মেহরপুরের গাংনী উপজেলা নির্বাচন অফিসে হামলা।

19

meherpur 1meherpur 2

তানভির আহমেদ মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ জনতার নিউজঃ

মেহরপুরের গাংনী উপজেলা সার্ভার), সাব রেজিস্ট্রি অফিস, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ক্লাব, দোয়েল ক্লাব, আব্দুল মতিনের চায়ের দোকান, ফাতেমা কাউন্টার ও শাপলা মেশিনারীজের দোকানে ভাংচুর করা হয়েছে। অবরোধের পক্ষে ১৮ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিলের সময় রোববার সকাল নয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভ মিছিলটি হাসপাতাল বাজারে পৌছে প্রথমে দোয়ের ক্লাবে ভাংচুর করে। বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ক্লাবে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ভাংচুর করে অগ্নি সংযোগ করে। ক্লাব দুটিতে গাংনী পৌর মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আহম্মেদ আলী ও যুবলীগ নেতা মজিরুল ইসলামসহ তাদের লোকজন পরিচালনা করেন। ক্লাবে ভাংচুরের পর উপজেলা পরিষদের মধ্যে প্রবেশ করে সার্ভার স্টেশনে (নির্বাচন অফিস) ইটপাটকেল ও ককটেল বোমা নিক্ষেপ করে। নির্বাচন অফিসের জানালার গ্লাস ভেঙ্গে যায়। এসময় পুলিশের কয়েকজন সদস্য নির্বাচন অফিসের মধ্যে অবস্থান করছিলেন। একই সময়ে গাংনী সাব রেজিস্ট্রি অফিসের মহুরাদের বসার স্থান ভাংচুর করা হয়। উপজেলা পরিষদের প্রথম গেট দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় আব্দুল মতিনের চায়ের দোকানে ভাংচুর করে বিক্ষুদ্ধ অবরোধকারীরা। কাথুলী মোড়ে অবস্থিত আওয়ামী লীগ সমর্থক ইয়াছিন আলীর শাপলা মেশিনারীজ এর সামনে থাকা কিছু প্লাস্টিকের পানির ট্যাংক ভাংচুর করে। ফিরে আসার সময় বাস স্ট্যান্ডে অবস্থিত যুবলীগ নেতা মজিরুল ইসলামের ভাই আব্দুল খালেকের মালিকানাধীন ফাতেমা কাউন্টারে সামান্য ভাংচুর করে। কাল রবিবার দুপুর দেড়টার দিকে গাংনী উপজেলা সার্ভার স্টেশন (নির্বাচন অফিস) সহ ভাংচুর হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করেছেন মেহেরপুর পুলিশ সুপার একেএম নাহিদুল ইসলাম। তিনি প্রথমে নির্বাচন অফিসের সামনে আসেন এবং অফিসের নিরাপত্তা কাজে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের সাথে সাক্ষাতের পাশাপাশি হামলাকারীদের ব্যাপারে খোঁজ খবর নেন। এর পরে ভাংচুর হওয়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে সার্বিক আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশ সদস্যদের সাথে কথা বলেন। যে কোন মুল্যে বিশৃংখলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here