‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জঙ্গি প্রতিরোধ করতে হবে। সব বাহিনীকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন করতে হবে

17

জনতার নিউজ

‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জঙ্গি প্রতিরোধ করতে হবে’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ধর্মের দোহাই দিয়ে মেধাবী তরুণদের জঙ্গিবাদের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। জড়িতদের চিহ্নিত করে মূলোৎপাটন করা হবে।

তিনি বলেন, জনগণই হচ্ছে সবচেয়ে বড় শক্তি। তাদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। ছেলে মেয়েদের ভুল বোঝানো হচ্ছে। আধুনিক লেখাপড়া শিখে ধমান্ধতায় কি করে ঝুঁকে যায় লোকজন! তাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেয় জঙ্গি চিন্তা, তার মূলটা বের করতে হবে। কারা এর পেছনে কাজ করছে সেটা বের করতে হবে।

‘সব বাহিনীকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন করতে হবে’

রাষ্ট্রের সকল নিরাপত্তা বাহিনীকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে পারদর্শিতা অর্জনের তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘নিরাপত্তা বাহিনীর প্রত্যেক সদস্যকে সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করছি যে-সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় এর ধরণ বদলেছে। যে কারণে আমি প্রত্যেক বাহিনীকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা অর্জনের পাশাপাশি এই অশুভ শক্তিকে দমনে প্রশিক্ষণ গ্রহণের আহ্বান জানাব।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার সকালে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে এসএসএফ’র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. শফিকুর রহমান স্বাগত বক্তৃতা করেন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব মো. আবুল কালাম আজাদ এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে এমন কিছু সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের ঘটনা ঘটেছে যা সত্যই ঘৃণিত উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এ ধরনের ঘটনা যে শুধু বাংলাদেশেই ঘটছে তা নয়, উন্নত বিশ্বের ঘটে চলেছে, এগুলো সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্যই হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন নতুন প্রযুক্তির আবিষ্কার এক দিকে যেমন আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করছে, অপরদিকে ধ্বংসাত্মক কাজে এগুলোর ব্যবহার মানুষের জীবনমানকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সে কারণেই আমি মনে করি- প্রত্যেক বাহিনীরই আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি এগুলো ব্যবহারের দক্ষতা অর্জন করতে হবে।’ এ জন্য প্রয়োজনীয় সকল কিছুই তাঁর সরকার করবে বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি চাই বাংলাদেশ কোন ক্ষেত্রেই যেন পিছিয়ে না থাকে.. আমরা প্রত্যেক বাহিনীকেই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেব।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আমি ভালোবাসি, এদেশের মানুষকে ভালোবাসি। এদেশের স্বাধীনতা অনেক ত্যাগের বিনিময়ে এসেছে।

আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি পরিবার যেন ভালো থাকে।

তিনি আরো বলেন, আমি গর্বিত যখন কোনো রাষ্ট্রপ্রধান আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা করে। এসএসএফ-এর সদস্যদের ধন্যবাদ জানাই তাদের দায়িত্ব পালন করে যাওয়ার জন্য। খবর- বাসস।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here