দিস ইজ বেয়াদবি, এক্কেবারে বেয়াদবি’

11

52b32101e304e-muhit

ঢাকাস্থ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূতের আচরণকে বেয়াদবিতুল্য এবং পাকিস্তানকে বর্বর জাতি বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বিজয় দিবসে স্মৃতিসৌধে না যাওয়ায় ইইউ রাষ্ট্রদূত এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসি হওয়া কাদের মোল্লার পক্ষ নেওয়ায় পাকিস্তানের উদ্দেশে  বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

কাল সন্ধ্যায় তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে প্রণোদনা প্রদান-সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান, অর্থসচিব ফজলে কবির, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এম আসলাম আলম উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।

ইইউ রাষ্ট্রদূতের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ইইউ রাষ্ট্রদূত স্মৃতিসৌধে গেলেন না, দিস ইজ বেয়াদবি, এক্কেবারে বেয়াদবি। আন্তর্জাতিক শিষ্টাচার হিসেবে যা প্রচলিত রয়েছে, যেমন-ভিয়েনা কনভেনশন, এর জন্মই হয়েছে ইউরোপে। এ জন্য আরও বেশি খারাপ লাগে।’

কাদের মোল্লার বিষয়ে পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তান কোনখানে দোষ করেছে, কোনখানে করেনি, সেটা তারা এখনো জানে না। দুঃখ হয়, ৪২ বছর পরও ওই বর্বর কালচার থেকে তারা বেরিয়ে আসতে পারেনি। নিজের দেশটাকে তারা ধ্বংস করে ফেলছে নিজেরাই। তাদের ভাঙন কেউ রোধ করতে পারবে না। জাতি হিসেবে তারা এখনো প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি।’

প্রণোদনা বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের দাবি মূলত দুইটি। যেহেতু তাঁরা মজুরি বাড়িয়েছেন, সেহেতু তাঁরা কিছু সুবিধা চাচ্ছেন। এর আগে তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়ে তিনটি দাবি তুলেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছেন তাঁদের কিছু সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার জন্য। গতবার যেভাবে দেওয়া হয়েছিল সেভাবে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তাঁরা সত্যিই বড় সংকটে পড়েছেন। ৩১ ডিসেম্বরের পর অনেকে ঋণখেলাপি হয়ে যেতে পারেন। সুতরাং এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতেই হবে।’ তবে এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আবার বসতে হবে বলে জানান তিনি।

চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ১১ ডিসেম্বর অর্থমন্ত্রীর কাছে আট দফা দাবি জানায় বস্ত্র খাতের তিন সংগঠন বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও বিটিএমএ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here