মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তিকে বর্জন করুন

10

newমুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তিকে রাজনীতিসহ সকলক্ষেত্রে বর্জনের আহবান জানিয়েছে গণজাগরণ মঞ্চ। গতকাল শুক্রবার বিকালে মঞ্চের তিন দিনব্যাপী কর্মসূচির সমাপনী সমাবেশে বক্তারা এ আহবান জানান। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের উপ-অধিনায়ক এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) একে খন্দকার বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ বাস্তবায়নে তাদের সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এমন কাউকে ক্ষমতায় আনবেন না; যারা এদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতায় বিশ্বাসী না।

উদীচী সভাপতি কামাল লোহানী বলেন, গণজাগরণ মঞ্চের কারণে আমরা জয়বাংলা শ্লোগান ফিরে পেয়েছি। একাত্তরে ফিরে গিয়েছি। ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী বলেন, এ মঞ্চ হাজার বছরের বাঙালিকে রক্ষা করেছে। ইতিহাস তাদের স্মরণ করবে।

সাংবাদিক আবেদ খান বলেন, এ মঞ্চ মাথা গুনতি মানুষের সমাবেশ নয়। দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীনতাপ্রেমী, জামায়াত-শিবিরবিরোধী মানুষের হূদয়ে আছে গণজাগরণ মঞ্চ। ডাকসুর সাবেক ভিপি অধ্যাপক মাহফুজা খানম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার যে জাগরণ শাহবাগ ঘটিয়েছে, তা অনেকদিন বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বলেন, গণজাগরণ মঞ্চ অসাম্প্রদায়িক চেতনায় দেশবাসীকে নিয়ে সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধে আন্দোলন করেছে। এটি গণজাগরণের বড় অর্জন। সমাবেশে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার মঞ্চের গত এক বছরের কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন তুলে ধরে বলেন, যে সংগ্রাম আমরা শুরু করেছি তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক সোনিয়া নিশাত আমিন, ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, নিজেরা করি’র সমন্বয়ক খুশী কবির, অনলাইন এক্টিভিস্ট আরিফ জেবতিক, ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি বাপ্পাদিত্য বসু, জাসদ ছাত্রলীগের সভাপতি শামসুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এর আগে শাহবাগে গতকাল সকালে গণজাগরণ মঞ্চের আয়োজনে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here