তত্ত্বাবধায়ক সরকার মরে গেছে ॥ কবর থেকে আর উঠবে নাঃ-মোহাম্মদ নাছিম

14

mp 2 তানভীর আহমেদ  মেহেরপুর প্রতিনিধিঃজনতার নিউজ

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাছিম বিএনপি-জামায়াতের উদ্দেশ্যে বলেছেন, আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই। আন্দোলন কিভাবে করতে হয় আওয়ামী লীগ জানে। তত্বাবধায়ক সরকার মারা গেছে। কবর থেকে আর কোনদিন উঠবে না। শেখ হাসিনার অধীনে আগামি ২০১৯ সালে একাদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আজ দুপরে মেহেরপুরের মুজিবনগর আ¤্রকাননে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। একই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি-জামায়াতের উদ্দেশ্যে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, যারা জাতীয় সঙ্গীত বিশ্বাস করে না তারা এদেশকে বিশ্বাস করে না।

 

mp 1মুজিবনগর দিবস থেকে শপথ নিয়ে জঙ্গিমুক্ত রাজাকার মুক্ত দেশ গড়তে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান তিনি। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের স্মৃতি চারণ করে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহম্মেদ বলেন, ১৯৭২ সালে ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু রাস্ট্রপতি হিসেবেই দেশে ফিরে আসেন। পরদিন তাজ উদ্দীন আহম্মেদও বাড়িতে বসে সংসদীয় গণতন্ত্রের সরকার ব্যবস্থায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব ছেড়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ইতিহাসের কোন বিষয়ে যদি প্রশ্ন ওঠে তাহলে জিয়াউর রহমান কিভাবে মেজর জেনারেল হলেন। একই অনুষ্ঠানে নৌ পরিবহণ মন্ত্রী শাহজাহান খান বলেন, খুন ধর্ষণ যদি পাপ হয় তাহলে একাত্তরের যারা পাপ করেছে তাদের বিচার করে এদেশ পাপমুক্ত করা হবে। জেলাবাসীর প্রাণের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের চলতি মেয়াদের মধ্যেই মুজিবনগর ও দৌলতপুরে স্থলবন্দর স্থাপন করা হবে। এলক্ষ্যে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা চলছে। স্থলবন্দর স্থাপনের মধ্যে জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি পুরণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

 

mp 3 বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে মুর্খ আখ্যায়িত করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিলিন করতেই পাকিস্তানের মদদে বিএনপির নেতারা ইতিহাসের মিথ্যাচার করছে। এর আগে সকাল সাড় ১০ টার ১৭ এপিল মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে শেখ হাসিনা মঞ্চের জনসভায় যোগদেন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, হুইপসহ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। সকাল ১১ টার দিকে মুজিবনগর স্মৃতি সৌধে শহিদদের স্মরণে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন নেতৃবৃন্দ। এর পর পুলিশ ও আনছার সদস্যরা তাঁদের গার্ড অব অনার প্রদান করেন। জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তলনের পর তাঁরা শেখ হাসিনা মঞ্চে মুক্তি যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় জেলা প্রশাসন আয়োজিত জনসভা শুরু হয়। ারো উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক, মেহেরপুর সাবেক এসডিও প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহি চৌধুরী, মুজিবনগ সরকারের গার্ড অব অনার প্রদানকারী মাহবুব উদ্দীন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, হুইপ সোলাইমান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন, সাবেকর শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুন্নজান সুফিয়ান, মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন, মেহেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মকবুল হোসেন ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিয়াজান আলীসহ নেতৃবৃন্দ। মুজিবনগ দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জেলা থেকে আগত হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here