চৌমুহনী পৌরসভার মেয়র পদে উপ নির্বাচ‡ন জামাতের নাশকতার পরিকল্পনা ।

30

new নাছির ধ্রবতারা ঃ-

চৌমুহনী পৌরসভার মেয়র পদে উপ নির্বাচন মাত্র কয়েক ঘন্টা পর । আওয়ামী লীগের-৪, বিএনপির-৫ প্রার্থী, ত্রিমুখী লড়াই। জেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রথম শ্রেণীর এ ক্যাটাগরিরর্ চৌমুহনী পৌর সভার মেয়র পদে উপ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী ভোট যুদ্ধে অবতীর্ন হয়েছেন। তম্মধ্যে আওয়ামী লীগের ১জন দলীয়ভাবে সমর্থিত বাকী ৩ জন বিদ্রোহী প্রার্থী , বি এন পি‘র দলীয়ভাবে সমর্থিত ১ জন আর ৪ জন বিদ্রোহী প্রার্থী । ৫ই এপ্রিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চৌমুহনী পৌরসভায় মোট ভোটার ৪৪ হাজার ২০৫ জন, তম্মধ্যে পুরুষ ২৩ হাজার ৩৮জন, মহিলা ২১ হাজার ১৬৭ জন। ১৮টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ । এরই মধ্যে দ্রুত গতিতে প্রচার প্রচারণা, পোষ্টার, ফেস্টুন দেওয়াল লিখনসহ সকল কাজ সম্পন্ন। কেউ কারে নাহি ছাড়ে সমানে সমান এ মনোবৃত্তি নিয়ে প্রার্থীরা ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন। প্রার্থীদের মধ্যে চৌমুহনী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আখতার হোসেন ফয়সাল দলীয় সমর্থিত প্রার্থী যিনি তৃনমূলের ভোটে নির্বাচিত, এছাড়া বিদ্রোহী প্রার্থীরা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতা শেখ শহীদ উদ্দিন ইস্কান্দার, যুবলীগের সাবেক নেতা মাহফূজুল হক বেলাল, চৌমুহনীস্থ জালাল উদ্দিন কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, । চৌমুহনী পৌর বিএনপি সভাপতি জহির উদ্দিন হারুন দলীয় সমর্থিত প্রার্থী, বিদ্রোহী প্রার্থীরা হলেন জেলা বিএনপি সদস্য জুলফিকার আলী ভূট্রো, সাবেক ছাত্রদল নেতা মঞ্জুরুল আজীম সুমন, সাবেক ছাত্রদল নেতা আবুল কালাম আজাদ (জি এস রতন)। আওয়ামী লীগের দলীয়ভাবে সমর্থিত প্রার্থী আখতার হোসেন ফয়সাল ও বিএনপি নেতা মোর্শেদুল আমিন নির্বাচনী যুদ্ধে মাঠে রয়েছেন, মূল ভোটের লড়াই হবে এ দুজনের ভেতর। উল্লেখ্য ৫ই জানুয়ারীর জাতীয় সংসদের নির্বাচনে চৌমুহনী পৌরসভার মেয়র মামুনুর রশিদ কিরণ নোয়াখালী-৩ বেগমগঞ্জ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রন্লায় ১৩ ই ফেব্র“য়ারী চৌমুহনী পৌরসভার মেয়র পদ শুন্য ঘোষনা করে। পরে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও রিটানিং অফিসার ৯ইমার্চ নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণা করেন। ১৮ দলীয় জোট প্রার্থী জহির উদ্দিন হারুন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকায় আ‘লীগ ও স্থানীয় প্রশাসন গণগ্রেফতার ও কেন্দ্র দখলের অপতৎপরতা অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ করেন, কিন্তু সরজমিনে দেখা যায় জামাতের বিভিন্ন সহিংসতার পুলিশবাদী মামলার এবং ওয়ারেন্টধারী আসামীদেরই গ্রেফতার করা হচ্ছে। কারন অনুসদ্ধান নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে আমরা নিজেরাই জানতে পারি জামাত এই নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র দখলসহ বিভিন্ন নাশকতা ঘঠানোর জন্য বহিরাগত ক্যাডাদের এখানে এনেছে । বেগমগজ্ঞ ১নং আমানউল্ল্যাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বহু জামাতি নাশকতার আসামী। তার বাড়িতে ক্যাডাররা অবস্থান করে দেইল্ল্যা রাজাকারের রায়ের পর চন্দগঞ্জ বাজারে স্বর্নের দোকান লুট, রাজগঞ্জে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর , ধর্মীয় উপসানলয় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় নেতৃত্ব দেয় । উক্ত চেয়ারম্যান এর বিষয়ে বেগমগঞ্জ থানার ওসির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি আক্ষেপের সাথে জানান সরকারি বিধি অনুযায়ী চেয়ারম্যান গ্রেফতারের জন্য জেলা প্রশাসকের অনুমুতি লাগে, যা তিনি বহু আগে লিখিতভাবে চেয়ে অদ্যাবদি পাননি, এছাড়া উক্ত চেয়ারম্যানের দুইসহদোর ও জামাতি ক্যাডার যাদের গ্রেফতার করে নির্বাচনী তফসিল ঘোষনার বহু আগেই জেল-হাজতে প্রেরন করা হয়। এই উপজেলায় পৌরসভার মধ্যে অবস্থিত গোলাবাড়িয়ায় মদিনা ভবন, এ.এম. ভবন (টুইন টাওয়ার), আশরাফিয়া ভবন সহ বহু জায়গায় শিবিরের স্বশস্ত্র ক্যাডারদের নিরাপদ আবাসস্থল। ইতিপূর্বে এ জায়গা গুলিতে রাত্রিযাপন করে বৃহত্তর নোয়াখালীতে এই ক্যাডাররা বহু নাশতা মূলক কর্মকান্ড চালিয়েছে এবং বর্তমানে উল্লেখিত তিনটি স্থানে তাদের শক্তিশালী অবস্থান বিদ্যমান । এছাড়া মদিনা ভবনের মালিক মাহমুদা খাতুন জামাত মহিলা স্কোয়াডের আমির হিসেবে নোয়াখালীতে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করে আসছেন । বিষয়টি জানাজানি হলে তাকে বর্তমানে নোয়াখালীর পরিবর্তে ঢাকা মহানগরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় । বিষয়গুলি অতি দ্রুততার সাথে গোপনীয় তদন্ত করে উক্ত স্থানগুলিতে ব্লক রেইডের মাধ্যমে র‌্যাব এর চিরুনী অভিযান পরিচালনা করা অতিব জরুরী ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here