পুলিশ সুপার জনাব আনিসুর রহমান পিপিএম (সেবা) এর অনুপস্থিতি মানেই শিবিরের নোয়াখালী শহরে নাশকতা করার মোক্ষম সুযোগঃ-

36

noakhali

নাসির দ্রুব তারা,নোয়খালী প্রতিনিধিঃ জনতার নিউজ

নোয়াখালী জেলায় রাজাকার জামাতের ছাত্রসংগঠন এখন এতটাই জনমনে ভীতি ও আশংকা তৈরী করতে পেরেছে যে তাদের ডাকে এখন হরতাল ও হয় । আজ ১৫ই জানুয়ারী নোয়াখালী ও ফেনী জেলায় হরতাল ডেকেছে । জামাত এতটাই শক্তিশালী জংগীরুপ নিয়েছে যে তাদের সব্বোচ ত্রাস দেখানোর পর ও নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ নোয়াখালী জেলার বাইরেই অবস্থানকে নিজেদের নিরাপত্তা মনে করছে । জামাত-শিবিরের বিগত কয়েক মাসের তান্ডবে পুলিশ বাদী মামলা হয়েছে প্রায় ৫০ এর কাছাকাছি । কিন্তু নাশকতা কারী এবং এদের অর্থায়ন ও মদদ দানকারীরা গ্রেপ্তারই হননি, আর দুএক জন যা হয়েছে তারা অদৃশ্য ইশারায় জামিনে মুক্ত । অনুসন্ধানে এজন্য সুধারাম থানা পুলিশের গাফিলতিকে দায়ী বলে মনে হয়েছে । কারন বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার জামাতি হেড কোয়াটার সুধারাম থানা এলাকাই অবস্থিত ।এ বিষয়ে একটি রিপোট ৩০ শে ডিসেম্বর জনতার কথায় প্রকাশিত হয়েছে (রোড টু ডেমোক্রেসির ১ম দিনে নোয়াখালীতে মাঠে অনুপস্থিত আওয়ামীলীগ, ১৮ দলীয় জোটের ব্যাপক ভাংচুর, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, পুলিশের সাথে ব্যাপক সংঘষ – শিরোনামে )। সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কমকতা মোশারফ হোসেন তরফদার জেলা আওয়ামীলীগের এক নেতার আস্থাভাজন হলে ও তিনি জামায়াতপন্থী ( এ অভিযোগ দীঘ ৬ বছর ধরে অনেক জোরালো হয়েছে )। তার পদায়ন হয় ২০০১-২০০৬ বিএনপি জামাত জোট সরকারের শেষ সময়ে তৎকালীন নোয়াখালী-৪ আসনের বিএনপি সাংসদের সুপারিশে এবং অভিযোগ আছে ১/১১ এর সময় এই ওসির কারনে আওয়ামীপন্থীরা হয়েছেন টার্গেটেড ও তখন বাংলাদেশ যুবলীগ, নোয়াখালী শহর শাখার আহবায়ক শামছুদ্দোহা গ্রেফতার পর মারা যান । বিগত মহাজোট সরকারের সময় এই ওসির হাতে বিনা মামলায় নিগৃহীত হয়েছে আওয়ামীলীগ ও এর অংগ সংগঠনের শতাধিক নেতা কথিত ব্যাক্তির ইচ্ছায় ।বিগত ৫ই ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে একজন বীরমুক্তিযোদ্ধা দুলাল মিয়ার মৃত্যর পর উপজেলা নিবাহী কমকতার ফোনের পর ও মোশারফ হোসেন তরফদার রাষ্ট্রীয় সন্মাননা জানাতে নিজে তো জাননি এবং কোন পুলিশ সদস্য পাঠাননি । ফলে রাষ্ট্রীয় সন্মাননা ছাড়াই ঐ মুক্তিযোদ্ধার দাফন হয় । এতে চরম ক্ষোভ দেখা দেয় এবং পরদিন সেক্টরস কমান্ডার ফোরাম নোয়াখালীর আহবানে ২০টির উপর সংগঠন নোয়াখালী প্রধান সড়কে এই ঘটনার বিচার ও ওসির অপসারণের জন্য মানববন্ধন করেন । বিষয়টি জাতীয় পত্রিকাসহ একাধিক সংবাদ মাধ্যমে তখন ঢালাওভাবে প্রকাশিত হয় । বিষয়টি অবহিত হয়ে পুলিশের সালাম ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা হতদরিদ্র দুলাল মিয়ার লাশ দাফনের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু এবং তিনসদ্যসের তদন্ত কমিটি গঠনে পুলিশ সুপারকে সরাসরি নিদের্শ দেন ।তদন্তে ওসি মোশারফ হোসেন তরফদার দোষী প্রমাণিত হন এবং ঐ রিপোট গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় ।কিন্তু একজনের ইশারায় ওসি মোশারফ হোসেন তরফদার বহাল থাকেন । এতে করে আরো বেশী বেপরোয়া হয়ে উঠেন এই ওসি । আনুমানিক বছর খানিক আগে আওয়ামীলীগ এর অভ্যন্তরীন কোন্দলে জেলা অফিস ব্যাপক ভাংচুর ও সকল সড়ক অবরুদ্ধ করার ঘটনার সময় তৎকালীন পুলিশ সুপার জনাব হারুনুর রশিদ হাজারী উপরের নিদের্শে ওসি মোশারফ হোসেন তরফদারকে প্রথম ক্লোজ এবং পরের দিন খাগড়াছড়িতে শাস্তিমূলক বদলী করেন । তার বদলির আদেশে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা নোয়াখালী পৌরসভায় প্রায় ৪০ কেজির উপরে গন মিষ্টি বিতরন করে আনন্দ করে, যা বিভিন্ন গনমাধ্যম ও প্রকাশিত হয় । কিন্তু নজিরবিহীনভাবে সরকারী সকল রীতিনীতি ভংগ করে মাত্র ১৫ থেকে ১৬ দিনের মাথায় নোয়াখালী-৪ আসনের আরেকটি থানায় (চরজব্বর থানায়) ওসি হয়ে ফিরে আসেন শাস্তিমূলক বদলী মোশারফ হোসেন তরফদার । ঐ থানায় ওসি থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়, যার প্রধান বিষয় ছিল বিভিন্ন জায়গা থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ এবং যুগান্তর প্রতিনিধির প্রশ্নে সেসময়ের পুলিশ সুপার জনাব হারুনুর রশীদ হাজারী বিষয়টি তিনি জানেন ও তার কাছে এ ব্যাপারে ৭/৮ টি লিখিত অভিযোগ ও আছে বলে স্বীকার করেন ।বিগত অক্টোবর মাসে আওয়ামীলীগ অফিস পোড়ানো সময় সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কমকতা মীর জাহিদুল হক রনি দায়িত্বে ছিলেন । যিনি শেষের দিকে জামাত দমনে থিতিয়ে গেলে ও প্রথম থেকে বেশ কয়েকটি সাঁড়াশি অভিযান চালান এবং সফলতা ও পান । তার এই সাঁড়াশি অভিযানের কারনে শিবির ক্ষুদ্ধ হয়ে তার উপর সরাসরি হামলা ও করে , সেদিন নিজের বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলে প্রানে রক্ষা পেলে ও মারাত্মক আহত হয়ে প্রথম নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভতি হন । পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় প্রেরন করতে হয় ।সাধারণত নোয়াখালী-৪ আসনের সাংসদ এলাকায় থাকলে সুধারাম থানার ওসির প্রথম কাজ তার দেহরক্ষীর মত তার সাথে সরকারি গাড়ি ও জনবল নিয়ে অবস্থান, যা বিধি সংগত না হলে ও বিগত পাঁচবছর হয়ে দাঁড়িয়েছে অলিখিত বিধান ।তাই ঘটনার আগে সাংসদ অফিস ছেড়ে যাওয়ায় অলিখিত বিধানটি ওসিকে অনুসরন করতে হয় ।তাই ঘটনার প্রতিকারে তার জোরালো কোন ভূমিকা রাখা সম্ভব ছিল না । কিন্তু ঘটনার দায় কাঁধে নিয়ে তাকে বিদায় করে সুধারাম থানার দায়িত্ব পান সাংসদ এর আস্থাভাজন বিতকিত মোশারফ হোসেন তরফদার । ফলাফল যা হবার তাই ঘঠছে । বিগত প্রায় দুইমাসে এই ওসি সহিংসতা দমন কিবাং সন্ত্রাসী দমনে একেবারেই উদাসীন । আর পুলিশ বাদী মামলা দায়েরে অভিযুক্তদের আসামী না দিয়ে বেশীরভাগ ঘটনার সাথে জড়িত নয় এমন লোকদের আসামী করার জোরালো অভিযোগ রয়েছে ।ওসির এই উদাসীনতায় এই এলাকার অবস্থা চরম খারাপ হওয়া থেকে বেঁচে যায় নোয়াখালী জেলার দায়িত্বরত পুলিশ সুপার জনাব, আনিসুর রহমান পিপিএম(সেবা)এর নিরলশ পরিশ্রম, আন্তরিকতা ও দৃঢ়তার কারনে । বিগত ২মাস এই পুলিশ সুপার নোয়াখালীতে সহিংসতা প্রতিরোধে নিজেই রাস্তায় অবস্থান করেছেন বেশীরভাগ সময় । শেষে সহিংসতা কিছুটা প্রশমিত হলে তিনি পৌর বাজারের পাশে ফুটপাতে চেয়ার টেবিল নিয়ে নিজে ডিউটি করতে অহরহই দেখা গেছে । আর তার এই প্রয়াসে সুধারাম থানার এসপি সদর সাকেল নিষ্কৃতি চাকমা কে নিরলস পরিশ্রম করতে দেখা গেছে ।আর এতে উল্লেখযোগ্য সফলতা যেটি তাহল শিবির সন্ত্রাসীরা সংঘবদ্ধ হয়ে জংলী মিছিল নিয়ে এসে শহরে ব্যাপক তান্ডব চালাতে পারছেনা । কিন্তু বিশেষ জায়গার দোয়ার বরকতে সুধারাম থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসিকে ঐ তুলনায় ১০ ভাগ ও রাস্তায় দেখা যায়নি । এছাড়া ও যৌথ বাহিনী ও অনান্য সংস্থার অভিযানের সময় কোন জায়গায় অভিযানের সময় সুধারাম থানা থেকে সংশ্লিষ্ট জায়গায় খবর পৌছে যাওয়ার ভুরি ভুরি অভিযোগ আছে । তাই সন্ত্রাসী, নাশকতাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালে ও গ্রেফতার হয়নি । বিগত ১২ ই ডিসেম্বর পুলিশ সুপার জনাব, আনিসুর রহমান পিপিএম(সেবা) চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভার কারনে নোয়াখালী ছিলেন না ।অভিযোগ আছে খবরটি বিশেষভাবে নাশকতাকারীদের দেওয়া হয় । আর তাই বহু দিন পর শিবির সন্ত্রাসীরা সংঘবদ্ধ হয়ে জংগী মিছিল নিয়ে এসে শহরে ব্যাপক ভাংচুর করে নিরাপদে সরে যায় । ঘটনার পর ঘটনাস্থলে একজন এসআইকে কিছু পুলিশ সদস্য নিয়ে অবস্থান করতে দেখলে ও সুধারাম থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসিকে একবারের জন্য ও প্রধান সড়কে দেখা যায়নি । আর মজার বিষয় ছিল শিবির সন্ত্রাসীরা সংগবদ্ধ হয়ে জংগী মিছিল নিয়ে ভাংচুর করতে স্পট হিসেবে বেছে নেয় পৌর বাজারের পাশে যে জায়গাটিতে সকল অবরোধ-হরতালে পুলিশ সুপার জনাব, আনিসুর রহমান পিপিএম(সেবা)অবস্থান করতেন । তাই সহিসংতা দমনে প্রথম বিশেষ জায়গার দোয়া প্রাপ্ত সুধারাম থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি মোশারফ হোসেন তরফদার এর অপসারন এবং সুধারাম থানায় ব্যাপক রদবদল কে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন এই এলাকায় বসবাসকারী সকল জনগন এবং সরকারি দলের ৯৯% নেতারা ।কারন সন্ত্রাসীরা যেভাবে শনাক্তকৃত, ঠিক সেভাবে সনাক্ত জামাতি ৯৯% প্রতিষ্ঠান । ১ম নিয়ন্ত্রন কক্ষ বা মূল কন্ট্রোলরুম আল-মাদ্রাসাতুল দ্বীনিয়া (গোদার মসজিদ সংলগ্ন, আলীপুর, ৫নং ওয়াড, নোয়াখালী পৌরসভা, সদর, নোয়াখালী) প্রতিষ্ঠিত আল-ফারুক ট্রাষ্টের মাধ্যমে । এই আল-ফারুক ট্রাস্টই এই জেলায় জামাতি প্রতিষ্ঠানের জনক ।কোন আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতর ব্যাক্তিগত বাড়িঘর থাকা সমীচিন না হলে ও এ প্রতিষ্ঠানটির ভেতর স্থায়ী নিবাস (পরিবার-পরি জনসহ) জেলা জামাতসহ এর অংগ সহযোগী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের । ১৯৯১ সাল থেকে মহাজোট সরকারের ক্ষমতা গ্রহন এর আগ পর্যন্ত ইসলামী মহাসম্মেলন নামে তিন-চার দিনের ইসলামী ওয়াজ মাহফিল আয়োজিত হতো নোয়াখালী জিলা স্কুল ময়দানে প্রতিবছর, আর এতে প্রধান অতিথি হতেন একাত্তরের ঘৃণ্য দেইল্লা রাজাকার ওরফে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী । আর তার অবস্থান বরাবরই হোত এই আল-মাদ্রাসাতুল দ্বীনিয়া । ইতিপূর্বে অস্ত্র উদ্ধারসহ বহু অভিযান এ জেলায় পরিচালিত হলে ও এ স্থানটি সবসময় ছিল ধরা ছোঁয়ার বাইরে, এমনকি ১/১১ এর সেনাসমর্থিত সরকারের সময় ও । বিগত ১২ই ফেব্রুয়ারী ২১১৩ জামাত-শিবিরের হামলায় আহত হন সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কমকতা মীর জাহিদুল হক রনি, ভারপ্রাপ্ত কমকতা তদন্ত নিজাম উদ্দিন সহ ৪/৫ জন পুলিশ সদস্য, পুলিশের ব্যবহৃত শটগান ছিনিয়ে পৌরবাজারের সামনের নদমায় ফেলে দেওয়া হয় এবং একজন এসআইকে আল-মাদ্রাসাতুল দ্বীনিয়ার প্বার্শবর্তী পুকুরে আহত করে ফেলে দেওয়া হয় । তখন পুলিশসহ উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসাটি তে বিক্ষিপ্তভাবে প্রবেশ করলে পাওয়া যায় নাশকতায় ব্যাবহৃত কয়েকশত গাবের লাঠি, সরকার বিরোধী কয়েক হাজার লিফলেট, সিঁডি, ডিভিটি ও একটি মেটাল ডিক্টেটর । এর পাশে অবস্থিত ৫নং ওয়াড এর কাজী অফিসটি জেলা জামাতের আমিরের যা আমিন প্লাস্টিক দোকান । আল-ফারুক ট্রাষ্ট এর প্রতিষ্ঠিত স্কুল আল-ফারুক প্রি ক্যাডেট একাডেমী শিবির তৈরির কারখানা এবং এর ছাত্রাবাস ক্যাডারদের নিরাপদ স্থান । এই স্কুলে নিয়োগপ্রাপ্ত সকল শিক্ষক-কর্মচারী শতভাগ জামাতি । এই স্কুলের ছাত্রাবাসের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহিদ স্যার নিজে বেশ কয়েকবার শিবির তাণ্ডবের নেতৃত্ব দেন এবং পুলিশ বাদী মামলার আসামী। এই স্কুলের সংলগ্ন সড়কে রয়েছে ডেভলপার এন্ড হাউজিং সহ জামাতি ১৫ টির মত প্রতিষ্ঠান ।১৯৯৮ সাল পর্যন্ত জামাতের আমির ডাঃ বোরহান এর মানব কল্যান মজলিস নামক চিৎকিসা কেন্দ্রটি মহিলা সদস্য রিক্রুট সেন্টার। আর তার সময়কাল এক কমিটির সেক্রেটারী হিফযু রহমান দায়িত্বরত ফারইস্ট লাইফ ইনসুরেন্স । আর ফারইস্ট লাইফ ইনসুরেন্স সকল কাজের পিছনে রয়েছে জামাতের সাংগঠনিক বিস্তৃতি । এমনকি ফারইস্ট লাইফ ইন্সুরেন্সের সকল যানবাহন সাংগঠনিক কাজে ব্যবহৃত হয় । এ দুজন কোন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করলে ও অনুসন্ধানে এই তথ্যাদি পাওয়া যায় । আর এদের হাতেই এই জেলায় জামাতের ফাউন্ডেশন রচিত হয়েছে । আর এখন ছাত্রশিবিরের নাশকতার নেতৃত্ব ও অথ দেয় এশিয়া হাসপাতাল এন্ড ট্রমা সেন্টার এর চেয়ারম্যান ইকবাল ফারুক , যিনি নোফেল ডেভলপার এন্ড হাউজিং এর এক্সিকিউটিভ শেয়ার হোল্ডার । আর নাশকতায় শিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি মিজান, এখনকার জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সদস্য নেয়ামত উল্লা সাকের, শহর সেক্রেটারী ফারুক, সায়েম সহ বিভিন্ন শাখার সভাপতি ও সেক্রেটারী রয়েছে । আর শিবির নুতন একটি জায়গায় তাদের ঘাঁটি গড়েছে, আর তা হল সরকারি আবাসিক এলাকার উত্তর পাড়ের হোন্ডা মেকার মমিনের গ্যারেজ সহ আশেপাশে এবং হকাস মার্কেটের ২০-২৫টি দোকান । সুধারাম থানায় ব্যাপক রদবদল ও উল্লেখিত স্থানে গোয়েন্দা নজরাদির মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করলে শিবিরের শক্তি অনেকটাই বিলুপ্ত হবে । তাই দেরী না করে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে, নতুবা সীতাকুন্ডের চেয়ে খারাপ অবস্থা এই জেলাতে ও প্রায় আগত ।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here