমানবন্দরের কাছে কৈখালিতে লুকিয়ে ছিলেন নূর হোসেন।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, গত ৭ মে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেন তিনি। বেশ কয়েক জায়গা ঘুরে ৫ জুন ঘর ভাড়া নেয় কৈখালিতে। তার আগে থেকেই তিনি ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এন এই এ-র নজরে আসেন। দুদিন পর গোয়েন্দারা নূরকে এসে শনাক্ত করে যান। এর পরই নজরদারি শুরু হয়।

একটি সূত্র মারফত নূরের ছবি পায় বিধাননগর কমিশনার রাজীব কুমার। কমিশনারের এ টি এস সেলের আধিকারিক অনিষ সরকার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন কৈখালির ফ্ল্যাট থেকেই নূরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জেরায় নূর জানিয়েছেন, তার দুই সঙ্গী কলকাতায় রয়েছেন। তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, বাংলাদেশের শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে নূরের পরিচয় ছিল। শাহাদাত এক সময় কলকাতায় ছিল। যাদের সাহায্য নিয়ে সাহাদাত কলকাতায় থাকত তাদেরই সহায়তায় নূর কলকাতায় অবস্থান করেন। তার দুই সঙ্গীর পাশাপাশি শাহাদাতের খোঁজেও তল্লাশি শুরু হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, কৈখালী এলাকায় প্রচুর বাংলাদেশি থাকেন। সেই সুযোগ নিয়েছিলেন নূর। কিন্তু সন্দেহজনক আচরণের কারণে তিনি ধরা পড়েন।

এন এই এ-র গোয়েন্দাদের নূরের খোঁজে আসা সেই সন্দেহ আরো বাড়িয়ে দেয়। প্রতিদিন রাতে তার ফ্ল্যাটে বসত মদের আসর। হই হুল্লোড় হতো। এতেও প্রতিবেশীদের নজর তাঁর দিকে পড়ে। বিধাননগর কমিশনারেটের গোয়েন্দারা তাঁর খোঁজে এসে জানতে পারেন এই সব তথ্য। তাঁরা নজরদারি বাড়িয়ে দেয়।

যদিও সরকারিভাবে নূরের বিষয়টি কলকাতার বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসকে এখনো জানায়নি পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

বাংলাদেশ উপ-দূতাবাস সূত্র জানায়, তারা বিষয়টি জেনেছেন মিডিয়া মারফত। বিধাননগর পুলিস জানিয়েছে নূর বাংলাদেশে খুন করেছেন কি করেননি, তা তাঁদের তদন্তের বিষয় নয়। তারা তদন্ত করে দেখছেন কেন তিনি কলকাতায় অবৈধভাবে থাকতে শুরু করলো? অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল? জানতে জেরা করা হচ্ছে নূরকে। জানার চেষ্টা হচ্ছে শাহাদাত কোথায় আছে?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here