পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ।

30

Report

দাপুটে জয়ে সিরিজ টাইগারদের

তামিমের ব্যাটে উড়ন্ত সূচনা শেষ পর্যন্ত নোঙ্গরে পৌঁছতে বেশি বেগ পেতে হলো না। মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ৩৮.১ ওভার খেলে সিরিজ নিশ্চিত করে টাইগাররা। পাকিস্তান প্রথম ম্যাচে ৭৯ রানে এবং এই ম্যাচে ৭ উইকেট হেরে সিরিজ থেকে ছিটকে পড়ল। আর তামিম টানা দুই সেঞ্চুরি করে বাংলাদেশের ইতিহাসে রিয়াদের সঙ্গি হলেন। রিয়াদও বিশ্বকাপে টানা দুই শতক করেন।

তামিম ৩০ বলে ১২ চারে অর্ধশতক করেন। আর ১১৫ বলে ১১৬ রান করে থাকেন অপরাজিত। তামিম-মুশফিক জুটি থেকে আসে ১১৮ রান। মূলত এই জুটিই জয়ের ভিত্তিপ্রস্থর দৃঢ় করে। প্রথম ম্যাচেও এই জুটিতেই জয়ের হসি হেসেছিল বাংলাদেশ।

মুশফিক ৭০ বলে ৬৫ রান করে রাহাত আলিরে বলে আউট হন। সাকিব ৫ বলে ৭ রান করে থাকেন অপরাজিত।  রিয়াদ ১৮ বলে ১৭ রান করে বোল্ড হন। ব্যক্তিগত ১৭ ও দলীয় ২২ রানে ২.৫ ওভারে ওপেনার সৌম্য সরকার সাজ ঘরে ফিরলেও তামিমের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে পাকিস্তান।

এর আগে টস জিতে পাকিস্তান ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। অধিনায়কের এই সিদ্ধান্তের মান রাখতে পারেননি পাক ব্যাটসম্যানরা। টিাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৩৯ রান করে অতিথিরা।  সাদ নাসিম অপরাজিত ৭৭ এবং ওহাব রিয়াজের ৫১ রান ছাড়া কেউ দাঁড়াতেই পারেনি। সাকিব নেন ২টি উইকেট।

তবে পাক শিবিরে প্রথম আঘাত করেন রুবেল হোসেন। ৭.১ ওভারে রুবেলের প্রথম ওভারের প্রথম বলে সরফরাজ আহমেদ সৌম্যের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। সরফরাজ ১১ বলে ৭ রান করেন। ৮.৬ ওভারে আঘাত হানেন আরাফাত সানি। তিনি শূন্য রানে হাফিজকে ফেরান।

৩৬ রান নিয়ে ব্যাট করছিলেন পাকিস্তানের অধিনায়ক আজহার আলি। ১৫.৩ ওভারে সাকিব তাকে ফেরান। ১৬.৫ ওভারে নাসির হোসেন শূন্য রানে বোল্ড করেন ফাহাদ আলমকে। রিজওয়ান ১৩ রানে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন সাকিবের বলে। ষষ্ঠ উইকেটে ৭৭ রানের জুটি ভাঙেন মাশরাফি। হারিস সোহেল আউট হন ৬১ বলে ৬৪ রান করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here