র্যাবের তিন কর্মকর্তাকে গ্রেফতার প্রক্রিয়া চলছে

14

 

 

নারায়ণগঞ্জে আলোচিত ৭ খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত র্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাকে গ্রেফতারে হাইকোর্টের আদেশের কপি পাওয়ার কথা স্বীকার করছেন সংশ্লিষ্ট সবাই। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, পুলিশের মহাপরিদর্শক, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার সবাই বলছেন, হাইকোর্টের আদেশের কপি তারা পেয়েছেন। আদেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল গতকাল বলেছেন, তিন কর্মকর্তা নজরদারির মধ্যে আছেন, যে কোন সময় গ্রেফতার হবেন। তবে গতকাল সোমবার রাত সাড়ে দশটায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই তিন কর্মকর্তা গ্রেফতার হননি।

গত রবিবার দুপুরে হাইকোর্ট আদেশ দেয়ার পর ওইদিন সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দফতরে পৌঁছে আদেশের কপি। পুলিশের মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার ইত্তেফাককে জানিয়েছেন, আদালতের আদেশের কপি তিনি পেয়েছেন। গতকালই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছে আদেশের কপি পাঠানো হয়েছে।

গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কপি পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এসে পৌঁছে। নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন আদেশের কপি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আদেশের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’

৭ খুনের ঘটনায় র্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাকে গ্রেফতারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রবিবার দুপুরে আইজিপিকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। দণ্ডবিধি বা বিশেষ ক্ষমতা আইনে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া না গেলে তাদের ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করতে নির্দেশ দেয় আদালত। যাদের গ্রেফতার করতে বলা হয়েছে তারা হলেন র্যাব-১১ এর সাবেক কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল তারেক সাঈদ মাহমুদ, সাবেক মেজর আরিফ হোসেন ও সাবেক লে. কমান্ডার এম এম রানা।

নূর হোসেনের ২ সহযোগী গ্রেফতার

সাত খুনের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত নূর হোসেনের অন্যতম সহযোগী রফিকুল ইসলাম রতনকে গতকাল সন্ধ্যায় সিদ্ধিরগঞ্জের আজিবপুর এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি বাংলাদেশ ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের শিমরাইল শাখার সাধারণ সম্পাদক। নূর হোসেন ওই সমিতির সভাপতি। এর আগে গতকাল সকালে রাজধানীর কদমতলীর দক্ষিণ দনিয়া থেকে তার আরেক সহযোগী রাসেল আলীকে ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি মূলত নূর হোসেনের মাদক সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারি পরিচালক রবিউল ইসলাম বলেন, গোপন খবরের ভিত্তিতে গতকাল সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দক্ষিণ দনিয়ার দাসপাড়ার ১ হাজার ৪৩৫ নম্বর বাসায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে দুই কক্ষের একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন রাসেল আলী। অভিযানে তাকে গ্রেফতার এবং বাসায় তল্লাশি চালিয়ে ২৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here