জনতার নিউজঃ

স্বর্ণ ফেরত না দিলে রবিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের ঘর্মঘট

সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দাবির পাশাপাশি আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আপন জুয়েলার্সের জব্দকৃত স্বর্ণ ফেরত না দিলে আগামী রবিবার থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব জুয়েলারি দোকান বন্ধ থাকবে।

সোনা ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) বুধবার বাইতুল মোকাররমে সংগঠনের কার্যালয়ে দুপুর তিনটায় এক প্রেস ব্রিফিং এ ধর্মঘটের কথা জানায়। একইসঙ্গে শুল্ক ও গোয়েন্দা অধিদফতরের ডিজি ড. মইনুল খানের অপসারণেরও দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বাজুসের সহ-সভাপতি এনামুল হক খান বলেন, সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না হওয়া পর্যন্ত স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের আন্দোলন চলবে। আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আপন জুয়েলার্সের জব্দকৃত স্বর্ণ ফেরত না দিলে ১১ তারিখ থেকে অনির্দিষ্টকালের ঘর্মঘট পালন করা হবে। একই সঙ্গে আগামী ১২ তারিখ স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা পদযাত্রার মাধ্যমে বাইতুল মোকাররম মার্কেট থেকে সচিবালয়ের অভিমুখে যাবে। ওই দিন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের নিকট স্বারকলিপি প্রদান করা হবে। এছাড়াও ১৫ জুন সমাবেশের ঘোষণার কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা এখন কঠিন অচল অবস্থার মধ্যে দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছে। আমরা এখন ঠিকমত কর্মচারীদের বেতন ভাতা দিতে পারছি না। ৪০ বছর ধরে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করা আপন জুয়েলার্সকে বনানী ইস্যুতে জড়িয়ে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আপন জুয়েলার্স যে উপায়ে স্বর্ণ সংগ্রহ করেছে আমাদের সব স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা একই উপায়ে স্বর্ণ সংগ্রহ করেছে। কাল আমাদেরকেও যদি একই পন্থায় হেনস্তা করা হয় তবে আমরা কোথায় যাব। এটা এক ধরনের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস।

তিনি বলেন, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মইনুল খান প্রতিদিনই সংবাদ মাধ্যমকে ডেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের জড়িয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছে। এতে করে সাধারণ ক্রেতারা এখন আর স্বর্ণ অলঙ্কার কিনতে আসছে না। তারা আতঙ্কিত হচ্ছে। এতে করে এ খাতের সাথে জড়িত ২৮ লাখ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই আমরা তার অপসারণ চাচ্ছি।

প্রেস ব্রিফিংয়ে বাজুস সভাপতি গঙ্গা চরন মালাকার, আমিনুল ইসলাম শাহীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here