বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে শিবির নেতা আহত

14

Shibirবগুড়ায় বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণের ঘটনায় ছাত্র শিবিরের বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ শাখার সভাপতি জুয়েল সরকার (২৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে শহরের জামিল নগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আজ শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে শহরের মফিজ পাগলার মোড়ের জামায়াতে ইসলামী পরিচালিত ‘ইসলামী হাসপাতাল’ থেকে আহত ওই শিবির নেতাকে আটক করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ।
পুলিশকে না জানিয়ে ‘গোপনে চিকিত্সা’ করার অভিযোগে জামায়াতে ইসলামী পরিচালিত ওই হাসপাতালের পরিচালক, দুজন চিকিত্সকসহ ছয়জনকে আটক করে গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বগুড়া গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (ডিবি)  মিজানুর রহমান জানান, গতকাল রাতে শহরের জামিল নগর এলাকার একটি বাসায় বোমা তৈরির করার সময় তা বিস্ফোরিত শিবিরের ওই নেতা গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে আজ সকাল থেকে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। এক পর্যায়ে নিশ্চিত হওয়া যায়, শহরের মফিজ পাগলার মোড়ে ইসলামী হাসপাতালে ওই আহত শিবির নেতার গোপনে চিকিত্সা চলছে।
বগুড়ার সহকারী পুলিশ সুপার নাজির হোসেন প্রথম আলোকে জানান, বেলা ১১টার দিকে প্রথমে হাসপাতালটিকে ঘিরে ফেলা হয়। জানতে চাওয়া হলে হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী সকলেই বিষয়টি এড়িয়ে যান। অস্ত্রোপচার কক্ষে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে তালা ঝুলছে। তালা ভেঙে ওই কক্ষ থেকে আহত শিবির নেতাকে আটক করা হয়।

অস্ত্রোপচার কক্ষে গোপনে চিকিত্সা দেওয়ার সঙ্গে জড়িত হাসপাতালের পরিচালক সেলিম রেজা, চিকিত্সক আশরাফ আলী ও মিজানুর রহমান এবং সেবিকা ও কর্মচারী  তাহেরা বেগম, রমিছা খাতুন ও মোখলেছার রহমানকে আটক করা হয়।

বগুড়ার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মোজাম্মেল হক দাবি করেন, বোমা তৈরির সময় তা বিস্ফোরিত হয়েই ওই শিবির নেতা আহত হয়েছেন।

তবে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বগুড়া শহর শাখার প্রচার সম্পাদক মিজানুর রহমান দাবি করেন, বোমা তৈরির সময় নয়, বাড়ির সামনে পড়ে থাকা একটি ককটেল হাতে  নিয়ে নাড়াচাড়ার সময় তা বিস্ফোরিত হয়ে শিবির নেতা জুয়েল আহত হয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here