খালেদা জিয়ার মার্চ ফর ডেমোক্রেসি ॥ ভয়াবহ সহিংসতার শঙ্কা

14

new

 

 

 

কর্মসূচী বাস্তবায়ন নির্ভর করছে জামায়াতের ওপর

০ সচিবালয়, ইসিসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আগুন ও হামলার আশঙ্কা ॥ প্রস্তুতিও নেয়া হয়েছে
০ ঢাকার অজ্ঞাত স্থানে শনিবার হয়েছে জামায়াতের প্রস্তুতি সভা
০ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম আজ জামায়াতের
০ তৈরি হয়েছে ২ লাখ জাতীয় পতাকা
বিশেষ প্রতিবেদনঃ

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট নেত্রী খালেদা জিয়ার ঘোষণায় আজ কথিত ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ নামের ঢাকা অভিমুখে অভিযাত্রার কর্মসূচী হলেও তার বাস্তবায়ন নির্ভর করছে জামায়াত-শিবিরের ওপর। এদিকে এ কর্মসূচীতে নিজেদের অস্তিত্বরক্ষার শেষ সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করে ভয়াবহ সহিংসতার প্রস্তুতি নিয়েছে জামায়াতীরা। সকল যুদ্ধাপরাধীর মুক্তির আশায় চরম অস্তিরতা তৈরিতে রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ প্রশাসনের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সহিংস প্রতিক্রিয়া দেখাতে চায় স্বাধীনতাবিরোধী এ গোষ্ঠী। সচিবালয়, নির্বাচন কমিশন, নির্বাচনের অংশগ্রহণকারী প্রার্থীর বাসভবন, অফিস ছাড়াও রাজধানীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলা, আগুন দেয়াসহ রণাঙ্গনে পরিণত করার পরিকল্পনায় জামায়াত-শিবিরের অর্ধলক্ষ নেতাকর্মী ও সমর্থক ইতোমধ্যেই ঢাকায় পৌঁছেছে। ৫ মে হেফাজতের ন্যায় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীর কথা আজ রাজধানীতে আতঙ্কের নগরীতে পরিণত করতে চায় তারা। দলটির উচ্চপর্যায় থেকে ‘রণাঙ্গনে’ থাকার নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, ‘রবিবার বাহ্যত লড়াই হবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও প্রধান বিরোধীদল বিএনপির। কিন্তু কার্যত সক্রিয় ভূমিকায় থাকতে হবে জামায়াত-শিবিরকেই। কারণ, সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়ার এটাই মোক্ষম সুযোগ।
জামায়াত-শিবিরের কেন্দ্র থেকে সারাদেশের কর্মী সমর্থকদের বলা হয়েছে, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে দ-িতদের প্রাণরক্ষা ও দলের প্রকাশ্য অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে যা-যা করার, ২৯ ডিসেম্বরই (আজ) করতে হবে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বানচাল করা না গেলে আদালতের দ- ও সরকারের সংকল্প অনুযায়ী ফাঁসির রশিতেই ঝুলতে হবে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ আবার সরকারগঠন করতে পারলে নিষিদ্ধ থেকেই গর্তে ঢুকে পড়তে বাধ্য হবে দলও। তাই অস্তিত্ব রক্ষার শেষ সুযোগ হিসেবে জাতীয় পতাকা হাতে ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচীকে সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে হবে চূড়ান্তভাবে। ১৮ দলের কর্মসূচী ও জামায়াত-শিবিরেরর অবস্থান সম্পর্কে জানা গেছে, সর্বশক্তি দিয়ে মাঠে থাকার প্রস্তুতি নিয়েছে ১৮ দলের অন্যতম শরিক সন্ত্রাসী সংগঠন জামায়াত-শিবির। যেকোন লড়াইয়ে থাকতে কর্মীদের দেয়া হয়েছে নির্দেশ। সূত্রগুলো বলছে, প্রশাসনের বাধা কাটিয়ে পরিকল্পনামতো জড়ো হতে পারলে আজ চূড়ান্ত আঘাত হানতে চায় জামায়াত। এদিকে সাধারণ মানুষের কাছে চেহারা আরও পরিষ্কার হয়ে যাওয়ার ভয়ে ব্যানার পাল্টে জামায়াতের সঙ্গে কাজ করছে হেফাজতের একটি অংশের নেতারা। ইতোমধ্যেই ইমান রক্ষার কথা বলে বিরোধী জোটের কর্মসূচীর পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে জনতাকে আজ ঢাকা অভিমুখে যাত্রা করার আহ্বান জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। এক যুক্ত বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতারা এ আহ্বান জানান। বিবৃতিতে হেফাজত নেতারা নিজেদের বিএনপি-জামায়াতী চেহারা প্রকাশ করে বলেন, এ আন্দোলনে এখন দলীয় ভেদাভেদের কোন সুযোগ নেই। এখন ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণী-পেশার সকল মানুষকে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং নিরাপত্তা ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে সামিল হতে হবে। অন্যথায় ভারতীয় আধিপত্যবাদের ক্রীড়নক এ সরকার দেশকে ধ্বংসের অতলে নিয়ে যাবে। বিবৃতিদাতারা হলেন, হেফাজতের সিনিয়র নায়েবে আমির আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, নায়েবে আমির আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী, মাওলানা আহমদুল্লাহ আশরাফ, মাওলানা আবদুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর, মাওলানা আবদুল মুমিন খলীফায়ে মাদানী, মাওলানা হাফেজ তাজুল ইসলাম, মুফতি আব্দুর রহমান, মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ। জানা গেছে, গত বুধবার রাজধানীর একটি অজ্ঞাত স্থানে জামায়াতের ঢাকা মহানগরী আয়োজিত একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই সভায় দলটির নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ সেলিম উদ্দীন ও মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া, শিবির সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল জব্বার, শিবিরের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক আতিকুর রহমান, প্রচার সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ ইয়াহিয়াহসহ আরও অনেকে।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে রাজধানীর কয়েকটি স্থানে সংগঠিত হবেন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। যার নেতৃত্ব দেবেন শিবিরের ঢাকা মহানগর পূর্বের সভাপতি রাশেদুল হাসান, উত্তরের সভাপতি রাকিবুল হাসান, দক্ষিণের সভাপতি শাহিন আহমেদ খান ও পশ্চিমের সভাপতি তামিম। সিদ্ধান্ত হয়েছে যেকোনভাবে কর্মসূচী সফল করার। সেক্ষেত্রে সরকারের বাধা আসবে, কৌশলে বাধা অতিক্রম করতে হবে। সভায় বিএনপির অবস্থান নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা হরতাল অবরোধের মতো মাঠে নামতে পুরোপুরি ব্যর্থ হলেও একতরফা মাঠে নামার কৌশলও পাল্টাতে পারে শিবির। শিবিরের ঢাকার নেতারা বিএনপি বা ১৮ দলের ব্যানারেই কর্মকা- চালানোর পক্ষে। কর্মসূচীতে ব্যবহারের জন্য ২ লাখের বেশি জাতীয় পতাকাও তৈরি করেছে জামায়াত-শিবির। পতাকার সঙ্গে থাকবে বিশেষ গজারি ও বাঁশের লাঠি। ঢাকার বাইরে থেকে আসা অর্ধলক্ষ নেতাকর্মীর সঙ্গে রোববারের কর্মসূচীতে যোগ দেবে ঢাকায় থাকা দেড়লাখ নেতাকর্মী ও সমর্থক। রাজধানীতে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকবে তারা। পরিস্থিতি প্রতিকূলে গেলেই সংঘর্ষ ছড়িয়ে দেয়া হবে পুরো নগরে। পাশাপাশি ঢাকার আশেপাশের নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী জেলা ও উপজেলার নেতাকর্মীরা ঢাকায় না এসে স্থানীয় মহাসড়কগুলোয় অবস্থান নেবে। সংঘর্ষের খবর তাদের কাছে পৌঁছানো মাত্র তারাও মহাসড়কগুলোয় তা-ব চালাবে। গুড়িয়ে দেবে কাছের নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ও। সড়কের পাশে গাছ কেটে তাৎক্ষণিক প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে। জামায়াতের মজলিসে শূরার সদস্যের সংগঠনকে এ বলে মতামত দিয়েছে যে, ৫ জানুয়ারির নির্বাচন হয়ে গেলেও প্রধান বিরোধী দল বিএনপি পুরোপুরি গর্তে পড়ে যাবে না। খাদের কিনার থেকে নানা কৌশলেই উঠে যেতে সক্ষম হবে তারা। জামায়াতকে পুরোপুরি বিনাশ করতে পারলে সরকারই বিএনপিকে সেই সুযোগ তৈরি করে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে জামায়াতের হতে পারে মরণদশা। তাই আগেভাগেই ২৯ (আজ) ডিসেম্বরের কর্মসূচীতে সহিংসতার মাধ্যমে অরাজক পরিস্থিতির মাধ্যমে এমন সঙ্কট তৈরি করতে হবে যাতে সরকার-বিএনপির সম্ভাব্য সমঝোতার বিষয়টির অপমৃত্যু ঘটে। একই সঙ্গে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে যাতে ভোটাররা কেন্দ্রে যেতে সাহস না করে। এদিকে আজ জামায়াত-শিবিরের সক্রিয় ভূমিকা পালনে সহায়তা করতে বিভিন্নপক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তাসহ নানাভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিএনপির যেসব নেতা যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত, তাদের পক্ষ থেকে জামায়াত-শিবিরের জন্য ঢালা হচ্ছে বিপুল অর্থ। এর বাইরে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে ফায়দা হাসিলের স্বপ্নধারণকারী আরও একাধিক পক্ষও আর্থিক দিকসহ নানাভাবে সহায়তা করবে জামায়াত-শিবিরকে। আজকের কর্মসূচীর শেষ প্রস্তুতি সম্পর্কে শনিবার সন্ধ্যায় জানা গেছে, কর্মসূচীতে যোগ দিতে চট্টগ্রাম থেকে ২০ হাজার জামায়াত-শিবির নেতাকর্মী ও সমর্থক ইতোমধ্যে ঢাকায় পৌঁছেছে নিজ উদ্যোগে। চট্টগ্রাম মহানগর প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ উল্লাহন বলেন, কর্মসূচী সফল করতে আমাদের বেশিরভাগ নেতাকর্মী ও সমর্থক ঢাকায় পৌঁছেছে। আরও কিছু নেতাকর্মী চট্টগ্রাম ছেড়েছে। রাজশাহী থেকে জামায়াত-শিবিরের ২৫ হাজার নেতাকর্মীও ঢাকায় পৌঁছে গেছে। জামায়াতের রাজশাহী মহানগর সহপ্রচার সম্পাদক ইমাজউদ্দীন ম-ল এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন। শিবিরের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদ জানান, নেতাকর্মীরা ঢাকার পথে আছে। সময়মতো হাজির হবে পল্টনে। এছাড়া বগুড়া, সাতক্ষীরা, যশোর, খুলনা, কুষ্টিয়া, সিলেট, ফেনী, লক্ষীপুরসহ কয়েকটি জেলা থেকেও কয়েক সহস্রাধিক নেতাকর্মী ঢাকায় পৌঁছে গেছেন।
গোয়েন্দাসূত্র ও বিএনপি থেকে পাওয়া তথ্যও জামায়াতের নাশকতার অপচেষ্টার খবর মিলেছে। চট্টগ্রামের বিএনপি নেতারা ইতোমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছেন, ঢাকায় গিয়ে তারা নির্বাচন কমিশন ছাড়াও নির্বাচনের প্রার্থীদের অফিস ঘেরাও করবে। জানা গেছে, গত দুই মাস ধরে সারাদেশে নাশকতার সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত ছিল, তাদের ঢাকায় আনা হয়েছে। উদ্দেশ্য, রাজধানীতে তা-বে তাদের ব্যবহার করা। শিবিরসূত্র আরও জানায়, রাজধানীর বাইরে থেকে আসা এসব ক্যাডারদের সঙ্গে রাজধানীর প্রশিক্ষিত ক্যাডাররা সমন্বয় করবে। আজ সকাল ৬টার পর থেকে তারা রাজপথে অবস্থান করবে। যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা কাদের মোল্লাার ফাঁসি কার্যকরের পরের দিন গত ১৩ ডিসেম্বর রাজধানীর মতিঝিল, রামপুরা, মালিবাগ ও কমলাপুরসহ কয়েকটি জায়গায় তা-ব চালায় জামায়াত-শিবির চক্র। আজ একই কায়দায় মাঠে নামার প্রস্তুত রয়েছে তাদের। এছাড়া রাজধানীতে বড় কিছু করতে হবে, এমন নির্দেশনা থেকে কিছু কর্মীকে কিছু সাঙ্কেতিক চিহ্ন ব্যবহার করতে বলা হয়েছে ফোনে। এছাড়া পুলিশ ও মিডিয়া জানবে এক জায়গায় আর মিছিল করব অন্য জায়গায়। মহানগর শিবিরের একজন নেতা বলেন, রবিবার রাজধানী ফাঁকা থাকবে। সুতরাং, কোন ঘটনা ঘটার ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে পুলিশ হাজির হয়ে যাবে। তাই এবার যা করতে হবে, কয়েক মিনিটের মধ্যে করতে হবে, বেশি সময় নেয়া হবে না। এ নির্দেশনা কর্মীদের দেয়া হয়েছে।
গোয়েন্দা সূত্র বলছে, জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় বিএনপিকর্মীদের সঙ্গে মিশে গিয়ে তা-ব চালাবে। সেটা সম্ভব না হলে তারা নিজেরাই রাজপথে নামবে বলে প্রস্তুতি নিয়েছে। এ চক্রের সব ধরনের নাশকতা মোকাবেলার প্রস্তুতি নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও। রাজধানীর বাইরে থেকেও পুলিশের অতিরিক্ত ফোর্স ঢাকায় আনা হয়েছে। তবে কত সংখ্যক সদস্য ঢাকায় আনা হয়েছে তা কৌশলগত কারণে জানাতে রাজি হননি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা। ঢাকা মেট্রেপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী কমিশনার আবু ইউসুফ জানান, নাশকতা ঠেকাতে সব ধরনের প্রস্তুত রয়েছে পুলিশের। যেকোন ধরনের তা-ব ঠেকাতে পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ সদস্য রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও প্রবেশপথে মোতায়েন করা থাকবে।
পোশাকধারী পুলিশ-র‌্যাব সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দারাও তৎপর থাকবেন। ডিএমপির মুখপাত্র মনিরুল ইসলাম ১৮ দলীয় জোটকে গণজমায়েতের অনুমতি না দেয়ার কারণ ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের জানান, সারাদেশে যারা রাজনৈতিক কর্মসূচীর ব্যানারে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করছে তাদের ঢাকায় ডেকে এনে সেই তা-ব রাজধানীতে চালাতে চায় বিএনপি-জামায়াত। পুলিশের মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার সাংবাদিকদের জানান, পুলিশের ওপর হামলা করে যারা রাষ্ট্রের কাঠামো দুর্বল করতে চায় তাদের কঠোর হাতে দমন করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here