ক্রিকেটার থেকে নূর হোসেনের বডিগার্ড

31

জনতার নিউজঃ

 

নারায়ণগঞ্জের সেভেন মার্ডারের প্রধান আসামি নূর হোসেনের অন্যতম সহযোগী খান সুমন ওরফে বিটু সম্পর্কে এলাকাবাসী চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে। ভয়ে এতোদিন মুখ না খুললেও ওয়াহিদুজ্জামান সেলিম ও বিটু কলকাতায় নূর হোসেনের সঙ্গে গ্রেফতার হওয়ার পর এলাকাবাসী মুখ খুলতে শুরু করেছে। তারা জানান, ফতুল্লার রামারবাগ এলাকার মৃত. আব্দুল মান্নান ড্রাইভারের পুত্র বিটু। তারা দুই ভাই, দুই বোন। বিটু সেভেন মার্ডারের আগে পর্যন্ত প্রকাশ্যে শর্টগান নিয়ে এলাকায় আসা যাওয়া করতো। সর্বশেষ গত সপ্তাহে বিটু সস্তাপুর, শিবু মার্কেট এলাকার মাংস ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায় করে। এরপর ১০ জুন বিটু আকাশপথে কলকাতায় যায়। পরে গত শনিবার নূর হোসেনের সঙ্গে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। বিটুর বাড়ি রামারবাগ হলেও সে ভুঁইগড়ে অবস্থিত রূপায়ন টাউনে তার বড় ভাই পান্থ ফারুকের সঙ্গে বসবাস করতো। বিটু ছিল নূর হোসেনের ডানহাত ও প্রধান বডিগার্ড।

এক সময়ে ভালো ক্রিকেটার ছিল বিটু। তার ভালো ব্যাটিং ও বোলিং দর্শকদের আকৃষ্ট করেছিল। নারায়ণগঞ্জের প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লীগ থেকে শুরু করে ঢাকার ক্রিকেট লীগে খেলেছে সে। এসময় জাতীয় শ্রমিক লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন মাস্টারের ছেলে আরিফ হোসেনের সঙ্গে বন্ধুত্বের সুবাদে নিয়মিত সিদ্ধিরগঞ্জ যাতায়াত করতো। তখন সে নূর হোসেনের নজরে পড়ে। মোটা অঙ্কের প্রলোভন দেখিয়ে নূর হোসেন তাকে প্রধান বডিগার্ড হিসেবে নিয়োগ দেয়। নূর হোসেনের সকল অপকর্মের অন্যতম সাক্ষী এই বিটু। সেভেন মার্ডারেরও সে প্রত্যক্ষদর্শী। একটি গোয়েন্দা সংস্থার মতে এই হত্যাকাণ্ডে বিটু জড়িত ছিল।

গত ২৭ এপ্রিল যেখান থেকে সাতজনকে অপহরণ করা হয় তার ৫শ’ গজের মধ্যে বিটুর বাড়ি। সংশ্লিষ্টরা জানায়, অপহরণকালে নূর হোসেনের সঙ্গে বিটু ও সেলিম একই গাড়িতে ছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here