রাজধানী ঢাকার লেডি কিলার মাহমুদুর রহমান মান্নার সেক্স মিশন চলছেই

156

জনতার নিউজঃ

ডাকসুর সাবেক ভিপি রাজনীতিক মাহমুদুর রহমান মান্না অবশেষে দেশের রাজনীতিবিদ দের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর  গোয়েন্দা ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বার্ডস আই এর সংবাদ শিরোনামে চলে এলেন। হালের নীতি কথা বলার এই আলোচিত রাজনীতিকের ব্যক্তি চরিত্রের অজানা সত্য জানাতে আজ বদ্ধ পরিকর বার্ডস আই।

aaaaaaaaaaaaaaaaaaaরাজধানী ঢাকার লেডি কিলার হিসাবে রাজনৈতিক মহলে পরিচিত এবং অতি অবশ্যই  অযুত নারী ভোগ করা মাহমুদুর রহমান মান্নার নারী কেলেংকারীর তথ্য নিতে ও অনুসন্ধানে বের হয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।

মাহমুদুর রহমান মান্না, ইদানিংকালে নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মিডিয়ায় ভেসে থাকা  প্রহসন শ্রেনীর এক ব্যক্তিত্ব। রাজনীতিক হিসাবে একদা জাসদ-বাসদ করে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পর্যন্ত হয়েছিলেন। ছিলেন প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের ভিপি।১/১১ সরকারের পর হতেই দেশের প্রচলিত রাজনীতির ধারা থেকে ছিটকে পড়েন তিনি। সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগে তাঁর ওপর অভিযোগ এনেছিল- তিনি অগণতান্ত্রিক পন্থায় ১/১১ সময়কালীন নতুন সরকারের দীর্ঘ মেয়াদী শাসন কামনায় নিজেকে ঐ সরকারে একটা অবস্থান প্রত্যাশা করে কাজ করছিলেন।এর পর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে তিনি হয়ে পড়েন উপেক্ষিত। বিশেষত দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে  দল থেকে বহিস্কার না করে বিশেষ আদলে তাঁকে অভিনব শাস্তি প্রদান করেন। কারণ ক্ষমতায় এসে ‘মান্না’নামের যে কোনো মানব সন্তান আছে তা শেখ হাসিনা যেন ইচ্ছা করে ভুলে যেয়ে কৌশলী হয়ে তাঁকে কার্যত তিরস্কার করেন!

বার্ডস আই এর কাজ রাজনৈতিক বিশ্লেষন করা নয় তবু মান্না সম্পর্কে অনুসন্ধানী রিপোর্ট তৈরি করতে যেয়ে রাজনীতির কিছু গোপন খবরও হস্তগত হয়েছে। যেখানে দেখা যায়, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের keya_2মাধ্যমে সে সময়ে মহাজোট ক্ষমতায় গেলে বেশ কিছুদিন মাহমুদুর রহমান মান্না অপেক্ষা করেন, কখন দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে তলব করবেন।কিন্তু দলের পক্ষ থেকে ডাক না আসলে তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে পুনঃসম্পর্ক গড়ে ওঠানোর জন্য তদবিরে নেমেও ব্যর্থ হন।বেশ নিরাশ হয়ে পড়লে তিনি তখনও হাল ছাড়েন নি। আওয়ামী লীগের তৎকালীন ‘র‍্যাটস’(রাজ্জাক-আমু-তোফায়েল-সুরঞ্জিত)গ্রুপের আশীর্বাদ নিয়ে অপেক্ষায় থাকা শুরু করেন। এমন কি আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক আবদুল জলিলের সঙ্গে সমন্বয় করেও তিনি চলছিলেন। কিন্তু শেখ হাসিনার একরোখা মনোভাবে কোথাও কিছু না দেখতে পেয়ে ২০০৯ সালের শেষের  দিকে র‍্যাটস গ্রুপের দু’জন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ দের সঙ্গী হয়ে ভারতের নয়া দিল্লীতে সফর করেন মান্না। সকলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য একটাই ছিল- ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ এর চিফ এর সঙ্গে সাক্ষাত করে  তাঁদের প্রত্যেক কে মন্ত্রী সভায় জায়গা দেয়ার সুপারিশ করানো।কিন্তু মন গলেনি শেখ হাসিনার। তিনি কোনো ভাবেই র‍্যাটস  গ্রুপ ও মান্না কে মন্ত্রী সভায় ঐ সময় আর জায়গা দেন নি।

২০১০ সালের মাঝামাঝি হবে, দেশের তৃতীয় শক্তির দাবী করে একটি সংগঠন যাত্রা শুরু করলে ঐ সংগঠনের অন্যতম সংগঠক মান্নাকে নতুন মুল ধারার রাজনীতির তাগিদ দিলে বা আমন্ত্রন জানালে  মান্না সে সময়ও বলে ওঠেন, না- এসব করা ঠিক হবে না, নেত্রী(হাসিনা) আমাকে ডাকতে পারেন!

এর পর বছর পার হলেও এবং আওয়ামী লীগের কাউন্সিলেও তাঁর কোনো জায়গা না মিললে তিনি প্রাথমিক ভাবে সিদ্ধান্ত নেন- এভাবে চলতে থাকলে আমি হারিয়ে যাবো, তাই না হারিয়ে আমি টেলিভিশন টক mannaশোতে সঞ্চালক হয়ে অন্তত চেহারা দেখাতে পারলেও নিজের একটা চাহিদা সৃষ্টির সুযোগ থাকবে। তারপরই এটিএন নিউজ এর ‘সময়ের ভাবনা’ নামক টক শো সঞ্চালক হয়ে এখনও কোথাও সঞ্চালক, নিজের প্রয়োজনে তথাকথিত নাগরিক ঐক্য গঠন(ডিসিসি মেয়র কেন্দ্রিক আত্ম প্রবঞ্চনা),হালে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিবেন(অথচ অনিবন্ধিত দল)এমন সব বিচিত্র কর্মকাণ্ডে আত্ম কেন্দ্রিক সাংঘরষিক প্রেক্ষিত পুজি করে ওত পেতে থাকার রাজনীতি করছেন। বলছেন নীতি সস্তা কথা- যেখানে কোনো রাজনৈতিক আদর্শ, দর্শন, তত্ব নেই। মান্না হল, অল্প বুদ্ধি ও চেতনার রাজনীতিক- যারা ‘রা’ উচ্চারণ করে ৭১’ সাল থেকে বড় বড় রাজনীতিক হয়ে যাওয়া চরিত্রের শেষ প্রতিনিধি।কিন্তু ‘রা’ বলে রাজনীতিক হয়ে পড়লেও ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় থেকেই শুরু করে নেতৃত্বের বিকৃতি ঘটিয়ে প্রেমিক মন নিয়ে সারা দেশে কত নারীর সংসার ভেঙ্গেছেন তা হিসাব করে বলা যাবে না। ডাকসু ভিপি থাকাকালীন সময় থেকেই কবি কবি ভাব সেজে প্রায় দু’ডজন বিশ্ব বিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রীর সঙ্গে যৌন মিলনে জড়িয়ে পড়া ছিল তাঁর নিত্য অনুশীলনের উপকরণ। অনেকটা নাস্তার মতই ছিল সে সকল সুশ্রী মেয়েরা। যাদের পরবর্তীতে বিয়ে হয়ে গেলেও এখনও অব্দি মান্নার কলিং বেলে প্রায়শই দরজা খুলতে হয়।

মান্নার মোবাইল ফোনে প্রত্যহ কত গুলো নারী কন্ঠের ফোন আসে তা যখন অনুসন্ধান করা হয়েছে তখন দেখা গেছে, মান্না নিজের বয়স কোথায় নিয়ে গেছে।সেখানে তাঁর কথা বলার ধরনে প্রেমিক মান্নার বয়স কারো নিকট ২৪ বছরের বেশী মনে হব না!

এদিকে প্রায় প্রত্যেক দিনে টক শোতে লাল- নীল বাহারী পাঞ্জাবী পড়ার প্রধান রহস্যে দেখা গেছে- তিনি রাজধানী ঢাকার বেশ কিছু যুবতী নারীর কাছে চির তরুন থাকতে চান। বার্ডস আই এর জেরার মুখে তার এক নিকটজন বলেন, “ভাই আসলে প্রেমিক মানুষ।ঘরের কালো বউ তাঁর মনের মত হয় নি। সে কারনেই এক তরকারী দিয়ে খেতে চান না- এতে দোষের কী আছে।”

সূত্রমতে, মাহমুদুর রহমান মান্নার একসময় জাসদ ছেড়ে আসার নেপথ্যেও রয়েছে দেশের অন্যতম পরকীয়া ঘটিত কাহিনী। জাসদ সভাপতি আ স ম আব্দুর রবের অপেক্ষাকৃত অল্প বয়সী স্ত্রীর সঙ্গেও বিছানা সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে কথিত আছে। সে জের ধরে বার্ডস আয় এগোতে থাকলে দেখতে পায়, এ দেশের সমাজের কাছে হাতে গোনা দু’একজন গুনী নারীর সঙ্গেও এখনও চলছে তাঁর সেক্স মিশন। সামাজিক সম্মান বোধের তাগিদে সে সকল নারী গনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থাকলো বার্ডস আই।

ষাটের দশকের সেক্স সিম্বল আলোচিত দুই নারীর সঙ্গেও মাহমুদুর রহমান মান্নার সেক্স স্ক্যান্ডাল এখন বার্ডস আই এর নিকট নথিবদ্ধ।আগামী তে নেতৃত্বের গুনাবলির অপরিহার্য দিক অর্থাৎ ব্যক্তি চরিত্র মাহমুদুর রহমান মান্নার মাঝে খুঁজে না পাওয়া গেলে হাটে হাড়ি ভাঙ্গার সুবিন্যস্ত প্রয়াসে থাকবে বার্ডস আই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here