পরিবেশের ক্ষতি করে কোনো উন্নয়নই টেকসই হবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

8

pmpপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দেশের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা ও বর্ধিষ্ণু জনসংখ্যার খাদ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদি টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।পরিবেশের ক্ষতি করে কোনো উন্নয়নই টেকসই হবে না।’ আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে তিনি এ সব কথা বলেন। সূত্র বাসস।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বর্তমানে ১৩৫টি ড্রেন দিয়ে রাজধানীর আবাসন বর্জ্যসহ কল-কারখানার বর্জ্য বুড়িগঙ্গায় পড়ছে। এসব ড্রেনকে একটি লাইনে নিয়ে এসে বর্জ্য অন্যত্র ফেলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

এ জন্য সরকার বুড়িগঙ্গার তীরে একটি কেন্দ্রীয় শোধনাগার তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার গ্রিন হাউস গ্যাস কমাতে গাছ লাগানো কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বনায়ন সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১ লাখ ৯৬ হাজার হেক্টর চরাঞ্চলে বনায়নের মাধ্যমে উপকূলীয় বন সৃজন করা হয়েছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশের বন্যপ্রাণী ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণে ৩৭টি সংরক্ষিত এলাকা পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ছাড়া, ১৪টি ইকো-পার্ক, উদ্ভিদ উদ্যান, সাফারি পার্ক পরিচালিত হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হাজারীবাগ ট্যানারি অতিসত্ত্বর সাভারে স্থানান্তরের ব্যাপারে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় শিল্প মন্ত্রণালয়কে সহায়তা করছে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানসমূহে ইটিপি কার্যক্রম অনলাইনে মনিটর করার বিষয়েও এ মন্ত্রণালয় পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ট্যানারি চলে গেলে ওই স্থানটিকে দূষণমুক্ত করার কাজে হাত দেয়া হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘শিল্প কারখানা থেকে নির্গত দূষিত তরল বর্জ্য নিয়ন্ত্রণের জন্য ২০০৯ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত ৮১২টি কারখানায় ইটিপি স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। আগামী ২০১৮ সালের মধ্যে কলকারখানাসমূহে শতভাগ ইটিপি চালুর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

বায়ু দূষণের মাত্রা হরাস করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ২ হাজার ১৪১টি ইট-ভাটাকে আধুনিক প্রযুক্তির ইট-ভাটায় রূপান্তর করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল ইট-ভাটাকে আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় আনা হবে।’

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব আবদুস সোবহান সিকদার, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব আবুল কালাম আজাদ, সংশি¬ষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারী ছাড়াও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here