দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা একীভূত করা সম্ভব: বাণিজ্যমন্ত্রী

10

Tofayelবাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য, ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট সুযোগ বৃদ্ধি ও বাণিজ্য চুক্তির মতো উদারীকরণ পদক্ষেপের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা একীভূত করা সম্ভব হতে পারে। আবার আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক দেশের সঙ্গে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর সরকারের আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য সুযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে আঞ্চলিক বাণিজ্যকেও একটি সমন্বিত ব্যবস্থায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব। দিল্লিতে চলমান দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) ৫ম বাণিজ্য নেতৃত্ব সভায় দেয়া বক্তব্যে তোফায়েল আহমেদ এ কথা বলেন।

সভায় ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী আনন্দ শর্মা, আফগানিস্তানের বাণিজ্য ও শিল্প বিষয়ক উপমন্ত্রী মোজাম্মেল শিনওয়ারি, ভুটানের অর্থ বিষয়ক মন্ত্রী নরবু ওয়াংচুক, মালদ্বীপের অর্থনৈতিক উন্নয়নমন্ত্রী মোহাম্মদ সাঈদ, নেপালের বাণিজ্য ও সরবরাহ বিষয়ক মন্ত্রী শঙ্কর প্রসাদ কৈরালা, পাকিস্তানের বাণিজ্য ও বস্ত্র মন্ত্রী খুররম দস্তগীর খান, শ্রীলঙ্কার শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী আব্দুল রিশাদ বাথিউদ্দিন, সার্কের মহাসচিব আহমেদ সালিম এবং সার্কের চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র প্রেসিডেন্ট ভি এস শিনেই উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সভায় ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার তারিক এ করিমও ছিলেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, বিচ্ছিন্নভাবে কোনো দেশ উন্নতি লাভ করতে পারে না বলে বাংলাদেশ বিশ্বাস করে। বাণিজ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনে অন্য দেশের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রাখতে হয়। এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের এক সদস্য হওয়ার কথা দৃঢ়ভাবে স্বীকার করে। তিনি আরো বলেন, সার্ক এ অঞ্চলে বিশাল সুযোগের দ্বার উন্মোচন করেছে। এ প্লাটফর্ম ব্যবহার করে অর্থনৈতিক সহযোগিতার মাধ্যমে এ অঞ্চলের আটটি দেশ সমৃদ্ধি ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here