নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগ অফিস, পুড়িয়ে দেওয়া ছাত্রশিবির ক্যাডারদের করা হয়েছে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কৃত ।

69

ND photoND photo 1নোয়াখালী প্রতিনিধি, নাসির দ্রুব তারা, জনতার নিউজঃ

ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নোয়াখালী জেলা শাখার অফিস, পুড়িয়ে দেওয়া ছাত্রশিবির ক্যাডারদের করা হয়েছে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কৃত । বিগত ২৫/১০/১৩ ইং ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নোয়াখালী জেলা শাখার অফিসটিতে (সাবেক স্পিকার আবদুল মালেক সড়কে অবস্থিত) ব্যাপক তান্ডব, গানপাউডার, পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ করে, যার নারকীয় তান্ডবে পুড়ে যায় দুপাশের সাত-আটটা দোকান । উক্ত ঘটনার ঠিক ১৫ মিনিট পূবে অফিসে নেতাকর্মী পরিবেষ্টিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, নোয়াখালী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী-৪ আসনের সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী। সমর্থিত সূত্র থেকে জানা যায় তার শুভাকাঙ্ক্ষী বিএনপির এক সিনিয়র নেতা তাকে শিবিরের সশস্ত্র অবস্থানের বিষয় অবহিত করে অফিস থেকে চলে যেতে অনুরোধ করেন । সেদিন ঐ ফোন পেয়ে অফিস ছেড়ে গেলে বিষয়টিকে নিয়ে তুমুল সমালোচনার ঝড় উঠে । কিন্তু অনুসন্ধানে তার তাৎক্ষনিক সিদ্ধান্তটি সঠিক বলে মনে হয়েছে । কারন জামাত শিবিরের সেদিনের সশস্ত্র প্রস্তুতি ও অবস্থানগত কারনে দেখা যায় তিনি অবস্থান করলে ব্যাপক প্রাণহানী ও আরো অনেক বেশী ক্ষয়ক্ষতির সমূহ সম্ভাবনা ছিল । কিন্তু তারপরের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গুলি জন্ম দিয়েছে ব্যাপক প্রশ্নের । ঘটনাটির প্রতিবাদসভা করা হয়েছে প্রায় দশদিন পর, এর আগে একটা বিক্ষোভ মিছিল ও হয়নি । আর প্রশাসনিকভাবে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কমকতা মীর জাহিদুল হক রনিকে সরিয়ে সেখানে বসানো হয় বির্তকিত মোশারফ হোসেন তরফদারকে । আর আওয়ামী ঘরনার হিসেবে পরিচিত ঘটনার মাত্র ২৪ ঘন্টার কম সময় আগে যোগদানকারী জেলা প্রশাসক জনাব সোহেল ইমাম খানকে সরিয়ে দেওয়া । সেদিন নোয়াখালীতে র্যাব, বিজিবির উপস্থিতি ছিল । কিন্তু শিবির ক্যাডারদের আক্রমনাত্মক অবস্থান, সরাসরি গুলিবষন, শক্তিশালী হাতবোমার বিস্ফোরন, আগুন দেয়ায় পেট্রোল-গান পাউডারের ব্যাবহার করে এবং মাত্র ১০ মিনিটের তাণ্ডবের পর ঘটনাস্থল ত্যাগ হতবিহ্বল করে দেয় সবাইকে। স্বাধীনতার পর দুই-একবার স্থান বদল হলেও এটিই ছিল আওয়ামী লীগের স্থায়ী অফিস। অতীতে ২/১ টি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া অফিসটি ছিল প্রায় সবসময় সন্ত্রাসী আক্রমন মুক্ত । ঘটনার সময় নাশকতার নেতৃত্বে থাকা জামাতি ক্যাডারদের মুখ চেনা হলে ও অজ্ঞাত কারনে মূল আসামিরা এখনো ও ধরাছোঁয়ার বাইরে । এই ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কাজের জন্য জামাতি প্রতিষ্ঠান নোফেল ডেভলপার এন্ড হাউজিং থেকে জামাতি ক্যাডারদের আথিক পুরস্কারসহ দলগতভাবে দেওয়া হয় সন্মাননা । আর এ ক্ষেত্রে সম্মুখে ছিলেন এশিয়া হাসপাতাল এন্ড ট্রমা সেন্টার এর চেয়ারম্যান ইকবাল ফারুকের নাম, যিনি নোফেল ডেভলপার এন্ড হাউজিং এর এক্সিকিউটিভ শেয়ার হোল্ডার । এমনকি প্রকাশিত হয় জামাতি ক্যাডারদের সম্মাননার ছবি । এতে স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তির রাজনৈতিক দল ও জনমনে দেখা দেয় ত্রীব ক্ষোভ ও চরম হতাশা । উক্ত জামাতি ক্যাডারদের উপস্থিতি সব জায়গায় দেখা যায় বলে অভিযোগ আছে । তাই প্রশাসন জনমানুষের আস্থাহীনতা দূরে প্রথম প্রয়োজন এই ঘটনায় নেতৃত্বদানকারী জামাতি ক্যাডারদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার ।।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here