বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা

13

জনতার নিউজঃ

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল রবিবার চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর কুনমিং সফর শেষে রাজধানী বেইজিং পৌঁছলে তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীদের নিয়ে চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট স্থানীয় সময় বেলা দুটার দিকে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা) বেইজিং আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করে।

প্রধানমন্ত্রীকে বিমান বন্দরে স্বাগত জানান চীনের পররাষ্ট্র বিষয়ক ভাইস মিনিস্টার লিউ ঝেনমিন। বেইজিংয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আজিজুল হক এ সময় উপস্থিত ছিলেন। খবর বাসসের।

দুটি শিশু প্রধানমন্ত্রীকে ফুলের তোড়া উপহার দেয়। এখান থেকে তাকে প্রেজেন্টেশন লাইনে নিয়ে যাওয়া হয় এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। এরপর তিনি চীনা পিপলস আর্মির একটি চৌকস দলের স্টাটিক গার্ড পরিদর্শন করেন।

বিমান বন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা শেষে প্রধানমন্ত্রীকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে দাইয়োতাই রাষ্ট্রীয় গেস্ট হাউসে নিয়ে যাওয়া হয়। বেইজিং অবস্থানকালে এই গেস্ট হাউসেই তিনি থাকবেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে দশটায় (বাংলাদেশ সময় সকালে সাড়ে আটটা) কুনমিংয়ের চাংশুই আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ত্যাগ করেন।

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াঙের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী ছয়দিনের সরকারি সফরে গত ৬ জুন কুনমিং যান।

চীন সফরকালে অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব একেএম শামীম চৌধুরী। এছাড়াও ৭০ সদস্যের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন।

চীনা বিপ্লবে শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল বিকালে তিয়েনআনমেন স্কোয়ারে পিপলস হিরোদের (জনবীর) স্মৃতিসৌধে ফুলের তোড়া দিয়ে চীনা বিপ্লবের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

ফুলের তোড়া দেয়ার পর প্রধানমন্ত্রী চীনা বীরদের স্মরণে সেখানে কিছু সময় নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। ১৯ ও ২০ শতকে বিপ্লবের সময় এসব বীর শহীদ হন।

এ সময় চীনা পিপলস আর্মির একটি চৌকস দল সশস্ত্র স্যালুট প্রদান করে এবং বাংলাদেশ ও চীনের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়।

এরপর প্রধানমন্ত্রী বেইজিং ছায়াং থিয়েটারে যান এবং চীনা শিল্পীদের অ্যাক্রোবেটিক শো প্রত্যক্ষ করেন।

শেখ হাসিনা থিয়েটার প্রাঙ্গণে পৌঁছলে থিয়েটারের জেনারেল ম্যানেজার লিউ শিংওয়াং তাকে স্বাগত জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here