বিজেপির বিপুল বিজয়

19

ভারতের সামনে সুদিন * ২১ মে শপথ গ্রহন * মনমোহনের অভিনন্দন

 

 

৩৩৭আসন বিজেপি জোটেরmodi bjp

৫৮ আসন কংগ্রেস জোটের

৩৪ আসন তৃণমূল কংগ্রেসের

৩৬ আসন পেয়েছে এআইএডিএমকে

৭৮আসন অন্যান্য দলের

কথায় বলে, নামে কী যায় আসে। কিন্তু নরেন্দ্র মোদী প্রমাণ করে দিলেন নামে অনেক কিছু এসে যায়! আট মাস আগে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) দলীয় প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছিল এমন এক ব্যক্তির নাম, যার বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় উসকানি দেয়া ছাড়াও অনেক অভিযোগ। অভিযোগের কারণে যুক্তরাষ্ট্র তাকে ভিসা পর্যন্ত দেয়নি। বহির্বিশ্বে তার ভাবমূর্তি ভালো নয়। দল জিতলে সেই নরেন্দ্র মোদীকেই প্রধানমন্ত্রী বানানো হবে এমন ঘোষণা অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। ক্ষমতাসীন কংগ্রেস মন্তব্য করেছিল -মোদী একাই তার নেতিবাচক ভাবমুর্তি দিয়ে বিজেপিকে হারিয়ে দিবেন।

কিন্তু লেখা হলো উল্টোকাব্য। মোদীকে পেয়ে বিজেপি সমর্থকরা হতাশ হবার পরিবর্তে যেন সঞ্জীবনী সুধার পাত্র হাতে পেল। ৬৩ বছর বয়সী এই নেতাকে সামনে রেখে তারা শুরু করে স্বপ্ন দেখা। শ্লোগান তৈরি হয় -অব কি বার, মোদী সরকার। ভারতে এবার মোদী সরকার। এক পর্যায়ে দল ছাড়িয়ে ব্যক্তি মোদীই যেন হয়ে পড়েন আলোকবর্তিকা। সারা দেশ ছেয়ে যায় মোদীর মুখোশে। সেই মুখোশ পরে নির্বাচনী প্রচারে যায় মোদী ভক্তরা। তাদের মুখে শ্লোগান, আমরা সবাই মোদী। নির্বাচনের এই ‘মোদীকরণে’ কিছুটা বিরক্ত হন বিজেপির শীর্ষনেতারা। কিন্তু চুপ করে থাকেন। মিডিয়াতেও শুরু হয় ‘মোদীঝড়’। মাঠে নামে বিভিন্ন জরিপ সংস্থা। তারা দেশজুড়ে পরিচালিত জরিপে দেখায় বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট এবার কংগ্রেসকে লজ্জাকর পরাজয় উপহার দিবে। কংগ্রেস সেই জরিপকে পাত্তা দেয়নি।

কিন্তু সেইসব জরিপ সত্যি বলে প্রমাণিত হলো। মোদী-বনাম বাকি ভারতের লড়াইয়ে জিতে গেলেন ব্যক্তি মোদী। বিজেপি মনে করছে মোদীর বাইরে অন্য কোনো নেতাকে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে সামনে আনলে এই বিপ্লব সম্ভব হতো না। হাতে পাওয়া সম্ভব হতো না এই বিপুল বিজয়। বিজেপি সভাপতি রাজনাথ নিজেই স্বীকার করেছেন, জয় হয়েছে মূলত ‘মোদী’ নামটির। তিনি একাই নিজের জালে ছুটে আসা গোল ঠেকিয়েছেন। আর বিপক্ষের পোস্ট ভাসিয়ে দিয়েছেন পরাজয়ের গোল বন্যায়।

ভারতে গত ৭ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া নয় পর্বের নির্বাচনের ফল প্রকাশ করা হয়েছে গতকাল শুক্রবার। ৫৪৩ আসনের মধ্যে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট পেয়েছে ৩৩৭ আসন। এর মধ্যে বিজেপি এককভাবে পেয়েছে ২৮৩ আসন। কেন্দ্রে সরকার গড়তে দরকার হয় ২৭২ আসন। অর্থাত্ অন্য কোনো দলের সাহায্য ছাড়াই বিজেপি এককভাবে সরকার গড়ার মতো আসন পেয়েছে। অথচ, গত লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ জোট পেয়েছিল ১৫৯ আসন। বিজেপি এককভাবে পেয়েছিল ১১৬ আসন। অর্থাত্ জোটগতভাবে ১৭৮ এবং দলগতভাবে ১৬৭ আসন বেড়েছে বিজেপির। এবার মোদীর রাজ্য গুজরাটের ২৬ টি আসনের সবগুলোই পেয়েছে দলটি।

অপরদিকে, কংগ্রেস তার ইতিহাসের সবচে বড় পরাজয়ের লজ্জা উপহার পেয়েছে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট পেয়েছে সাকুল্যে ৫৮ আসন। কংগ্রেস এককভাবে পেয়েছে মাত্র ৪৩ আসন। গত লোকসভা নির্বাচনে ইউপিএ জোটের আসন ছিল ২৬২ টি। এককভাবে কংগ্রেস পেয়েছিল ২০৬ টি। অর্থাত্ ইউপিএ জোটগতভাগে ২০৪ আসন এবং কংগ্রেস দলগতভাবে হারিয়েছে ১৬৩ আসন। কংগ্রেস ১৯৯৯ সালে পেয়েছিল ১১৪ আসন। সেটা ছিল এযাবত্কাল কংগ্রেসের সবচে খারাপ ফলের রেকর্ড। কিন্তু গতকাল আগের সেই রেকর্ড ভঙ্গ হলো।

১৯৭৭ সালের পর কোনো বিরোধী দল ক্ষমতাসীন দলকে এভাবে ধরাশায়ী করে ক্ষমতায় এলো। ১৯৮০ সালে জনতা পার্টি ভেঙ্গে জন্ম নেয়া বিজেপি এই চতুর্থবারের মতো রাষ্ট্রক্ষমতায় বসতে যাচ্ছে। ১৯৯৬ সালে বিজেপি গঠিত প্রথম সরকার মাত্র ১৩ দিন টিকে ছিল। ১৯৯৮ সালে বিজেপি জোটের গড়া দ্বিতীয় সরকার ১৩ মাস ক্ষমতায় ছিল। এরপর ১৯৯৯ সালে এনডিএ জোট আবার ক্ষমতায় আসে এবং অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রধানমন্ত্রী হন।

ভারতে একটি কথা প্রচলিত আছে -উত্তর প্রদেশ যার দিল্লি তার। কারণ উত্তর প্রদেশের আসন সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এই রাজ্যের ৮০ টি আসনের মধ্যে যে দল বা জোট বেশি আসন পায় তারাই মূলত সংখ্যাগরিষ্টতার পক্ষে এগিয়ে থাকে। এবারো উত্তর প্রদেশ নিয়ে বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল লড়াই চালায়। কিন্তু ফলাফলে দেখা গেছে ৮০ আসনের মধ্যে ৭১ আসনই নিয়ে গেছে বিজেপি। কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র ২টি আসন। এসপি এবং আপনা দল পেয়েছে বাকি দুই আসন। এই একটি উদাহরণই বুঝিয়ে দিতে যথেষ্ট কংগ্রেস কেন এমন শোচনীয় পরাজয় লাভ করল। কংগ্রেসের দুঃখগাথা এখানেই শেষ নয়, সাতটি রাজ্যে কংগ্রেস একটি আসনও পায়নি। কোনো রাজ্যেই ১০টির বেশি আসন লাভ করতে পারেনি। আসামের ১৪ আসনের মধ্যে বিজেপি অর্ধেকই ছিনিয়ে নিয়েছে। কংগ্রেস পেয়েছে ৩ আসন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ নিজেও পরাজিত হয়েছেন। পরাজয়ের লজ্জায় তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিয়েছেন।

গতকাল ভোট গণনা শুরু হবার কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্কার হয়ে যায় কংগ্রেস তার ইতিহাসে বড় পরাজয়ের সামনে দাঁড়িয়ে। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে পরাজয় স্বীকার করে নেয় দলটি। এরপর বিজেপিকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী এবং কংগ্রেস সহসভাপতি রাহুল গান্ধী।

অপরদিকে, অনেক ঢাক ঢোল পিটিয়ে দুর্নীতিবিরোধী শ্লোগান দিয়ে মাঠে নামা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি পেয়েছে মাত্র ৪ আসন। দলটির শীর্ষনেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল বেনারস আসনে মোদীকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সেখানে প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি নিজেই ধরাশায়ী হয়েছেন। আটকাতে পারেননি মোদীর জয়যাত্রা।

আগামী ২১ মে ভারতের ১৪তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন মোদী। বিজেপি ১৯৯৯ সালে ১৮২ আসনে জিতে অটল বিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বে সরকার গঠন করেছিল। দলের বিশাল বিজয়ের পর দলের দিল্লি সদর দফতরে দলীয় নেতা-কর্মীরা ঢাক ঢোল বাজিয়ে নেচে-গেয়ে এবং মিষ্টি বিতরণ করে বিজয় উদযাপন করে।

আজ পদত্যাগ মনমোহনের:ভারতের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং আজ শনিবার দুপুর ১২ টা ৪৫ মিনিটে মন্ত্রিসভার শেষ বৈঠকের পর পদত্যাগ করবেন। এর আগে তিনি জাতির উদ্দেশে তার ভাষণ দিবেন। তিনি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জীর কাছে তার পদত্যাগপত্র পেশ করবেন। ৮১ বছর বয়সী মনমোহন বছরের গোড়ার দিকে ঘোষণা দিয়েছিলেন সর্বদলীয় প্রগতিশীল মোর্চা (ইউপিএ) ক্ষমতায় ফিরলেও তিনি এ পদে আর বহাল থাকবেন না।

পরাজয়ের দায় স্বীকার: বিজেপি জোটের জয় স্পষ্ট হতেই কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী গতকাল বলেন, ভারতের লোকসভা নির্বাচনে তার দলের ভরাডুবির জন্য তিনি নিজেকে দায়ী মনে করেন। দলের সভানেত্রী ও তার মা সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতাকালে রাহুল বলেন, ‘আমি নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানাই। জনগণ তাদের ম্যান্ডেট দিয়েছে।’

নির্বাচনে দলের ফল সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমার মতে কংগ্রেস খারাপ করেছে। এখানে আমাদের অনেক কিছু ভাবার আছে। যা ঘটেছে তার জন্য আমি নিজেকে দায়ী মনে করি।’ রাহুল গান্ধী নির্বাচনী প্রচারণায় দলের নেতৃত্ব দিলেও কংগ্রেস দলের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে রাহুল বা অন্য কারো নাম ঘোষণা করেনি। সেকারণে কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ দলের পরাজয়ের জন্য রাহুল বা সোনিয়া গান্ধী কাউকে দায়ী মনে করছেন না।

আনন্দে মাতোয়ারা বিজেপি :বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ভারতের রাজধানী দিল্লীর অশোকা রোডের বিজেপি কেন্দ্রীয় কার্যালয় ফল প্রকাশের পর বিজয়ের আনন্দে উত্সবে মেতে ওঠে। বিজেপির কার্যালয়ে ছাড়িয়ে পুরো অশোকা রোডে ছড়িয়ে পড়ে এই আনন্দ উত্সব। উত্সবের আয়োজন প্রস্তুতি সবই ছিল। শুধু অপেক্ষা ছিল আনুষ্ঠানিকভাবে ফল পাওয়ার। সকালে ভোট গণনা শুরুতেই প্রতিপক্ষের চেয়ে গুণিতক হারে এগিয়ে যেতে থাকে বিজেপি। আর সাথে সাথে আনন্দে নাচতে থাকে গোটা বিজেপি কার্যালয়। চারদিকে থেকে আসতে থাকে বিজেপির হাজার কর্মী সমর্থক। বেলা ১০টা নাগাদ পোস্টাল ব্যালটের ফল গণনায় বিজেপির জয়-জয়কার শুরু হয়ে যায়। স্পষ্ট হয়ে উঠে এনডিএ নয়, খোদ বিজেপিই ৩০ বছরের ইতিহাস ভেঙ্গে লোকসভা নির্বাচনে একক দল হিসাবে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচেছ। শুরু হয়ে যায় ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী-সমর্থকদের বিজয় উদযাপন। সারাদেশের মতো রাজধানীতেও রাস্তায় নেমে আসে কর্মী-সমর্থকরা। আঁতশবাজি, শ্লোগান আর ড্রামের আওয়াজে দিল্লী মুখরিত হয়ে উঠে। কার্যালয় সংলগ্ন সামনের রাস্তাটি তাদের জন্যই বরাদ্দ দেয়া হয়। বন্ধ করে দেয়া হয় যান চলাচল। বাদ্যের তালে তালে নেচে গেয়ে আনন্দে মেতে উঠে গেরুয়া শিবির। আঁতশবাজির আলোতে আলোকিত হয়ে যায় রাজধানী। কর্মীদের হাতে প্ল্যাকার্ড আর বুকে মোদীর ছবি সম্বলিত পোশাক।

ভোটের ফল প্রকাশ উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবারই বড় পর্দায় ফল দেখার ব্যবস্থা করা হয় বিজেপি কার্যালয়ে। আর সেই বড় স্ক্রিনে সকাল থেকেই ফল প্রকাশ দেখছিলেন নেতাকর্মীরা। সকাল ১০টা বাজতেই সে আসর বড় উত্সবে পরিণত হয়। পাঞ্জাবি, গুজরাটিসহ নানা সংস্কৃতির বাজনা পরিবেশ মুখরিত করে তোলে। উত্সাহী নেতা-কর্মীরা নৃত্য শুরু করে সে বাজনার তালে তালে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দও গলায় তুলে নেন ঢোল। ১ লাখ লাড্ডু বিতরণ করা হয়। বিজেপির অফিসের সামনে উপস্থিত সবাইকে লাড্ডু প্যাকেট বিতরণ করা হয়। রাস্তার পাশে চলে মোদীর জন্য প্রার্থনা।

মোদীর বিজয় ভাষণ:গতকাল বিজেপির জয় নিশ্চিত হবার পর মোদী তার বিজয় ভাষণ দেয়ার জন্য চলে যান তার ভদোদরা আসনে। উচ্ছ্বসিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, ভারতের সামনে আসছে সুদিন। তার প্রতি জনগণের ভালোবাসার জন্য তিনি তাদের ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানান। এসময় হাজার হাজার বিজেপি নেতা-কর্মী ‘মোদী মোদী’ বলে শ্লোগান দিতে থাকেন।

মোদী তার বিজয় ভাষনে বলেন, আমি আপনাদের এই আসনে নির্বাচনী প্রচারে মাত্র ৫০ মিনিট ব্যয় করেছিলাম। কিন্তু আপনারা আমাকে ৫ লাখ ৭০ হাজার ভোট দিয়েছেন। আমি আপনাদের সামনে শ্রদ্ধায় মাথা নত না করে পারছি না। মোদী আরো বলেন, ভারতের সুদিনের যাত্রা কেবল শুরু হলো। সামনে আসছে আরো শুভ দিন। তাছাড়া গুজরাটের সবগুলো আসন আপনারা বিজেপিকে দিয়েছেন। স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো অ-কংগ্রেসি দলকে আপনারা একক সংখ্যাগরিষ্ট হবার সুযোগ দিয়েছেন। এজন্য আমি কৃতজ্ঞ থাকবো এবং দেশবাসীর সেবা করার জন্য নিজেকে উত্সর্গ করব। মোদী আরো বলেন -ফাঁকা শ্লোগান নয়, গোটা ভারতের উন্নয়ন আমার সরকারের প্রধান টার্গেট। এজন্য তিনি কংগ্রেসসহ সব দলের সহযোগিতা পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, বিজেপি দলীয়ভাবে সবচে ভালো ফল করেছিল ১৯৯৯ সালে। ওই বছর লোকসভা নির্বাচনে তারা ১৮২ আসন পেয়ে শরিকদের নিয়ে সরকার গঠন করেছিল। কংগ্রেস এমন ‘সুনামি’ সৃষ্টি করে এককভাবে সরকার গড়ার মতো আসন লাভ করেছিল সেই ১৯৮৪ সালে। রাজীব গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস ওই নির্বাচনে পেয়েছিল ৪১৪ আসন। হাস্যকর শোনালেও সত্যি, সেই বছর কংগ্রেস ঝড়ে উড়ে গিয়েছিল বিজেপি। সারা দেশে পেয়েছিল মাত্র দুটি আসন। সেই অপমান কাটিয়ে ধীরে ধীরে দলটি হয়ে উঠেছে আজকের বিজেপি। এ যেন কোনো ফ্যান্টাসি পার্কে এক ‘রোলার কোস্টার’ রাইড!

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here