অদৃশ্য জামাতি ইশারায় নোয়াখালীতে প্রায় ২০ দিন ধরে নোয়াখালী-লাকসাম রেল পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

51

নোয়খালী প্রতিনধিঃ নাসির দ্রুব তারা, জনতার নিউজTrain

হামলা-ভাঙচুর-আগুনের অহেতুক কারণ দেখিয়ে নোয়াখালীতে প্রায় ২০ দিন ধরে নোয়াখালী-লাকসাম রেল পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে রাখা হয়েছে। কবে ট্রেন চলাচল আবার শুরু হবে বলতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। সবশেষ গত ১০ ডিসেম্বর এই রুটে ট্রেন চলাচল করেছে। এরপর থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অবরোধ চলাকালে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নোয়াখালী-লাকসাম রেল পথে বিপুলাসার ও নাথের পেটুয়া স্টেশনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে দুবৃর্ত্তরা। এছাড়া সোনাইমুড়ি এলাকায় রেল ব্রীজে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে অবরোধকারীরা । কিন্তু ডিসেম্বরের ৭ তারিখ থেকে ঢাকা-নোয়াখালী আন্তনগর উপকূল ১২ই ডিসেম্বর পর্যন্ত ঠিকমতোই চলাচল করে । ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী আরেকটি ট্রেন নোয়াখালী এক্সপ্রেস ডিসেম্বরের প্রথম সাপ্তাহ থেকে বদ্ধ করে দেওয়া হয় । নোয়াখালী এক্সপ্রেস বদ্ধে লাকসাম রেলস্টেশনের ষ্টেশন মাস্টার এর ব্যাক্তিগত অনিহার বিষয়টি অনুসন্ধানে জানা যায় । নোয়াখালী রেল স্টেশনে যোগাযোগ করা হলে, তারা ট্রেন চলাচল বন্ধের সঠিক কোন কারণ জানাতে পারেনি। ১২ই ডিসেম্বর তারিখে আন্তনগর উপকূল ঢাকা থেকে নোয়াখালী আসার কথা ছিল এবং সে অনুযায়ী কমলাপুর রেলস্টেশনসহ অনান্য ষ্টেশন থেকে টিকেট ও বিক্রি করা হয় । কিন্তু এর আগের দিন বুধবার স্বাভাবিক সময়ে আন্তনগর উপকূল সাপ্তাহিক বদ্ধ থাকার অজুহাত দেখিয়ে নোয়াখালী থেকে ঢাকার যাত্রা বদ্ধ রাখে । যথারীতি প্রায় ৫শতাধিক এর কাছাকাছি যাত্রি ষ্টেশন গিয়ে জানতে পারে আন্তনগর উপকূল বদ্ধ ।যাত্রীদের চরম বিক্ষোভ ও যৌক্তিক দাবীতে উপকূল ট্রেন এর পুরো টাকা ফিরিয়ে নোয়াখালী এক্সপ্রেস এর টিকেট দেওয়া হয় । যাত্রীরা নোয়াখালী এক্সপ্রেস এ যথারীতি ঢাকা থেকে লাকসাম ষ্টেশন পৌছার পরই বাঁধে আকস্মিক বিপত্তি ।জনৈক বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী জনতার কথাকে জানান কোন কারন ছাড়াই লাকসাম রেলস্টেশনের ষ্টেশন মাস্টার ঘোষনা দেন নোয়াখালী এক্সপ্রেস লাকসাম এর পর আর যাবেনা । তার এই ঘোষনায় চরম বিক্ষোভে ফেটে পড়ে শত শত যাত্রী । এসময় কয়েকজন যাত্রী মাননীয় রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের মুঠোফোনে বিষয়টি অবগত করলে তিনি ষ্টেশন মাস্টারকে যাত্রী দূর্ভোগ এর কথা চিন্তা করে নোয়াখালী এক্সপ্রেস চালু করার নিদের্শ প্রদান করেন । কিন্তু তার কয়েকদফা আদেশের পর ও ষ্টেশন মাস্টার তার নিজ সিদ্ধান্তে অটল থাকেন । এতে যাত্রীরা রেললাইন প্রায় দুইঘন্টা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন, কিন্তু সুরাহা হয়নি ।ভুক্তভোগীরা কয়েকজন জনতার কথাকে জানান লাকসাম ষ্টেশন থেকে অবরোধের ভেতর সিএনজি এক থেকে দেড় হাজার টাকায় নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী পযন্ত যাত্রীদের পৌছে দেয় । আর তাদের এই অতিরিক্ত ভাড়ার একটা অংশ পায় অবরোধকারীরা আর একটা অংশ নেন লাকসাম ষ্টেশন মাস্টার। এরকম ৩০ থেকে ৪০টি সিএনজি অবরোধের ভেতর লাকসাম ষ্টেশন থেকে চলাচলের উক্ত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় জনতার কথার গোপন তদন্তে । এ অবস্থায় এ রুটের সাধারন মানুষ চরম অসহায় হয়ে পড়েছেন । তাই অবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত সুরাহা করা উচিত । নাশকতামূলক কাজের পরিকল্পনা ও সহিংসতার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে নোয়াখালীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের ২১জন কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। আটককৃতদের মধ্যে বিএনপির ১২জন কর্মী, জামায়াতের ৬ ও শিবিরের ৩ জন কর্মী রয়েছে। পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুর রহমান জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে হরতাল ও অবরোধে বিভিন্ন সহিংস ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে।তবে মূল মদদদাতারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়েছেন । দশম জাতীয় সংসদ নিবার্চনে লক্ষ্মীপুর-১ রামগঞ্জ আসনে একটি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়নের ৮১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৪টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে কাজিরখিল, বিঘা, শেখপুরা, পশ্চিম আঙ্গারপাড়া, পশ্চিম ভাদুর, আশারকোটা, শিবপুর, নয়নপুর, নারায়ণপুর, শ্রীরামপুর, চন্ডিপুর, কাশিমনগর, কালিকাপুর, পশ্চিম শোশালিয়া, আলীপুর, পূব ও পশ্চিম করপাড়া, রতনপুর, গাজীপুর, কোমরতলা, কমরদিয়া, আউগানখীল, সাতারপাড়া ও নন্দনপুরসহ মোট ৩৪টি। রামগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মাহবুবুল আলম, উপজেলা নিবার্চন কর্মকর্তা জসিম উদ্দীন জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার থাকবে। এ ব্যাপারে বিভিন্ন প্রদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এদিকে দেশব্যাপী সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নিযার্তনের প্রতিবাদে (আজ) মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১২টায় লক্ষীপুর প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টা ব্যাপী মানবন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জেলায় কর্মরত সংবাদ কর্মীরা। গত শুক্রবার ইসলামী সমমনা দলগুলোর মিছিল থেকে ঢাকা ও চট্রগ্রাম সহ বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকদের ওপর হামলা,ক্যামরা ভাংচুর ও নির্যাতনের প্রতিবাদে আমরা লক্ষ্মীপুরের সংবাদকর্মী ব্যানারে এ কর্মসুচি পালন করা হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সভাপতি হোসাইন আহমদ হেলাল,সাধারন সম্পাদক কামাল হোসেনসহ প্রমুখ। সমাবেশ থেকে হামলা কারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী জানানো হয়। আর লক্ষ্মীপুরের রামগতি ইউনিয়নের চররমিজ ইউনিয়নে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সিনিয়র সহসভাপতি মাহবুবুর রহমান বাবুকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে । অনুসদ্ধানে জানা যায় উক্ত চররমিজ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাজাকার শাহজান মেম্বার আর তার পালিত জামাতি সন্ত্রাসী সোহাগ জাতির পিতা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নামে বিগত ২৭শে ডিসেম্বার জু ময়ার নামাজের পূবে চররমিজ ইউনিয়নে অবস্থিত হাসমত আলী মিয়া পণ্ডিত বাড়ির জামে মসজিদ নামক জামাতি প্রচার সেলের সামনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছিল, এ সময় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সিনিয়র সহসভাপতি মাহবুবুর রহমান বাবু বিষয়টির প্রতিবাদ করায় তাকে শারিরিকভাবে নাজেহালের চেষ্টা করে এবং জীবন নাশের হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে ক্রমাগত ।কিন্তু একসময়কার চট্টগ্রাম মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক এবং ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক মাহবুবুর রহমান বাবু হুমকি ধামকি তোয়াক্কা না করে বিষয়টি আওয়ামীলীগের জেলা ও উপজেলা পযায়ের নেতাদের জানালে উক্ত ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জহুরুল ইসলাম ওরফে রাজাকার শাহজান মেম্বার তার জামাতি সন্ত্রাসী সোহাগকে দিয়ে রামগতি থানায় মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায় । এ বিষয়ে রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জনাব, মোক্তার হোসেন এর সহিত যোগাযোগ করা হলে তিনি জনতার কথাকে জানান জনৈক সোহাগ তার উপর শারীরীক নির্যাতন হয়েছে মমে তিনি একটি অভিযোগ থানায় নিয়ে আসেন এবং তার সাথে ছিল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জহুরুল ইসলামের ভাতিজা সুমন । অভিযোগে শারীরীক নিযাতনের কথা উল্লেখ থাকলে ও তাকে সম্পূন সুস্থ মনে হয়েছে এবং কোন ডাক্তারী সনদপত্র ও ছিলনা । তাছাড়া অভিযোগটির ভাষায় প্রচুর অসামঞ্জস্য থাকায় অভিযোগটি থানায় নথিভুক্ত করা হয়নি, তবে থানা পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে ওসি জানান । জনতার কথার অনুসদ্ধানে এই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জহুরুল ইসলাম ওরফে রাজাকার শাহজান মেম্বার সম্পকে পাওয়া যায় চমকপ্রদ তথ্য । তার বাবা বদিউল আলম ১৯৭১ সালে ঐ এলাকার শান্তি কমিটির প্রধান ছিল । এরশাদ সরকারের সময় এই রাজাকার শাহজান মেম্বার ৭নং ওয়াডের মেম্বার হন এবং তখন রিলিফ আত্মসাতের দায়ে গ্রেফতার হন । তার রয়েছে একদল স্বসস্ত্র লাঠিয়াল বাহিনী, যার প্রধান ঐ এলাকার কামাল ও শাহাদাত । মূলত হাসমত আলী মিয়া পণ্ডিত বাড়ির জামে মসজিদের সভাপতি, তার ভাতিজা মনির সেক্রেটারী হওয়ার পরই শিবির ক্যাডার আহসান উল্ল্যা উক্ত মসজিদের ইমামের চাকুরী পায় এবং মসজিদটি জামাতি কমকান্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয় ।এই রাজাকার শাহজান এর বিরুদ্ধে লক্ষীপুর যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে চাঁদাবাজি মামলা নং-এস.বি-৩৮/০৭ইং বিচারাধীন রয়েছে । এছাড়াও ৮নং ওয়াড আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ আবদুল্লা উক্ত মসজিদের তহবিল তসরুফ এর দায়ে প্রতিকার চেয়ে পুলিশ সুপার লক্ষীপুর বরাবর অভিযোগ দেন, যার নং-৫৫৮, তাং-২৮/০৭/২০০৮। এছাড়া এলাকায় তার ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রচুর অভিযোগ রয়েছে ।অন্যদিকে চররমিজ ইউনিয়নে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সিনিয়র সহসভাপতি মাহবুবুর রহমান বাবু জানান জাতির পিতা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে জুময়ার নামাজের আগে প্রকাশ্যে মসজিদ প্রাঙ্গনে অশালীন ভাষায় গালিগালাজের প্রতিকারের জন্য তিনি বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন । রাজাকার শাহজান মেম্বারের সহিত এ বিষয়ে জনতার কথা বিভিন্ন উপায়ে বক্তব্য নিতে চাইলে ও ব্যাথ হয় এবং সে বিভিন্ন প্রকার হুংকার মূলক মন্তব্য করে ।লক্ষীপুর দক্ষিন তেমুহনী কালিবাড়ি সংলগ্ন কাজী বাড়ি থেকে যৌথ বাহিনী সম্প্রতি যে কাজীকে গ্রেফতার করে সেই কাজী বাড়ি , দক্ষিন তেমুহনী আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মোল্লা বাড়ি, মিয়া রাস্তার মাথায় মাজার বাড়ি, পানচাত বাড়ি, লক্ষীপুর কমাস স্কুল এন্ড কলেজ, লক্ষীপুর হাউজিং প্রাইভেট লিঃ, লক্ষীপুর সুপ্রিম কেয়ার হাসপাতাল, গোলন্দাজ হাউজিং, আধুনিক হাসপাতাল, বনরুপা হাউজিং, ব্রিকসিং হাউজিং, উপশম হাসপাতাল সহ বহু প্রতিষ্ঠানে রয়েছে জামাতি সুদৃঢ় অবস্থান । আর আথিক যোগদাতাদের অন্যতম মিজানুর রহমান মোল্লা, মহসিন কবীর মুরাদ, জাবেদ, মামুন, নিশান,রাজু , মমিন এরা সবাই লক্ষীপুর জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক । এদিকে সোমবার দুপুরে ফেনী পৌর এলাকা থেকে আটক করা হয় হিজবুত তাওহিদের দুই নারী কর্মীকে । এরা হলেন ফেনী সদরের শর্শদি গ্রামের প্রয়াত জেবল হকের স্ত্রী জবিলা খাতুন (৪৭) ও ফুলগাজীর বসিকপুর গ্রামের এনামুল কবিরের স্ত্রী কামরুন নাহার (২৫)। সোনাগাজী মডেল থানার ওসি সুভাস চন্দ্র পাল জানান, দুপুরে হিজবুত তাওহিদের এই দুই নারীকর্মী সোনাগাজী পৌর এলাকার বিভিন্ন বাসাবাড়িতে গিয়ে তাদের প্রচারপত্র ও বইপুস্তক বিলি করছিলেন। এলাকার লোকজন তাদের আটক করে সোনাগাজী থানায় খবর দেয়। পরে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে ফেনীর বিচারিক আদালতে পাঠানো হয়। যৌথবাহিনীর এই তিন জেলায় বড় ধরনের সাফল্য লাভে প্রয়োজন জামাতি প্রতিষ্ঠান গুলিতে সাঁড়াশি অভিযান ও তল্লাশি ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here