পূর্ব এশিয়াতে মার্কিন আধিপত্যের প্রতি চীনা চ্যালেঞ্জ

20

5299fc0e1156a-china-air-zoneএশিয়ার পূর্বাঞ্চলের আকাশে চীনের বিমান প্রতিরক্ষা অঞ্চল ঘোষণা নিশ্চিতভাবেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। কয়েক দশক ধরে এ এলাকায় মার্কিন আধিপত্য ছিল প্রশ্নাতীত।

চীনের নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা বহু বছর ধরে জানিয়ে আসছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে পশ্চিম প্রশান্তমহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের কারণে তাঁরা অস্বস্তিতে ভোগেন। দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ দ্বীপ পারসেল ও স্কারবোরও এবং পূর্ব চীন সাগরের জাপানশাসিত দ্বীপগুলোতে চীনের নৌবাহিনীর শক্তিপ্রয়োগ তাই যুক্তরাষ্ট্রকে শঙ্কিত করে তুলছে।

এই সম্পর্কে রেনমিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শি ইয়নহংয়ের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, বাণিজ্য ও কূটনীতিক ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের কাছে চীনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এখন যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের ‘কৌশলগত অবস্থানকে’ স্বীকার করতে হবে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তাঁর মিত্ররা কীভাবে চীনকে গ্রহণ করছে, সেটির ওপর নির্ভর করে এ অঞ্চলের ভবিষ্যত্ চীনের উদয় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে।

ওয়াশিংটন এ অবস্থায় গোপন কূটনীতিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। গত সপ্তাহের চীনের ঘোষণার পর দেশটির সবচেয়ে কাছের মার্কিন ভূখণ্ড গুয়াম থেকে দুটি বি-৫২ যুদ্ধবিমান আকস্মিকভাবে উড়িয়ে, চীনকে জবাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অবশ্য এতে পুরো বিষয়টিতে আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

কাউকে তোয়াক্কা না করে, নিজের ক্ষমতা দেখাতে বিমান প্রতিরক্ষা অঞ্চল ঘোষণা করে জাপানের সঙ্গে ছোটখাটো কয়েকটি দ্বীপ নিয়ে চলমান কলহকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে চীন।

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আগামী সপ্তাহের চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁর সফরের সময়ও এ উত্তেজনা জারি থাকবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here