বিচার পাওয়া প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার : শেখ হাসিনা

12

pmপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনকল্যাণে আইনি সেবার প্রচার ও প্রসারে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বার কাউন্সিল, বার অ্যাসোসিয়েশনসহ আন্তর্জাতিক সংগঠন, বেসরকারি সংস্থা, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যম বিশেষ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচার পাওয়া প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে আজ এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় ২৮ এপ্রিল-২০১৪ ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস’ পালন করতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ১৯(১) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার অপরিহার্য মূলনীতি হিসেবে বলা হয়েছে, ‘সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হইবে।’
এ সাংবিধানিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে ২০০০ সালে আমরা ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’ পাস করি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এ আইনের আওতায় সরকার আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার পেতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে সরকারি অর্থ ব্যয়ে আইনগত সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অসচ্ছল, হতদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে সরকারি আইন সহায়তা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে লিগ্যাল এইড কমিটি গঠনের পাশাপাশি প্রত্যেক জেলায় স্থায়ীভাবে ‘লিগ্যাল এইড অফিস’ স্থাপন করার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, এসব অফিসের মাধ্যমে আইনগত সহায়তার পাশাপাশি বিনা খরচে দরিদ্র জনগণকে আইনগত পরামর্শও প্রদান করা হচ্ছে। এ ছাড়া জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মধ্যস্থতায় আপস-মীমাংসার মাধ্যমে মামলা-মোকদ্দমা, বিরোধ ইত্যাদি নিষ্পত্তির উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার ও আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলে সরকারি আইন সহায়তা কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করেছে। ফলে সরকারিভাবে আইনি সেবা গ্রহীতার সংখ্যা যেমন প্রতিবছর বৃদ্ধি পাচ্ছে, হত-দরিদ্রদের পক্ষে পরিচালিত লিগ্যাল এইডের মামলাগুলোও তেমনি দ্রুততার সঙ্গে নিষ্পত্তি হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০১৪’-এর সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here