জাতির উদ্দেশে ভাষণে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু

16

image_98134জাতির উদ্দেশে নির্বাচনী ভাষণে জাতীয় পার্টি-জেপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেছেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ব্যাহত হলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া জটিল এবং কঠিন হয়ে পড়বে। যারা নির্বাচন বন্ধের কথা বলছেন, এটা তাদের একটি রাজনৈতিক ফাঁদ। নির্বাচন কোনভাবে ব্যাহত করা হলে ২৪ জানুয়ারির পর নতুন সমস্যার সৃষ্টি হবে। আজ বুধবার রাত সোয়া ৯টায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মাধ্যমে ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

জেপি চেয়ারম্যান বলেন, ১৯৭৩ সাল থেকে আজ পর্যন্ত কোন নির্বাচনই তর্ক-বিতর্কের উর্দ্লে ছিল না। আসন্ন নির্বাচনও সেই বিতর্কের উর্দ্ধে নয়। এই সুযোগে অনেকে এমন অবস্থার সৃষ্টি করতে চাচ্ছেন অর্থনৈতিক ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া যা গত ৪২ বছরের অর্জন তা ব্যর্থ হয়ে যায়।

তিনি বলেন, ১৯৮৬ সালে সামরিক শাসনের নিগড় হতে জাতিকে মুক্ত করার জন্য আমাদের এই দলের জন্ম হয়েছিল। দেশকে সাংবিধানিক গণতন্ত্রের ধারায় উত্তোরণের লক্ষ্যেই জাতীয় পার্টির অভিযাত্রা শুরু হয়। আমাদের সামনে তখন প্রশ্ন ছিল দেশের সামরিক শাসন অব্যাহত থাকবে না জাতি অসাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার ফেরত পাবে। আমরা শেষোক্তটাকেই বেছে নিয়েছিলাম সেদিন। আমাদের দেশের জনগণ গণতান্ত্রিক ধারাকে নিরঙ্কুশ করার জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন।

তিনি বলেন, ১৯৯১ সাল থেকে এ দেশের রাজনীতিতে সংসদীয় রাজনীতির ধারা চালু হয়। এই রাজনীতির ধারায় বেশ কয়েকটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবারই জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে নির্বাচনকে নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হতে দেখেছি। কখনো সুক্ষ্ম ও আবার কখনো স্থুল কারচুপির অভিযোগ তোলা হয়েছে। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি গণতান্ত্রিক ধারাকে যেকোন মূল্যে অব্যাহত রাখতে হবে। দুঃখজনক হলেও এ কথা সত্য যে, এখন পর্যন্ত এই সকল বিতর্কের একটি স্থায়ী সমাধান আমরা খুঁজে পাইনি। কিন্তু এজন্য আমরা হতাশ নই। একটি আধা সামন্তবাদ ও দরিদ্র দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু রাখা একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ গত ৪২ বছর ধরে আমরা সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করে আসছি। ভবিষ্যতেও এই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অব্যাহত রাখতে সক্ষম হবো।

দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, দশম সংসদ নির্বাচন নিয়ে যে তর্ক-বিতর্ক শুনছেন তা নতুন কিছু নয়। যদি আপনাদের স্মরণ থাকে ১৯৮৮ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচন যেভাবে হয়েছিল তার চেয়ে আরো উন্নতভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশবাসীর সহযোগিতায় দশম নির্বাচন করতে সক্ষম হবো। যদিও আজকে আমরা একটি নতুন বছরে প্রবেশ করেছি, তারপরেও কেউ কেউ বলছেন নির্বাচন স্থগিত করার জন্য। আমি কায়োমনো ব্যক্তে আশা করবো তাদের সেই বাসনা যেন সফল না হয়। এটি একটি রাজনৈতিক ফাঁদ। যদি কোন না কোনভাবে নির্বাচনটি ব্যাহত করা হয়, তাহলে ২৪ জানুয়ারি পর নতুন সমস্যার সৃষ্টি হবে। সেই সুযোগে আমরা যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছি তা আরো জটিল ও কঠিন হয়ে পড়বে।

তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অপর রাজনৈতিক দলের নীতি ও আদর্শগত ক্ষেত্রে দ্বিমত থাকা স্বাভাবিক। বহুদলীয় গণতন্ত্রের এটাই বৈশিষ্ট যে, একটি রাজনৈতিক দল এক একটি পথে দেশ ও জনগণের কল্যাণ চায় এবং সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে। একটি জাতির উন্নয়নের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ তা হলো অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মানব সম্পদ উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা। বিগত দিনগুলোতে আমাদের অর্থনীতির ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে তা আমাদের অর্থনীতিকে সম্মুখ পানে এগিয়ে নিয়ে গেছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের দেশের কৃষক, শ্রমিক এবং অর্থনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সকলকে আমরা অভিনন্দন জানাই। পাশ্চাত্য দেশসমূহে অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও আমাদের দেশ অর্থনীতির ক্ষেত্রে যে প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পেরেছে তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। আমাদের রাজনীতিতে যে বাধা ও বিপত্তি তা সহজীকরণ এবং একটি শান্তিপূণ পন্থায় ক্ষমতা হস্তান্তর করতে পারতাম তাহলে আমাদের অর্থনৈতিক অর্জন আরো বৃদ্ধি হতো।

তিনি বলেন, দেশের বিপুল জনগোষ্ঠি এখনও দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করছে। কৃষি ক্ষেত্রে আমাদের উত্পাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে শিল্প ক্ষেত্রের অবদান বৃদ্ধি পেলেও তা এখনও কাঙ্খিত মাত্রায় নয়। জাতীয় পার্টি বিশ্বাস করে আমাদের কৃষক সমাজকে যথাযথ সহায়তা দিতে পারলে কৃষি ক্ষেত্রে আমাদের অগ্রগতি আরও দ্রুততর করা যাবে এবং আমরা জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা দিতে সক্ষম হবো। এ ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনা এবং বাজারজাতকরণ সমস্যাবলী দূর করে জাতীয় পার্টি কৃষি পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। শিল্পের উন্নয়নের জন্য জাতীয় পার্টির দৃষ্টিভঙ্গি হলো আমরা শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠার কর্মসূচিতে বিশ্বাস করি; যাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ফলে দারিদ্র্য দূরীকরণের ক্ষেত্রে ইতিবাচক অবদান রাখার সুযোগের সৃষ্টি হয়। জাতীয় পার্টি মনে করে যে, কেবল রপ্তানিমুখী শিল্প নয়, আমদানি বিকল্প শিল্পও গড়ে তোলা প্রয়োজন যাতে আমাদের মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা, সাশ্রয়ী হয়। জাতীয় পার্টি শিল্প ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতকে উত্সাহ দেওয়ার নীতিতে বিশ্বাস করে।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিকে স্তব্ধ করে দিয়ে কোন রাজনৈতিক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে অর্জন করা সম্ভব নয়। আমরা জানতাম এই পোড়া মাটি নীতি শুধু উপনীবেশিক শক্তি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশে পালন করে আসছে। যেভাবে অর্থনীতিকে স্তব্দ করে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে তা আমরা জাতীয় পার্টি-জেপি বিশ্বাস করে কোন দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক শক্তির পক্ষে করা সম্ভব নয়। তার কারণ শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আজকে যারা পোড়া মাটি নীতি অর্থনীতি ধ্বংসের নীতি অবলম্বন করে যাচ্ছেন তারা একদিন ক্ষমতায় আসবেন। তাদেরকেও একদিন এই বিষয়টি মোকাবেলা করতে হবে।

তিনি বলেন, মানব সম্পদ উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন শিক্ষা-সংস্কৃতি, স্বাস্থ ও প্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন। একজন সুস্বাস্থ্যের অধিকারী শিক্ষিত ব্যক্তিই পারেন অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে। জাতীয় পার্টি এ জন্য নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও শিক্ষা সমপ্রসারণের নীতিতে বিশ্বাস করে। শিক্ষার উন্নয়ন ছাড়া আমরা নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে পারবো না। এ জন্য জাতীয় পার্টির লক্ষ্য হলো একটি সার্বজনীন শিক্ষা ব্যবস্থা, যা হবে আমাদের শ্রম বাজারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এবং বিশ্বব্যাপী শ্রমবাজারের চাহিদানুপাতিক। একই সঙ্গে আমাদের প্রযুক্তিগত বিদ্যা আয়ত্ব করতে হবে এবং তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আধুনিক ধ্যান ধারণা আয়ত্ব করতে হবে। কারণ বর্তমান যুগই হচ্ছে নব প্রযুক্তি আহরণ ও তার ব্যবহার নিশ্চিত করে সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের ধারাকে গতিশীল করা। জাতীয় পার্টি এ জন্য একটি বিজ্ঞান মনস্ক শিক্ষা ব্যবস্থা কায়েম করতে চায়, যাতে আমাদের এবং বিশ্বের শ্রম বাজারের চাহিদা আমরা পূরণ করতে পারি।

তিনি বলেন, আমরা চাই এমন মানব সম্পদ তৈরি করতে যারা বেকারত্বের অভিশাপে জর্জরিত থাকবে না। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে তাই জাতীয় পার্টি সর্বদাই অগ্রাধিকার প্রদান করবে এবং স্বাস্থ্য সুবিধা সর্ব পর্যায়ে সমপ্রসারিত করার নীতিতে জাতীয় পার্টি বিশ্বাস করে। জাতীয় পার্টি বিশ্বাস করে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য কোন পণ্য নয় বরং এই অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের পবিত্র কর্তব্য।

আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, অনেক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমাদের সাফল্য ঈর্ষণীয়। পশ্চিমা বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও আমাদের রপ্তানী প্রবৃদ্ধি ঘটছে এবং কোন কোন এই সাফল্য রীতিমত চমকপ্রোদ। বিশেষ করে পোশাক শিল্প খাতে আমরা এখন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় রপ্তানীকারক। এ ছাড়াও প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের প্রেরিত অর্থ দ্বারা আমাদেরকে ১৭ বিলিয়ন ডলারের ঊর্ধ্বে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে। এটা আমাদের জাতির জন্য একটি বিরাট সাফল্য। জাতীয় পার্টি এই ধারাকে কেবল অব্যাহতই নয় আরও বেগবান করার নীতিতে বিশ্বাস করে। আমাদের এ কথা মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সম্পদ যেন কেবল মাত্র কিছু লোকের হাতে আবদ্ধ হয়ে না পড়ে এবং সে কারণেই আমাদের বণ্টন ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে হবে; যাতে সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হয় এবং ব্যক্তি কর্তৃক ব্যক্তির শোষণ নির্মূল হয়। কারণ আমরা মনে করি সামাজিক শান্তি ও সৌহার্দ্য স্থাপিত করার ক্ষেত্রে সামাজিক ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার কোন বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে আমাদের দরিদ্র জনগণের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও বলিষ্ঠ করার নীতিতে বিশ্বাস করে। বিশেষ করে বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী ও দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী জনগণকে এই সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনতে হবে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে একটি গৌরবময় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমাদের এই দেশ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের যে সকল সু-মহান লক্ষ্য ছিল তার মধ্যে ছিল একটি সুখ-সমৃদ্ধিশালী দেশ গড়া, যেখানে থাকবেনা শোসন ও অবিচার, থাকবে গণতন্ত্র, মানবাধিকার। যেখানে থাকবেনা নিরক্ষরতা ও দারিদ্র্য, থাকবেনা ক্ষুধা ও অপুষ্টি। যেখানে থাকবে সুশাসন ও প্রতিষ্ঠা হবে ন্যায় বিচার, বিচারের বাণী নিরবে ও নিভৃতে কাঁদবেনা, জনগণের রায়ে নির্বাচিত হবে এমন একটি সরকার, যাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া হবে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক জনকল্যাণমুখী। জাতীয় পার্টি এই চেতানাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যই তার জন্মলগ্ন থেকেই কাজ করছে এবং আগামী দিনেও এই লক্ষ্যে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করছে।

তিনি আরো বলেন, সামপ্রতিককালে কিছু সন্ত্রাসমূলক ঘটনা ও প্রাণহানিতে আমরা গভীর ভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। রাজনীতির ক্ষেত্রে আমরা মনে করি, আমাদেরকে সর্ব প্রকার সহিংসতা, সন্ত্রাস ও নির্মমতাকে বিদায় করতে হবে। সেখানে থাকবে সৌহার্দ্য, যুক্তি নির্ভর বিতর্ক এবং পরস্পরের প্রতি সহমর্মিতা ও পরমত সহিষ্ণুতা। সামপ্রতিককালের এ সকল হিংসাশ্রয়ী ঘটনায় আমরা কখনো কখনো হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ি। জাতীয় পার্টি বিশ্বাস করে, দুঃখের রাত্রির এই আধার কখনও চিরস্থায়ী হয়। রাত যতই গভীর হয়, প্রভাত সূর্যের অরুণ উদয়ক্ষণ ততই নিকটতর হয়। আসুন, আমরা বিভেদ এবং হিংসার পরিবর্তে মৌলিক জাতীয় প্রশ্নে একমত হয়ে এই অরুণ উদয়ের ক্ষণকে ত্বরান্বিত করি। হতাশার মেঘকে বিতারিত করে আশার সূর্যকে স্বাগত জানাই। পবিত্র কোরআন শরিফে পরম করুনাময় আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “অলাল আখেরাতু খাইরুল্লাকা মিনাল ঊলা” যার অর্থ হচ্ছে “অতীতের চেয়ে নিশ্চয়ই ভালো হবে- ভবিষ্যত্”।

সবশেষে তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি-জেপি অতীতেও সকল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে, ভবিষ্যতেও অংশগ্রহণ করবে। জাতীয় পার্টি-জেপি’র মনোনীত প্রার্থীদের বাইসাইকেল মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন এবং শান্তি, গণতন্ত্র ও সমাজ প্রগতির ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। বিতাড়িত করবেন দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা, পুষ্টিহীনতা এবং পশ্চাতপদ চিন্তাকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here