রোড টু ডেমোক্রেসির ১ম দিনে নোয়াখালীতে মাঠে অনুপস্থিত আওয়ামীলীগ, ১৮ দলীয় জোটের ব্যাপক ভাংচুর, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, পুলিশের সাথে ব্যাপক সংঘষ ।

16

 

Truck FireBus fire নাসির দ্রুব তারা নোয়খালী প্রতিনিধিঃ জনতার নিউজ
রোড টু ডেমোক্রেসির ১ম দিনে নোয়াখালীতে মাঠে অনুপস্থিত আওয়ামীলীগ, ১৮ দলীয় জোটের ব্যাপক ভাংচুর, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, পুলিশের সাথে ব্যাপক সংঘষ । নোয়াখালীতে কোনভাবেই বদ্ধ হচ্ছেন নাশকতা, ভাংচুর কিবাং সন্ত্রাসী কমকান্ড । উদ্ধার হয়নি একটি বেআইনী আগেয়াস্ত্র কিবাং হাতবোমা । কিন্তু প্রতিদিনই কমপক্ষে পৌরসভার দত্তেরহাট, রশিদকলোনী, থানাকাউন্সিল, পশ্চিম সাহাপুরে বিভিন্ন সময় আতংক সৃষ্টির জন্য ১৫ থেকে ২০ টি হাতবোমার বিস্ফোরন ঘটানো হচ্ছে এবং ২৮/১২/১৩ ইং দুপুর ১২টায় প্রকাশ্য দিবালোকে নোয়াখালীর সদর উপজেলার ১নং চরমটুয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতির ছেলে ও ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য মনির হোসেনকে স্থানীয় সফি বাজার এলাকায় গুলি করে জখম করেছে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা।এছাড়া বিগত ২৮/০২/১৩ ইং দেইল্লা রাজাকার এর রায়ের পর নোয়াখালী পৌরসভায় নাশকতার সময় এবং ২৫/১০/১৩ ইং জেলা আওয়ামীলীগ অফিস পোড়নোর সময় শিবির ক্যাডারদের হাতে ছিল আগ্নেয়াস্ত্র । এছাড়াও রাজাকার কাদের মোল্লার ফাসি হওয়ার পর নোয়াখালীর সেনবাগ, কোম্পানীগঞ্জ. চৌমুহনী, সোনাইমুড়ী, চাটখিল, সদরে নাশকতা ঘটানোর সময় শিবির ক্যাডাররা ছিল স্বসস্ত্র, এমনকি তারা পুলিশের উপর সরাসরি গুলি ও চালিয়েছে এবং সেই গুলিতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ ও হয়েছেন । কিন্তু উদ্ধার হয়নি একটি অবৈধ অস্ত্র ও ১টি হাতবোমা ।কারন যৌথ বাহিনী জামাতের মূল কন্ট্রোলরুম আল-মাদ্রাসাতুল দ্বীনিয়া (গোদার মসজিদ সংলগ্ন, আলীপুর, ৫নং ওয়াড, নোয়াখালী পৌরসভা, সদর, নোয়াখালী ) সহ কোন জামাতি প্রতিষ্ঠানেই এখনো কোন অভিযান কিবাং তল্লাশি চালাননি ।তাই অব্যাহত রয়েছে নাশকতা আর আওয়ামীলীগ ও এর অংগ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপর একের পর এক হামলা ।নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের কার্যক্রম নেই বললেই চলে । এখানে আওয়ামীলীগের রাজনীতি জিম্মি একজনের হাতে, তাই অংগ সহযোগী সংগঠনের কার্যক্রম করার আগ্রহ থাকলে ও তা সম্ভবপর হয়নি । জনৈক ঐ নেতা দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তির পর বেশীরভাগ সময় ছিলেন বিদেশ ভ্রমনে । ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের দলীয় আয়োজনে ও তিনি ছিলেন অনুপস্থিত । মাইজদী শহরে সেই ১৯৯৩-৯৪ সাল থেকে হয়ে আসা বিজয় মেলা দুঃখজনক হলেও এবার অনুষ্ঠিত হয়নি, যা চরমভাবে হতাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল মত ও পথের মানুষকে । সব মিলিয়ে নোয়াখালী জেলায় চরম কোন ঠাসা প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ।বিরোধীদলীয় নেত্রীর ডাকা রোড টু ডেমোক্রেসিতে যেতে না পারার প্রতিবাদে নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীতে ১৮ দলের নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করলে পুলিশ বাধা দেয়। এসময় বাধা পেয়ে নেতাকর্মীরা ২টি গাড়ীতে আগুন এবং ফায়ার সার্ভিসের গাড়ীসহ ছোট-বড় ১০টি গাড়ী ভাংচুর করে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক রাউন্ড শর্টগানের ফাঁকা গুলি, রাবার বুলেট ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে ১৮ দলের নেতাকর্মীদেও ছত্রভঙ্গ করে দেয়।। এসময় ৫ জন আহত হয় বলে বিএনপির পক্ষ থেকে দাবী করা হয়েছে। রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পযন্ত ঘন্টাব্যাপী এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রোববার সকাল ১০টার দিকে জেলা শহরের রশিদ কলোনি থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ১৮ দলের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক হয়ে পৌর বাজার এলাকায় আসলে পুলিশ বাধা দিলে নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, খড়বাহী একটি পিকআপ ভ্যান, একটি বাসে আগুন দেয়। পরে আগুন নিভাতে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ী আসে। একপর্যায়ে ১৮ দলের নেতাকর্মীরা ফায়ার সর্ভিসের গাড়ীসহ ২টি মালবাহী ট্রাক, ২টি বাস, ৪টি সিএনজি অটোরিকসা ভাংচুর করে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক রাউন্ড শর্টগানের ফাঁকা গুলি, রাবার বুলেট ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে এবং পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৩ জনকে আটক করে। পরিস্থিতি উত্তরনে জেলা পুলিশ সুপার জনাব আনিসুজ্জামান পি.পি.এম. (সেবা)সব্বোচ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন । কিন্তু তারপর আশানুরুপ সফলতা না আসায় সন্দেহের আঙ্গুল উঠেছে সুধারাম থানার কিছু ব্যাক্তির বিরুদ্ধে । যারা কোন গ্রেফতার কিবাং তল্লাশি অভিযানে ফোস বের হলেই সংবাদটি জানিয়ে দেয় । এই থানার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন তরফদারের সাথে জামাতের ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান নোফেল হাউজিং এন্ড ডেভলাপার এর সাথে সখ্যতার অভিযোগ রয়েছে । বিগত এক রোজার ঈদে উক্ত কোম্পানী মাইজদী নাসির ব্রাদাস নামীয় দোকানে সুধারাম থানার পুলিশ সদস্যদের জন্য প্যাকেট করা ঈদ সামগ্রী বিতরনের সময় বিষয়টি সকল মহলে জানাজানি হয় ।এছাড়া আওয়ামী সাংসদের আস্থাভাজন হলে ও সাবেক বিএনপি সাংসদের সাথে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন তরফদারের গোপন নিয়মিত যোগাযোগের অভিযোগ রয়েছে । বিগত ১/১১ সেনা সমথিত সরকারের সময় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন তরফদারের সহযোগীতায় সাবেক বিএনপি সাংসদ (রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দামি গাড়ি এনে তা অন্যের কাছে বিক্রির অভিযোগে )গ্রেফতার থেকে বেঁচে যান বলে জনমনে অভিযোগ আছে । তাই নাশকতা দমনে ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রয়োজন সুধারাম থানার পুনঃবিন্যাস

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here