5294a0dc53a11-Jessore3সারা দেশে ১৮-দলীয় জোটের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার রাজপথ, রেলপথ ও নৌপথ অবরোধ কর্মসূচির প্রথম দিনে আজ মঙ্গলবার দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে। সাতক্ষীরা, কুমিল্লা, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় সহিংসতায় বিজিবি সদস্য, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাসহ ছয়জন নিহত হয়েছেন। বগুড়া, ফেনী ও চুয়াডাঙ্গায় উপজেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া পাবনার ঈশ্বরদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা, ময়মনসিংহ, জামালপুরের মাদারগঞ্জ, চাঁদপুর ও যশোরে রেলপথে নাশকতা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।

কুমিল্লা
বিজিবি ১০ ব্যাটেলিয়নের সদস্য রিপন ১৮-দলীয় সমর্থিত নেতা-কর্মীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন। নগরের মনোহরপুর এলাকায় গতকাল সোমবার রাতে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলকর্মী ও অটোরিকশা চালক দেলোয়ার হোসেন মিছিলে গিয়ে ককটেল বিস্ফোরিত হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান। আজ বিকেল ৩টার দিকে তাঁর লাশ তালতলা চৌমুহনী এলাকার নিজ বাসায় নেওয়া হয়। এ সময়ে পুলিশ দ্রুত লাশ দাফনের জন্য তাগিদ দিলে ১৮-দলীয় জোটের নেতা-কর্মী ও এলাকাবাসী পুলিশের পিকআপ ভ্যানে আগুন ধরিয়ে দেয়।

খবর পেয়ে বিজিবি ও পুলিশের সদস্যরা তালতলা চৌমুহনী এলাকায় যান। এ সময়ে উত্তেজিত জনতা তাঁদের লক্ষ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এক পর্যায়ে তাঁরা বিজিবি ও পুলিশকে লক্ষ করে গুলি ছুঁড়ে। এ সময় বিজিবির সদস্য রিপন মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। রিপনসহ পুলিশের সদস্য মাহমুদুল হাসানকে গুরুতর আহত আহতাবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রিপন মারা যান।

এদিকে লাকসাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলী হোসেন দুয়ারী দাবি করেন, লাকসাম পৌর শহরের দৌলতগঞ্জ বাজারে জামায়াত-শিবিরের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে রিকশাচালক বাচ্চু মিয়া নিহত হন।

সাতক্ষীরা

কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ দারা খান জানান, কলারোয়া উপজেলার আলাইপুর এলাকায় বিএনপি-জামায়াতের পিকেটারদের হামলায় দেয়াড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান ওরফে বাবু নিহত হন।

৩৮ বিজিবির উপ-অধিনায়ক মেজর ফারুক আহমেদ জানান, কলারোয়ার দেয়াড়ায় বিকেলে বিএনপি-জামায়াতের পিকেটারেরা বাড়িতে ঢুকে দেয়াড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করে।

সিরাজগঞ্জ

পৌর এলাকার জগাইমোড়ে বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে সাকমান হোসেন নামে এক পথচারী নিহত হন।

শহরের রেলগেট এলাকায় একটি ট্রাকে অগ্নিসংযোগ ও পাঁচটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটান ছাত্রদলের কর্মীরা। সদর উপজেলার চণ্ডীদাসগাতি বেইলি ব্রিজ এলাকায় একটি ট্রাক ও কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট বাজারে একটি ট্রাক ভাঙচুর করা হয়।

বগুড়া

সহকারী পুলিশ সুপার গাজীউর রহমান জানান, জেলার শাজাহানপুর থানার লিচুতলায় এলাকায় পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল ছুড়লে পুলিশও পাল্টা রাবার বুলেট ছোড়ে। এরপর ঘটনাস্থলকে থেকে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর পরিচয় পাওয়া যায়নি।

বগুড়ায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল থেকে মহাস্থান পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি ফেলে, টায়ার জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে রাখা হয়েছে।

দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে উপজেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল রাতে বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষের সরকারি বাসভবনে ককটেল হামলা ও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। একই সঙ্গে বাসভবনের সামনে থাকা শিক্ষার্থী পরিবহনের কয়েকটি বাস ভাঙচুর করা হয়। জেলা জজদের বাসভবন কমপ্লেক্সে এলাকায়ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

গতকাল রাতে ঢাকা থেকে নওগাঁ ফেরার পথে বগুড়া-নওগাঁ সড়কের এরুলিয়ায় নওগাঁ-৪ আসনের সাংসদ এমাজউদ্দিন প্রামাণিকের গাড়িতে হামলায় তিনি, তাঁর ছেলে ও গাড়ির চালক আহত হন।

টঙ্গী

টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় বেলা আড়াইটার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করতে সাবেক সাংসদ হাসান উদ্দিন সরকারের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হয়। পুলিশ বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় ছাত্রলীগের কর্মীরা যোগ দেন। হাসান উদ্দিনের পিঠে রাবারের তিনটি গুলি লাগে। তিনি অভিযোগ করেন, সকালে ছাত্রলীগের কর্মীরা তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়ে মূল ফটক, জানালার কাচ ভাঙচুর এবং সিসি ক্যামেরা খুলে নিয়ে গেছে।

নারায়ণগঞ্জ

আড়াইহাজার থানার ওসি মো. আলমগীর জানান, সকাল নয়টার দিকে আড়াইহাজার উপজেলার পাঁচরুখী এলাকায় যুবদলের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদের সমর্থকেরা ঝটিকা মিছিল বের করেন। এ সময় তাঁরা সাত-আটটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটান। একপর্যায়ে তাঁরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ওঠার চেষ্টা চালালে পুলিশের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ শটগানের ফাঁকা গুলি ছুড়ে ও লাঠিপেটা করে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে পাঁচজন আহত হন।

সকাল আটটার দিকে হাইজাদি ইউনিয়নের ইলুমদি বাজারের সড়কে টায়ারে অগ্নিসংযোগ করেন সাবেক সাংসদ আতাউর রহমানের সমর্থকেরা। খবর পেয়ে পুলিশ ধাওয়া দিলে তাঁরা পালিয়ে যান।

ঈশ্বরদী

ঈশ্বরদী রেল থানার ওসি এনামুল হক জানান, ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনের লোকো এলাকায় সিরাজগঞ্জগামী এক্সপ্রেস ট্রেনটিতে গতকাল রাত একটার দিকে অবরোধ-সমর্থকেরা আগুন দেয়। এতে একটি বগি সম্পূর্ণ ও দুটি বগি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কসবা

ইমামবাড়ি রেলস্টেশন মাস্টার খলিলুর রহমান মণ্ডল জানান, কসবা উপজেলা সদরের নোয়াপাড়া এলাকায় ও বায়েক ইউনিয়নের সালদা নদী এলাকায় প্রায় দুই কিলোমিটার জুড়ে রেললাইনের স্লিপার তুলে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। ইমামবাড়ি স্টেশনে থেমে থাকা চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের দুটি বগিতে সকালে আগুন দেওয়া হয়।

ময়মনসিংহ

গৌরীপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. তারেক জানান, ভোরে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় বিএনপির কর্মীরা রেললাইনের ফিশপ্লেট খুলে ফেলেন। এতে ঢাকা থেকে মোহনগঞ্জগামী ‘হাওড়’ এক্সপ্রেস ট্রেনের পাঁচটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৩০ যাত্রী আহত হয়েছে। এ ঘটনায় ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ ও ময়মনসিংহ-বিরিশিরি রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

মাদারগঞ্জ

জামালপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম জানান, সকাল পৌনে নয়টার দিকে জামালপুর কোর্ট স্টেশনের কাছে জামালপুর থেকে দেওয়ানগঞ্জে চলাচলকারী একটি লোকাল ট্রেনের ইঞ্জিন ভাঙচুরের চেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা।

রাজশাহী

রাজশাহীতে সকাল পৌনে সাতটার দিকে তিনটি স্থানে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নগরের মালোপাড়া এলাকায় সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়।

মেহেরপুর

মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা-কুষ্টিয়া প্রধান সড়কসহ অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সড়ক ভোর থেকে অবরোধ করে রাখেন ১৮-দলীয় জোটের নেতা-কর্মীরা। তাঁরা সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে, আগুন জ্বেলে বিক্ষোভ করেন। এ সময় শহরের কায়েমকাটা মোড়ে প্রায় ৫০টি, রাজনগর সড়কে প্রায় ৪২টি ও বন্দর সড়কে প্রায় ২৯টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটান বিক্ষোভকারীরা। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ২৩টি গুলি ছুড়ে বলে মেহেরপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) আবদুল জলিল।

ফেনী

গতকাল রাতে উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে কার্যালয়ের একটি কক্ষের কাগজপত্র পুড়ে গেছে।

গাজীপুর

গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কালীগঞ্জ উপজেলা সদরে সকাল সাতটার দিকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ সময় নেতা-কর্মীরা বাজারে ১০-১২টি যানবাহন ভাঙচুর করেন। সকাল পৌনে নয়টার দিকে উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় ড্রেসম্যান সোয়েটার কারখানার কর্মীবাহী দাঁড়িয়ে থাকা বাসে নেতা-কর্মীরা পেট্রল ঢেলে আগুন দেয়। শ্রীপুর উপজেলার আনসার রোড এলাকায় নেতা-কর্মীরা সাত-আটটি যানবাহন ভাঙচুর এবং একটি লেগুনায় আগুন ধরিয়ে দেন।

নোয়াখালী

সকালে পুলিশের গাড়িতে হামলার জের ধরে শহরের জামে মসজিদ মোড় এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ ফাঁকা গুলি করে।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুনর রশিদ আজাদ দাবি করেছেন, তাঁদের ২০ জন নেতা-কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে সুধারাম (সদর) থানার ওসি মোশারফ হোসেন তরফদার বলেন, পুলিশের গাড়িতে হামলার পর নেতা-কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে তাঁরা ফাঁকা গুলি করেছে। এতে কেউ আহত হওয়ার কথা তাঁর জানা নেই।

চাঁদপুর

সকাল আটটার দিকে শহরের আক্কাছ আলী এলাকায় পিকেটাররা রেললাইনে আগুন ধরিয়ে দেয়। এছাড়া পিকেটাররা রেললাইনের স্লিপার তুলে সেগুলো দিয়ে সড়ক অবরোধ করে। চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের বাকিলায় আধা কিলোমিটার এলাকায় গাছের গুঁড়ি ফেলে এবং শহরের ওয়্যারলেস এলাকায় বিএনপি ও শিবিরের কর্মীরা সড়কে অবস্থান নিয়ে সরকারবিরোধী মিছিল করছেন। পুলিশ ১০ জনকে আটক করেছে।

চুয়াডাঙ্গা

সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে গতকাল রাতে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা আগুন দেয়।

চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (দক্ষিণ) মনজুর মোরশেদ জানান, অবরোধ ও হরতাল চলাকালে উত্তর জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক ছালামত আলীসহ আটজনকে আটক করা হয়েছে।

পটুয়াখালী

সকালে তেলিখালী ব্রিজ এলাকার পটুয়াখালী-বরিশাল মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে অবস্থান নেন বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীরা। মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর আগে ওই সড়কে ঢাকা থেকে কুয়াকাটাগামী সৌদিয়া পরিবহনের একটি বাস ও বাঁধঘাট এলাকায় একটি টমটম ভাঙচুর করা হয়।

খুলনা

শহরের পাওয়ার হাউজ মোড়ে ১৮ দলের সমাবেশ চলাকালে শিবিরের এক কর্মীকে আটক করলে পুলিশের সঙ্গে নেতা-কর্মীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে তাঁরা ইটপাটকেল ও কয়েকটি ককটেল নিক্ষেপ করে। পুলিশও পাল্টা গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে। এ সময় গাড়ি ভাঙচুরের প্রতিবাদে স্টেশন রোড থেকে বের হওয়া মিছিলের শ্রমিক লীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ১৮ দলের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র মনিরুজ্জামান আহত হন।

সরিষাবাড়ী

দুপুরে উপজেলা খাদ্য গুদামের সামনে পিকেটারেরা একটি অটোবাইক ভাঙচুর এবং চালক বাবু মিয়াকে মারধর করে। ভাটারার পারপাড়া এলাকায় একটি মোটরসাইকেল ও মহাদানের কদুল্লায় নছিমন ভাঙচুর করা হয়েছে।

ফরিদপুর

জেলার সহকারী পুলিশ সুপুর (সদর সার্কেল) মো. কামরুজ্জামান বলেন, গতকাল রাত ১২টার দিকে ফরিদপুর সদরের কৈজুরি ইউনিয়নের পেয়ারপুর এলাকায় পিকেটারদের লাগানো আগুনে আহত হন ট্রাক চালক আব্দুল খালেক (৩২)। তাঁর দুই পা ঝলসে গেছে। তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পঞ্চগড়

পঞ্চগড় সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, পিকেটিংয়ের অভিযোগে জেলা ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম ইরানকে আটক করে পুলিশ। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়।

পিরোজপুর

ভৈরমপুর এলাকায় পিরোজপুর-নাজিরপুর সড়কে ও শহরের মধ্যরাস্তা এলাকায় ১৮ দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগ কর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের তিনটি শেল ও শর্টগানের ৩৭টি গুলি ছুড়েছে বলে পিরোজপুরের সহকারী পুলিশ সুপার এম এন মোরশেদ জানান।

image_88579

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here