নূর হোসেনের অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ

11

 

 

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট চন্দন সরকারকে অপহরণ ও খুনের ঘটনার প্রধান আসামী নূর হোসেনের অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মামুনুর রশিদ মন্ডলের এক আবেদনের প্রেক্ষিত্রে আজ বুধবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কেএম মহিউদ্দিন এই নির্দেশ দেন।

নির্দেশের প্রেক্ষিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্রশাসন এ ব্যাপারে অভিযান চালাবে বলে জানা গেছে।

নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক হাবিবুর রহমান আদেশের সত্যতা স্বীকার করেছেন।

গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ থেকে একসঙ্গে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-২ নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, নজরুলের গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার এবং তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক ইব্রাহিম অপহূত হন।

পরদিন ২৮ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন নজরুল ইসলামের স্ত্রী। কাউন্সিলর নূর হোসেনকে প্রধান করে মামলায় আসামি করা হয় মোট ১২ জনকে।

গত ৩০ এপ্রিল বিকেলে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ৬ জন এবং ১ মে সকালে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সবারই হাত-পা বাঁধা ছিল। পেটে ছিল আঘাতের চিহ্ন। প্রতিটি লাশ ইটভর্তি দুটি করে বস্তা বেঁধে ডুবিয়ে দেওয়া হয়। গত ৩ মে নূর হোসেনের সিদ্ধিরগঞ্জের বাসায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ ১৬ জনকে গ্রেফতার এবং রক্তমাখা মাইক্রোবাস জব্দ করে। এরপর গ্রেফতার করা হয় আরো ৭ জনকে।

এ ঘটনায় র্যাব-১১ এর কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ করেন নিহত প্যানেল মেয়র নজরুলের পরিবারের সদস্যরা।

নজরুল ইসলামের শ্বশুর অভিযোগ করেন, ৬ কোটি টাকার বিনিময়ে র্যাবকে দিয়ে ওই সাতজনকে হত্যা করিয়েছেন নূর হোসেন। এর পর থেকেই সে পলাতক রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here