বিদেশিদের কাছে ধরনা দিয়ে খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্য সফল হবে না: শেখ হাসিনা –

23

pm2

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিদেশিদের কাছে ধরনা দিয়ে খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্য কোনভাবেই সফল হবে না। কাল বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ আয়োজিত এক মহাসমাবেশে তিনি কথা বলেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া একের পর এক বিদেশি কূটনৈতিকদের কাছে ধরনা দিয়ে গেছেন। পনেরদিনের ব্যবধানে তিনি কূটনৈতিকদের সাথে বৈঠোক করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০২১ সালের আগেই বাংলাদেশকে ক্ষুধা, দারিদ্রমুক্ত একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিনত করতে আওয়ামীলীগ সরকার বদ্ধ পরিকর। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সকল ক্ষমতার উতস জনগণ। এই জনগণকে তাদের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে আওয়ামীলীগ। তাই জনগণকে সাথে নিয়েই সকল বাধা অতিক্রম করা হবে। শেখ হাসিনা বলেন, হরতাল, অবরোধ দিয়ে বিরোধীদল দেশকে অচল করে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল কিন্তু সেই হরতালকে উপেক্ষা করে দেশের শিশু কিশোরদের হাতে পাঠ্য পুস্তক তুলে দেওয়া হয়েছিল। এই সময় তিনি পাঠ্যপুস্তকের গাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ আনেন বিরোধীদলের বিরুদ্ধে।

তিনি বলেন, হরতালের প্রতিবন্ধকতা সত্বেও দেশের অর্থনৈতিক চাকাকে সচল রাখা হয়েছিল, রপ্তানির চাকা সচল রাখা হয়েছিল। তিনি জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে বিরত থাকার অনুরোধ করেন। প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। তাই আপনাদের ঐক্যবদ্ধ থেকে সকল ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করতে হবে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর আহবানে এইদেশ স্বাধীন হয়েছে। এই দেশে কোন অরাজকতা করতে দেওয়া হবে না।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যোনে আওয়ামী লীগের সমাবেশ  বক্তব্য রাখছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। শুক্রবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মহানগর আওয়মী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজ, সাধারণ সম্পাদক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি প্রমুখ।
সমাবেশে প্রধান অতিথি  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকেল সাড়ে ৪টায় শেখ হাসিনা মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন।
শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে ঢাকার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে দলীয় নেতা-কর্মীরা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সাথে সাথে মানুষের ঢলও বাড়তে শুরু করে। এর আগে সমাবেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকাল থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশ স্থলের চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে রাখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসভাস্থলের ১৬টি পয়েন্টে বসানো হয় আর্চওয়ে গেট। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দ্বায়িত্বে থাকা স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্য, সেনাবাহিনীর একটি দল, র‌্যাবের ডগ স্কোয়াড নিয়ে আসা হয়। মঞ্চের চারপাশ সুইপিং ও স্ক্যান করা হয়। সমাবেশস্থল সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত করার পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আর্চওয়ে নিয়ে আসা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here