গনজাগরন মঞ্চ এবং … যুদ্ধপরাধীদের বিচারের দাবীতে জাতীয় পতাকা খাঁমছে ধরছে ..

63

nasir 1       নাছির ধ্রুবতারা
৫ই ফ্ররেুয়ারী ২০১৩ কসাই কাদরে মোল্লার অনাকাক্ষতি একটি রায়ের ফলে যে গণজাগরণ     আন্দোলনের শুরু সেই গণজাগরণরে আন্দোলনে সরকারের কাছে প্রধানত তিনটি দাবী দেওয়া হয়েছিল ,

১ম দাবী-আইন সংশোধনরে মাধ্যমে সরকাররে আপিল করার সুযোগ সৃষ্টি, মহান জাতীয় সংসদে আপিলের সুযোগ রেখে আইনটি সংশোধিত হয় ফলে ১ম দাবী বাস্তবায়তি ।

২য় দাবী- কাদরে মোল্লার রায়রে বিরুদ্ধে আপলি করে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি বাস্তবায়ন, যা সরকার পক্ষের আপিলের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিচারিক প্রক্রিয়ায় কসাই কাদরেরে ফাঁসি রায় ইতিমধ্যে কার্যকর করেছে বর্তমান সরকার ( জাতিসংঘ সহ দেশী- বিদেশী চাপের নিকট নতি স্বীকার না করে)। তাই দ্বিতীয় দাবীটিও র্অজিত হয়।

৩য় দাবী ৭১ এর গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত সংগঠন হিসাবে জামাত-শিবিরকে রাজনৈতিক ভাবে নিষিদ্ধ করা । আমরা সবাই জানি ২৫ মার্চ ২০১৪ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে জামাত-শিবিরকে রাজনৈতিক ভাবে নিষিদ্ধ করার জন্য সরকার পক্ষ থকেে মামলা দায়রে করা হয়ছেে । জামাত-শিবিরকে রাজনৈতিক ভাবে নিষিদ্ধ ও প্রধান যুদ্ধপরাধীদরে সর্ব্বোচ শাস্তি বাস্তবায়ন সময়রে ব্যাপার মাত্র । ঠিক সে সময় ড. ইমরান এইচ সরকারের কার্যকলাপ সংগতভাবেই কিছু প্রশ্নের জন্ম দেয় । তার বর্তমান কথাবার্তা কিংবা প্রতিক্রিয়া কার বিরুদ্ধে ? সেটা যুদ্ধপরাধী জামাতের বিরুদ্ধের চেয়ে মনে হয় যুদ্ধপরাধীর বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে । তার বর্তমান কর্মকান্ডের সাথে লন্ডনে অবস্থানরত জনাব তারেক জিয়ার বক্তব্য -বিবৃতির এধরনের যোগসূত্র রয়েছে বলে মনে হয় । কারন পুরো আন্দোলন শেষে বিজয় যখন দ্বারপ্রান্তে ঠিক সেই মূহূর্তে তারমত গুরুত্বপূর্ন ব্যাক্তির বেসামাল আচরনে পুরো যুদ্ধপরাধীদরে বিচাররে দাবীতে সন্মলিতি একটি আন্দোলনে কালিমা লেপন করছে। আর এ বেসামাল আচরনের সবচেয়ে ক্ষতিকর দিক যেটি তা হলো যুদ্ধপরাধীদরে বিচাররে দাবীতে । সম্পৃক্ত সকল মত-পথের মানুষকে করে ফেলছে বহুদাবিভক্ত । এর একমাত্র সুফল পাবে যুদ্ধপরাধীদের সংগঠন জামাত শিবির ।nasir2
এবার একটু পিছনে ফেরা যাক ( ৫ই ফ্রেরুয়ারী ২০১৩), কি ছিলেন ড. ইমরান এইচ সরকার ? আমি বঙ্গবদ্ধু গবেষনা ও স্মৃতি পরিষদ কেন্দ্রীয় কার্যনিবাহী কমিটির সদস্য ও নোয়াখালী জেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি । আমার জানা মতে ড. ইমরান এইচ সরকার ২০০৯ সালে বঙ্গবদ্ধু গবেষনা ও স্মৃতি পরিষদ কেন্দ্রীয় কার্যনিবাহী কমিটির সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পান । কিন্তু মাত্র ১ বছরের মাথায় তাকে উক্ত পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয় সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী । তার কারণ কেন্দ্রীয় কার্যনিবাহী কমিটির যথাযথ অনুমোদন ব্যাতিত তিনি আর্থিক সুবিধার লক্ষ্যে বিভিন্ন কমিটি গঠরে উদ্দ্যেগ নেন এবং রংপুর মেডিকেল ছাত্র অবস্থায় ছাত্রশিবিরের সহিত নিবিড় যোগাযোগের অভিযোগ আসে কেন্দ্রীয় কমিটির মাননীয় সভাপতি জনাব আবুল খায়ের শাহাজান ভাইয়ের কাছে । সে মোতাবেক তাকে কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয় । কিন্তু তিনি কারন দর্শানোর নোটিশের জবাব প্রদান না করায় তাকে বঙ্গবদ্ধু গবেষনা ও স্মৃতি পরিষদ কেন্দ্রীয় কার্যনিবাহী কমিটির সাধারন সম্পাদক সহ সাধারন সদস্য পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয় । যা বঙ্গবদ্ধু গবেষনা ও স্মৃতি পরিষদ কেন্দ্রীয় কার্যনিবাহী কমিটির মাননীয় সভাপতি জনাব আবুল খায়ের শাহাজান ভাই নিজে আমাকে নিশ্চিত করেন । ২০১২ সালের নভেম্বার মাসে চাঁদপুর কলেজের অধ্যক্ষ রতন মজুমদার ও মাননীয় মহিলা সাংসদ এডভোকেট ফজিতালুনেচ্ছা বাপ্পি আপা আমাকে জানান কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ একটি অনলাইন গ্রুপ করতে যাচ্ছে । তুমি যদি আগ্রহী হও তবে মাননীয় সভানেত্রীর কার্যালয়ে তৎকালীন মাননীয় প্রচার সম্পাদক ও বর্তমান মাননীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য জনাব নূহ-উল-আলম লেলিন ভাইয়ের সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ অতিদ্রুত যোগাযোগ করো । আমি তাদের পরামর্শ মোতাবেক মাননীয় সভানেত্রীর কার্যালয়ে তৎকালীন মাননীয় প্রচার সম্পাদক ও বর্তমান মাননীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য জনাব নূহ-উল-আলম লেলিন স্যারের সহিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ দেখা করি । আমাকে পরিচয় করিয়ে দেন রতন মজুমদার । মাননীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সম্পাদক (বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মুখপত্র ’’উত্তরন’’) জনাব নূহ-উল-আলম লেলিন স্যারের সদয় বিবেচনার কারনে আমি অনলাইন ও (বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মুখপত্র ’’উত্তরন’’) এ কাজ করার সুযোগ পাই এবং তার সদয় নির্দেশনা মোতাবেক উক্ত কাজে নিয়োজিত আছি । সে সময় মাননীয় সভানেত্রীর কার্যালয়ের সন্মুখে অথবা ভেতরে আমার পরিচয় হয় ড. ইমরান এইচ সরকার এর সহিত। তখন প্রত্যেকটি জেলায় একটি ডকুমেন্টারী ভিত্তিক প্রচারনামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজনের সিদধান্ত হয় সেটি হচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কর্তৃক ২০০৫ সালে প্রথম প্রকাশিত বই “ রক্তাক্ত বাংলাদেশ লান্থিত মানবতা ” । যেটি ছবি প্রদশর্নী ও ভিডি ও ডকুমেন্টারীর মাধ্যমে প্রত্যেকটি জেলায় প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত হয় । এ কাজে সাবেক ছাত্রনেতা মাহামুদুল হাছান রুবেল, আজাদ মাস্টার, নবেন্দু সাহা জয়, ড. ইমরান এইচ সরকারকে সমন্বয়ের দায়িত্ব দেয়া হয় । এভাবেই ড. ইমরান এইচ সরকার এর সহিত আমার ব্যাক্তিগত সম্পর্ক গড়ে উঠে । ১লা ফ্রেরুয়ারী ২০১৩ বাংলা ব্লগ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয় জাতীয় গ্রন্থাগার ও কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে । সে আয়োজনে স্বাধীনতার ব্লগার ও অনলাইন এ কাজ করা সবাই মিলিত হয় ।nasir3
অনুষ্ঠান আয়োজক হিসেবে সংগঠনের নাম দেওয়া হয় ব্লগার এন্ড অনলাইন এক্টিভিস্ট নেটওয়ার্ক এর । যে অনুষ্ঠানের অতিথি ভাষাসৈনিক জনাব শামছূল আরিফীন খান, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ধীরেন অধিকারী, বিশিষ্ট আইটি বিশেষজ্ঞ কানিজ আকলিমা,বিশিষ্ট টিভি উপস্থাপক অজয় রায়, বিশিষ্ট ব্লগার অমি পিয়াল , যুদ্ধপরাধ বিচার মঞ্চের আহবায়ক খালেদুর রহমান শাকিল সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন । সেই অনুস্ঠানেই আমি জাতীয় পতাকা পরিয়ে দেই ড. ইমরান এইচ সরকারকে । কিন্তু এর আগে বা পরে গনজাগরনরে আন্দোলনরে সময় তিনি কোনভাবেই নির্বাচিত অথবা আপাতত দায়িত্ব হিসেবে মুখপাত্র নির্বাচিত হননি । যেহেতু চেতনা বাস্তবায়নে সকলের মুখ্য দৃষ্টি ছিল তাছাড়া ও গণজাগরণ মঞ্চরে সকল ছাত্রসংগঠনরে বসে কি কি কর্মসূচী ঘোষতি হবে তা সিদ্ধান্ত হতো বঙ্গবদ্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়রে প্রশাসনকি ভবনরে দ্বিতীয় তলার অবস্থিত ক্যান্টিনে ( ড.ইমরানের একক কথায় নয়) । আর নীতিনির্ধারনে সাংস্কৃতকি জোটের জনাব নাছির উদ্দীন ইউছূফ বাচ্চু, বিশিষ্ট গবষেক কানজি আকলিমা সুলতানা, বঙ্গবদ্ধু গবষেনা ও স্মৃতি পরিষদ ও কেন্দ্রীয় সভাপতি জনাব, আবুল খায়রে শাহজাহান ও সাধারন সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা বিচ্ছু জালাল, মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল হক মামা, জিটিভির সঞ্চালক অঞ্জয় রায়, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক গবষেক বিশিষ্ট ব্লগার অমি রহমান পিয়াল সহ অনকেইে দিযেছেন গুরুত্বর্পূণ সহায়তা কিংবা পরার্মশ । গণজাগরণরে প্রতটিি সভার সিদ্ধান্ত সন্মিলিতভাবে গৃহিত হবার পর তা লিখিতভাবে দেওয়া হতো ড. ইমরান এইচ সরকাররে হাতে আর সভায় তিনি তা পাঠ করতনে । তাই গণজাগরণের মূল আন্দোলনে সকলের সন্মিলিত সিদ্ধান্ত পাঠ করায় মুখপত্র এই পদবীটি কোনভাবেই মুখ্য ছিল না । কিন্তু আন্দোলনের বিজয় যখন প্রায় অর্জিত ঠিক সে সময় ড. ইমরান এইচ সরকাররে মুখপত্র পরিচয়ে আবোলতাবোল কথার সাথে লন্ডনে অবস্থানরত একজনের উদ্ভুত কথার নিবিড় যোগসূত্র দেখে আমার মত এক সময়ে গনজাগরনের আন্দোলনে সমৃক্ত সবারই ভিমরি খাওয়ার দশা । আর গনজাগরন বর্তমান সংশ্লিষ্ট সবারই দাবী উপজেলা ও জেলা প্রতিনিধির মাধ্যমে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় কমিটি সহ কেন্দ্রীয় মুখপাত্র নির্বাচনের মাধ্যমে এই নাটকের যবনিকা টানা হোক । আর একটি সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ড. ইমরান এইচ সরকাররে আসল স্বরুপ জাতির সামনে উন্মোচিত কর হোক। তাই আজকের লেখাটি ইমরান ভাইকে উদ্দেশ্য করে একটা কবিতার লাইন দিয়ে শেষ করছি “ শৈবাল দিঘীরে বলে উচ্চ করি শির, লিখে রেখো একফোঁটা দিলেম শিশির…………………….” জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here