আওয়ামীলীগে পুশব্যাক করে জামাতিদের অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে বাস্তবায়িত করা হচ্ছে জামাতি এজেন্ডা

49

new

বিশেষ প্রতিবেদকঃ জনতার নিউজ

আওয়ামীলীগে পুশব্যাক করে জামাত বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে নিজস্ব এজেন্ডা, আর দলীয় পরিমণ্ডলে ত্যাগী ও পরিক্ষিতদের দূরত্ব, নব্য আওয়ামীলীগারদের আধিক্য এবং গুরুত্বপূর্ণ দলীয় পদে থাকা লোকদের নিজেদের কথামত চালিয়ে বিভ্রান্ত প্রশাসনিক কাঠামোয় নোয়াখালীতে দিনে দিনে অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে পরিণত হচ্ছে স্বাধীনতা বিরোধী-চক্র । বেগমগজ্ঞ উপজেলা ও চাটখিল উপজেলা নির্বাচনে জামাত ভাইস চেয়ারম্যান এর জয় লাভ ব্যাক-ফুটে আওয়ামীলীগের তৃনমূলের নেতারা । ২১/০৪/২০১৪ তারিখে সোনাইমুড়ীতে সরাসরি হামলা চালানো হয় পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের উপর ।আর আওয়ামীলীগের জেলা থেকে উপজেলা পর্যায়ে দলীয়ভাবে চরম নিষ্ক্রিয়তার ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও অনেকটাই দায়সারা মনোভাব নিয়ে পরিচালনা করছে তাদের অভিযান । জামাতি নাশকতার পর তাই দেখা যাচ্ছে পুলিশ-বাদী মামলার আসামী ৪০ ভাগ জামাতের আর বাকী ৬০ ভাগের মধ্যে নিরীহ, কোন দল সমর্থন করেনা এমন (যাদের আসামী করে বাণিজ্য করাই হচ্ছে মূল লক্ষ্য), আবার কোথাও আসামী হচ্ছে আওয়ামী পরিবারের লোকজন ।এমন চরম নাজুক পরিস্থিতি বিরাজমান নোয়াখালী সবগুলি থানায় ।এমনকি রাজগজ্ঞে ঘটে যাওয়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ব্যাপক তাণ্ডবের ১বছর সময় পার হতে চললেও এখনো ঝুলে আছে ঐ মামলার চার্জশীট । সেই সাথে পাল্লা দিয়ে নোয়াখালীতে বেড়ে চলেছে পরিকল্পিত অপরাধ। হোন্ডা,সিএনজি,দোকান,বাসা বাড়িতে চুরি হচ্ছে অহরহ। সংগবদ্ধ চক্র সক্রীয় অপরাধ কার্যক্রমে। আইনশৃঙ্খলার অবনতি জনমনে ক্ষোভ সামাজিক অশান্তি সৃষ্টি করা ও অর্থ উপার্জন, যেন এক ঢিলে বহু পাখি মারার যন্ত্র। তুচ্ছ ঘটনায় ঘটছে বড় অঘটন, ভূক্তভোগী যেন কোনরকমের সামাজিক বা আইনগত সহযোগিতা না পায়, তার জন্য চালানো হয় চতুরমুখী তৎপরতা, মাদক ব্যাবসার পুরো নিয়ত্রনও এই সিন্ডিকেটের হাতে। সেনবাগ, বেগমগন্ঞ্জ, সৌনাইমুড়ী, সদর এক সিন্ডিকেটের আওতায়। যুদ্ধাপরাধীর বিচার শুরুর পর থেকে দেশব্যপী জামাত বি এন পি তান্ডবের পাশাপাশি আরো কিছু নাশকতার চক তৈরী করা হয় যা সম্পূর্ন হয়রানিমূলক, আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী বা সমর্থক যাদের হোন্ডা বা সি এন জি আছে এমন একটা তালিকা করে চুরি করা বা পুড়িয়ে দেয়া যা গণিমতের মাল বলে গন্য, আর দুঃখজনক সত্যি আওয়ামীলীগে লুকিয়ে থাকা জামাত বিএনপির এজেন্টরা ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো ভিন্নদিকে প্রবাহিত করতে প্রস্তুত, ভূক্তভোগী আওয়ামীলীগ নেতাও লান্চিত হওয়ার প্রমান পাওয়া যায়, কর্মী সমর্থকতো পাত্তাই নেই। সেনবাগের সাবেক সাংসদ জয়নুল আবেদিন ফারুকের চাচাতো ভাই মামুন(আর মিয়া)এর নিখূত তত্বাবধানে এমপি ফারুকের ভাতিজা জহির,বেগমগঞ্জের জাফর আহমেদ, সৌনাইমুড়ির কুতুব উদ্দিন, মাদকসম্রাট সেনবাগের মিয়া সুমন ও চৌমুহনীর কাঠ রবের ছেলে জাহাংগীর মূল নেতৃত্বে। তাদের সহযোগিতায় আছে শতাধিক চিহ্নিত সন্তাসী তথ্যদাতা জামাত বিএনপির ভদ্রবেশী কিছু নেতাকর্মী। সপ্তাহে দুইদিন বৈঠক, এমপি ফারুকদের পারিবারিক ইট ভাটা ছমির মুন্সির হাট হারুন বিক্স ফিল্ডে। অনুসন্ধানে পাওয়া যায় লোমহর্ষক কাহিনী, কতো মায়ের বুক খালী করে পোড়ানো হয়েছে জহিরের ভাটার ইট। হাসতে হাসতে জ্বলন্ত ভাটায় ফেলে দিলো অগ্রিম কেনা ইটের পাওনাদারকে, চট্রগ্রাম থেকে ইয়াবাহা ট্যাবলেটের ফড়িয়াকে, গা শিউরে উঠার মতো ঘটনাগুলোর সঙ্গে সর্বশেষ যুক্ত হলো চৌমুহনী গোলাবাড়ীয়া দুটি হত্যাকান্ড,একটিকে পরিবার আত্নহত্যা বলে চালালে অপরটি টুকরো টুকরো করে নিয়ে যাওয়া হয়। সূএে জানাযায় চুরিকৃত মালের ভাগনিয়ে গোলাবাড়িয়া পেয়ারা ভিলার তৃতীয় তলায় দারোয়ান বুলুর বাসায় ১১.০৪.১৪ ভোর রাতে প্রথম ঘটনাটি ঐদিন সন্ধার পর সুমি এন্টার প্রাইজের মরহুম নূরুল ইসলাম মিয়ার ছোট ছেলে তামিমের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। কিন্তু চৌমুহনী পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সাবেক সাংসদ বরকত উল্লা বুলু দক্ষিন হস্ত হাজিপুর বিএনপি সভাপতি দুলালের ভাতিজা আবুবকর টিপুর বদৌলতে থানায় একটি নারী নির্যাতনের সাধারন ডায়েরী হয়। নিরীহ মানুষ হয়রানি হবে, আলামত নষ্ট হবে,যেন কারোই কিছু করার নেই, অথচ ঘটনার সূএপাত জামাতের বিশাল অস্রভান্ডার আর বিষ্পোরকের মজুত নিয়ে দ্বন্দের জের ধরে ।মূলত সুজন ওজাফর দীর্ঘদিন দ্বন্ড ভাগবাটোয়ারা ও অবৈধ অস্রে ব্যক্তিগত মজুত নিয়ে, ইদানিং সুজন অনেক বেশী বেপরোয়া ও এলাকার অধিপতি হতে চায়। জাফর তা মেনে নিতে পারছেনা।নাশকতা ঘটনা কিবাং অনান্য অবস্থা মনিটরিং দায়িত্ব আনোয়ার, বাকী, সাইফুল সহ আরো কয়েকজনের। এভাবে চলতে থাকলে জামাতি শক্ত দুর্গে পরিণত হবে এই জেলা যা যৌথবাহিনীর ব্যাপক সক্রিয় অভিযান দিয়ে থামানো হয়ে পড়বে বেশ কষ্টসাধ্য । তাই এখনি একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য মিলিয়ে সমন্বিত ও সুচিন্তিত পদক্ষেপ নেয়া অনেক বেশী প্রয়োজন । সেইসাথে জেলা থেকে উপজেলা হয়ে তৃনমূল পর্যায়ে শুদ্ধি অভিযান ও কেন্দ্রীয় ভাবে আওয়ামীলীগের দলীয় কঠোর সিদ্ধান্ত আজ সময়ের দাবী । নাহলে কিছু নেতাদের কাজে রাজনীতি থেকে বিদায় নেওয়া অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীর সাথে এখানে সাংগঠনিক কাঠামোয় নেমে আসবে চরম বিপর্যয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here