সীতাকুণ্ড থেকে জহুরুল আলম খান জনতার নিউজ

সীতাকুণ্ড কলেজ রোড ও প্রেমতলা এলাকা এখন মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের অভয়ারন্য এখানে ডাকাত সাহাব উদ্দিনের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে কোয়েল বাহিনী আর এই বাহিনীর প্রধান উপদেস্টা ডাকাত শহিদ, এদের কাজ হচ্ছে এলাকায় চাঁদাবাজি করা নারী ও মাদক ব্যবসা করা উক্ত এলাকার জনগন এদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ কিন্ত এদেরকে কিছু করার থাকে না কারন এদের হাত নাকি অনেক লম্বা ,প্রকাশ থাকে যে গত কয়েক মাস পুর্বে সাহাব উদ্দিন প্রকাশ সাইব্বা এলাকার এক প্রবাসীর স্ত্রীর উপর যৌন নির্যাতন করেন তখন স্থানীয় গন্যমান্য লোক ও পৌর আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা ওমর ফারুকের নেতৃত্বে তার বিচার করেন এবং সাইব্বাকে এলাকায় মাদক ব্যবসা চাদাবাজি ও নারী নির্যাতন বন্ধ করতে বলেন তার পর থেকে ক্ষিপ্ত হয়ে গতকয়েক মাসে

কোয়েল বাহিনীর প্রধান ডাকাত সাহাব উদ্দিন প্রকাশ সাইব্বা ও মামলার প্রধান আসামী  ও কোয়েলের প্রধান উপদেস্টা ডাকাত শহিদ ও অন্যান্য ডাকাত সদস্য 

 

প্রধান আসামী ডাকাত সাহাব উদ্দিন সাইব্বা প্রকাইশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন আর বাদীকে মামলা প্রত্যাহার করতে প্রান নাশের হুমকী দিচ্ছেন

এই কোয়েল বাহিনী প্রায় ২৫-৩০ জন মানুষ কে অস্র নিয়ে আক্রমন করে মাইর ধইর করেন তাদের ভয়ে কেহ থানায় মামলা করার সাহস করেন নাই,কারন তাদের  সব সময় অস্র সস্র সাথে  নিয়ে সি এন জিতে করে এলাকার টহল দিতে থাকেন,এই ডাকাত বাহিনীর অত্যাচারে এলাকার জনগন আতংকে আছেন কিন্ত এদের মাদক ব্যবসার প্রধান বাঁধা পৌ্র আওয়ামীলীগ নেতা ওমর ফারুক। যার কারনে গত ২৯/০৬/২০১৮ ইং বিকাল অনুমান ৫. ৩০  ঘটিকার সময় তিনি তার বাড়ী থেকে বের হয়ে  ভোলাগিরী আশ্রমের সামনে আসা মাত্র ডাকাত সাহাব উদ্দিনসহ ১২-১৪ জন তাকে প্রাননাশের উদ্দশ্যে আক্রমন করেন ডাকাত সাইব্বা তার গলায়  ছুড়ি    ধরে রাখে অন্যরা কেহ পিস্তল  ধরে রাখেন আর কেহ লাঠি দিয়ে তাকে আঘাত করে আহত করেন  পথচারিরা তাকে বাঁচাতে আসলে সবাইকে অস্র দেখিয়ে প্রান নাশের হুমকী দিলে সবাই প্রান ভয়ে পালিয়ে যায় , তারা ওমর ফারুক কে আহত করে রাস্তায় ফেলে গেলে এক রিক্সওয়ালা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় তিনি কিছুটা সুস্থ্য হয়ে থানায় অভিযোগ দেন পরে গত ৩০/৬/২০১৮ ইং সীতাকুণ্ড মডেল থানায় মামলা নং ৪৬ রুজু করেন।। ধারা ১৪৩, ৩৪১, ৩২৩,৩২৫,৩০৭,৩০৯,৫০৬ বাঃ দঃ বিঃ পরে    সাবের উদ্দিন (৩৫) ও নুর উদ্দিন(২৫) উভয় পিতা  মৃত সিদ্দিক আহমেদ সাং মধ্যম মহাদেবপুর নামিয় উক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার কর আদালতে প্রেরন করেন। 

মামলা করার পর উক্ত দুই আসামীকে গ্রেফতার করলে  ডাকাত সাইব্বার কোয়েল গ্রুপ প্রতি নিয়ত ফারুক সাহেবের বাড়ীতে গিয়ে প্রকাশ্যে হুমকী দিচ্ছে যে মামলা প্রত্যাহার না করলে বাড়ীর কাউকে বাঁচতে দিবে না এবং বাড়ীতে আগুন জ্বালীয়ে সবাইকে পুড়ে মারবে  ডাকাত সাইব্বার গুরু  হলেন  ডাকাত শহিদ এদিকে ডাকাত শহিদ বলে বেড়াচ্ছেন স্থানীয় এম পি হচ্ছে তার মূল শক্তি এই ব্যাপারে এম পি দিদারুল আলমের ফোনে বহুবার যোগাযোগ করে ও তাকে না পেয়ে তার বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায় নাই , এলাকার জনগনের সাথে আলাপ করে জানা যায় যে তৃণমূল আওয়ামীলীগ সহ সীতাকুণ্ডের ত্যাগী নেতারা এম পি সাহেবের উপর ক্ষিপ্ত অনেকে বলেন তাদের বর্তমান এম পি কে তারা আগে কোন দিন দেখেন নাই এমন কি তিনি কোন দিন ছাত্রলীলীগ যুবলীগ বা আওয়ামীলীগ কিছুই করেন নাই তবে তার বাবা ও তিনি নাকি আগে বি এন পি নেতা ছিলেন অনেকে বললেন বর্তমানেও এম পি সাহেব বি এন পি নেতাদের নিয়ে আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা করেন , সীতাকুণ্ড থানার ভার প্রাপ্ত কর্মকর্তা ইফতেখার সাহেব বলেন তারা হয়ত এম পি সাহেবের নাম বলেন কিন্ত এম পি সাহেবের লোক হলেত গ্রেফতার করতাম না

অন্য দিকে উপজেলা চেয়ারম্যান ও যুবলীগ চট্রগ্রাম উত্তর জেলা সভাপতি এস এম আল মামুন জানান ডাকাত শহিদ ও তার গ্রুপ অত্যন্ত খারাপ লোক এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ওসিকে অনুরোধ করবেন।

সীতাকুণ্ড বর্তমানে মাদক ও সন্ত্রাসের রাজত্ব চলছে মনে হয় থানা পুলিশ অসহায় ।

সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন লোকের সাথে আলাপ করে জানা যায়  ডাকাত শহিদ ও ডাকাত সাহাব উদ্দিন প্রকাশ সাইব্বা এরা এম পি দিদারুল আলমের চত্রছায়ায় সকল সন্ত্রাসী কার্য্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে যার জন্য এলাকাবাসি অনেকটা জিম্মি হয়ে আছেন। সাধারন জনগন এম পির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো্র সাহস করছেন না অন্য দিকে পৌর সভার মেয়র বদিউল আলমের ছেলে নাকি সরাসরি ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত তাই কেহ কিছু বলতেও সাহস করেন না মেয়র বদি নাকি পৌ্র এলাকার কোন ময়লা পরিস্কার করেন না কিন্ত কোন নাগরিক  যদি চারিত্রিক সনদ নিতে যায় তখন তাদের কে নানান হয়রানী করেন বলেন আপনি স্থানীয় লোক কিনা তার প্রমান দিতে বাড়ির দলিল নিয়ে আসেন আরো নানান হয়রানী করে বলেন আমি কি তোমাদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি নাকি আবার তিনি নিজে একটা আইন করেছেন যে সনদ নিতে ২০ টাকা ফি দিতে হবে যা বাংলাদেশের অন্য কোথাও নাই বা সরকারি নিয়ম ও নাই সীতাকুণ্ডবাসি অনেকটা অসহায় অবস্থায় আছেন তারা বলছেন এম পি হচ্ছে হাইব্রীড আর মেয়র হচ্ছে মাদক ব্যবসায়ীয় বাবা তাই এদের কারো কোন সহায়তা কেহ পাচ্ছেন না তবে সীতাকুণ্ড সমিতি চট্রগ্রাম এর সভাপতি জনাব গিয়াস উদ্দিন সাহেবের প্রশংসা এক বাক্যে সবাই প্রসংশা করলেন , যে কোন সাহায্য সহযোগিতার জন্য তার হাত সব সময় প্রসারিত থাকেন।  

   পাহাড়তলি ওয়ার্ড যুবদলের সাংগটনিক সম্পাদক। লুলা জসিম আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় এম পির সাথে

মামলা হওয়ার দুই দিন পরেও পুলিশ  এখনও মুল আসামি সাহাব উদ্দিন সাইব্বাকে গ্রেফতার করতে পারে নাই অন্য দিকে বাদী তার পরিবার নিয়ে আতংকে আছেন কার ডাকাত সাইব্বা অশ্র নিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে হুমকী দিয়ে যাচ্ছেন।

              

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here