জনতার নিউজ: আবুল খায়ের শাহজাহান সীতাকুণ্ড

  • মাননীয় সংসদ সদস্যের একান্ত সাক্ষাতকারটি গ্রহন করেছেন, জনতার নিউজের প্রধান সম্পাদক আবুল খায়ের শাহজাহান,সাক্ষাতকারের প্রথম কিস্তি প্রকাশ করা হলো,

 

www.amarmp.com এর মাধ্যমে যে কেউ প্রশ্ন করলে আমি সরাসরি উত্তর দিব, আমার ইমেইল আছে, ফেসবুক পেজ আছে, মোবাইল নাম্বার আছে, দেশ-বিদেশ থেকে জনগন যে কোন মাধ্যমে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারবে।

 

চট্রগ্রাম জেলার ভারী শিল্পকারখানা, শিপব্রেকিং ইয়ার্ড, প্রাকৃতিক লিলাভূমি পশ্চিমে সমুদ্র পুর্বে পাহাড় ঘেরা  পর্যটন কেন্দ্র উপজেলা, নাম সীতাকুণ্ড,বাংলাদেশ সংসদীয় আসন নং ২৮১, চট্রগ্রাম – ৪, বর্তমান সীতাকুণ্ডের জাতীয় সংসদ সদস্য হচ্ছেন, আলহাজ দিদারুল আলম। বর্তমান সংসদের ৩ তিন বছর পুর্তি উপলক্ষে গত ৫/২/২০১৭ ইং তারিখে জনতার নিউজের পক্ষ থেকে মাননীয় সংসদ সদস্যের গত ৩ তিন বছরের কর্মযজ্ঞ সম্পর্কে একটা সাক্ষাতকার ও আমারএমপি ডট কমের জন্য একটি কন্সেন্ট লেটার নেওয়ার জন্য জনতার নিউজের প্রধান সম্পাদক আবুল খায়ের শাহজাহানসহ আমরা গিয়েছিলাম এম পি সাহেবের কর্ণেল হাটের বাড়ীতে, আমরা প্রথমে গেলাম তার বিশাল অফিসের  ২য় তলায় গিয়ে তার এ পি এস এর সাথে কথা বলে জানতে পারলাম তিনি ৭টা বাজে অফিসে এসে বসবেন, আমরা তার অফিস ঘুরে ঘুরে দেখলাম অনেক সাজানো গোছানো, অফিসের স্টাফ গুলা  বিশেষ করে তার এ পি এস ও নেট পরিচালক এরা অত্যন্ত আন্তরিক, এম পি সাহেব অত্যন্ত স্মার্ট অল্প বয়স প্রচুর এনার্জি আছে তার।

এম পি সাহেব  নিজে সরাসরি সকল ফোন রিসিভ করে জনগনের সাথে কথা বলে এলাকার সমস্যা সমাধানের চেস্টা করেন, এছাড়া তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গিয়ে এলাকার মহিলাদের সাথে সরাসরি উঠান বৈঠক করে জনগনের সমস্যার কথা নিজ কানে শুনে সমাধানের চেস্টা করেন, এতে এলাকার জনগন বিশেষ করে মহিলারা মাননীয় সংসদ সদস্যকে কাছে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত কারন তারা তাদের সমস্যার কথা সরাসরি এম পি সাহেব কে বলতে পারছেন।

একটা জিনিষ আমাদের নজরে এসেছে, যে এম পি সাহেব, সকল কাজ নিজে করেন তার পক্ষ থেকে কাজ করার জন্য কাউকে কোন কাজের দায়িত্ব দিয়েছেন বলে আমাদের মনে হয় নাই, এম পি সাহেব অত্যন্ত ধনিব্যক্তি তিনি চাচ্ছেন না যে তার নাম বিক্রি করে কেউ চাঁদাবাজি করুক, বা কোন অন্যায় সুযোগ সুবিধা গ্রহন করে জনগনের কাছে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করুক তাই তিনি তার কোন নিজস্ব বাহিনীও তৈরি করেন নাই তবে তার সাধারন অনেক সমর্থক আছেন।  

সীতাকুণ্ড এলাকা পরিদর্শন করে জানা গেল, সত্যিকারে অনেক আওয়ামীলীগের নেতা কর্মিরা কোনঠাসা হয়ে আছেন, এখানে তিনটা গ্রুপ কাজ করেন, একটা হচ্ছে উপজেলা চেয়ারম্যান মামুন গ্রুপ, একটা এম পি গ্রুপ, আরেকটা ব্যবসায়ী প্যাসিভিক গ্রপের মালিক তানভির এর চত্রছায়াই সীতাকুণ্ড সমিতি চট্রগ্রাম কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে, এখানে যার যার শক্তি প্রদর্শন করছেন। সব চাইতে শক্তিশালী গ্রপ মনে হলো মামুন গ্রুপ, এটার একটা প্রমান এই প্রতিনিধি পেয়েছেন গত ২৮ জানুয়ারী ২০১৭ ইং প্যাসিভিক জিন্স এর অর্থায়নে সীতাকুণ্ড সমিতি চট্রগ্রাম, এর মাধ্যমে সীতাকুণ্ড বাসির মেধাবী সন্তানদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে, যেখানে  উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মামুন সাহেব, প্যাসিভিক জিন্স এর পরিচালক তানভির সাহেব এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছে সীতাকুন্ড সরকারি মডেল হাই স্কুল মাঠে, এখানে এম পি গ্রুপের লোকজন আসতে সাহস ও করলেন না কারন এরা সাধারন জনগন, এমন কি এই এলাকার সংসদীয় আসনের এম পি হিসেবে জনাব  আলহজ দিদারুল আলম এম পি সাহেব ও ছিলেন না, এখানে এলাকার এম পি কে প্রধান অতিথি না করে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস চেন্সেলর মহোদয় কে প্রধান অতিথি করা হয়েছে, সব চাইতে অভাক কান্ড ছিল এখানে সমিতির সভাপতিকে মনে হলো একজন অসহায় মানুষ কারন অনুষ্ঠানের সকল নিয়মকানুন ভঙ্গ করে সভাপতিকে বাদ দিয়ে এখানে সভাপতিত্ব করলেন প্যাসিভিক জিন্স এর পরিচালক জনাব তানভীর, আমরা খোঁজ নিয়ে জানলাম সীতাকুণ্ড সমিতি চট্রগ্রাম এর বর্তমান সভাপতি একজন ব্যাংকার, সাবেক ছাত্রনেতা,যার আছে অত্যন্ত সাংগঠনিক দক্ষতা কিন্ত তিনি কি কারনে অসহায়ের মত তার সভাপতিত্বের চেয়ার প্যাসিভিক জিন্সের পরিচালককে ছেড়ে দিলেন তা জানা গেল না। আমরা পরবর্তিতে তারও সাক্ষাতকার নেওয়ার চেস্টা করবো।

বলছিলাম এম পি মহোদয়ের কথা ৭টা বাজে তিনি আমাদের কে ফোন দিয়ে বললেন, আপনারা ঢাকা থেকে এসেছেন একটু বসেন আমি আসছি,কিছুক্ষনপর তিনি আসলেন,  ২য় তলায় আর উঠলেন না,এপিএস সাহবে আমাদেরকে নিচে যেতে বললেন, নিচে গিয়ে দেখি প্রচুর লোক, সবাই যার যার সমস্যা বলতে এম পি সাহেবকে ঘিরে ধরলেন, আমরা যে সাক্ষাতকার নিবো সেই সুযোগতো দুরের কথা ওনার কাছেও ভিড়া যাচ্ছিল না, এক পর্যায়ে ওনার নেট পরিচালক, যার ফেসবুক নাম নেট-ফকির তিনি বললেন আমাদের কথা, এবার এম পি সাহেব আমাদের নিয়ে নিচের একটা রুমে বসলেন, কিন্ত এখানেও শান্তি নাই লোকজন দলে দলে ডুকছেন, এম পি সাহেব কাউকে বাঁধা দিচ্ছেন না সবার কথা শুনছেন আর সমাধানের চেস্টা করছেন, কিন্ত আমরা তো সাক্ষাতকার নিতে পারছিনা, শুধু বললাম আপনার এলাকার জনগনের প্রশ্নের সরাসরি উত্তর নিতে আমারএমপি ডটকমের জন্য আপনার একটা কন্সেন্ট লেটার প্রয়োজন, তিনি সেটা সাক্ষর করে এপিএস কে দিয়ে বললেন এটা টাইপ করে আমার সাক্ষর নিয়ে ওনাদের দিবেন। আর আমাদেরকে বললেন, আপনারা একটু অপেক্ষা করুন আমার সাথে এক জায়গায় যাবেন আপনাদের সাথে আমার অনেক কথা আছে।

আমরা না যাওয়ার জন্য একটু অন্য দিকে সরে থাকি কারন রাতও অনেক হয়েছে তাই এম পি সাহেব চলে গেলে আমরাও চলে যাবো পরে আবার এসে এম পি সাহেবের সাক্ষাতকার নিবো, সবার সাথে কথা বলে এম পি সাহেব গাড়ীতে উঠলেন আমরা একটু দূরে সরে থাকলাম কিন্ত স্মার্ট এম পি সাহেব এবার গাড়ী থেকে নেমে এসে আমাদের খুঁজে বেড় করে অনেকটা জোর করে গাড়ীতে তুলে নিলেন, আর গাড়ীতে তার দীর্ঘ সাক্ষাতকার দিলেন, সাক্ষাতকার এর আগের কিছু কথা না বললে নয়, তিনি গাড়ীতে করে আমাদের নিয়ে গেলে ছলিমপুর এক বিয়ের অনুষ্ঠানে, সেখানে গিয়ে দেখা পেলাম এম পি সাহেবের চাচা, চট্রগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র জনাব মঞ্জুর আলম, তিনি আমাদের দিকে  হাত বাড়িয়ে দিয়ে কুশলাদি জিজ্ঞেস করলেন ফটো তুললেন,

বিয়ে বাড়ীতে গিয়ে দেখলাম এম পি সাহেব নিজের হাতে অনেককে খাওয়ালেন, এলাকার জনগন কে দেখলাম এম পি সাহেবের প্রতি অত্যন্ত খুশি, অনেকে আমাদেরকে বলে বসলেন আগামি নির্বাচনে আমরা এম পি সাহেবের সাথে আছি, যদিও এতদিন ভূল বুঝে এম পি সাহেবের বিরোধীতা করেছিলাম, এখন আমাদের ভূল ভেঙ্গে গেছে, এম পি সাহেব ভালো মানুষ, এলাকায় শান্তি এসেছে কোন চাঁদাবাজি নাই।

আমরা ছলিমপুর থেকে আবার এম পি সাহেবের গাড়ীতে করে আসলাম চট্রগ্রাম সিটিতে আরেক বিয়ে বাড়ীতে, আর আসার পথে গাড়ীতে ওনার আবার সাক্ষাতকার নিলাম, সিটির বিয়ে বাড়ীতে গিয়ে বুঝলাম এটা এম পি সাহেবের কোন আত্মীয়ের হবে এখানে আমাদের জন্য বিশেষ ভাবে আপ্যায়নের ব্যবস্থাও করা হয়েছে, আর রাত ও অনেক হয়েছে তাই অনেকটা না বলে আস্তে করে আমরা না খেয়ে চলে এসছি, কিন্ত এর ভিতর এম পি সাহেব দুইবার ফোন দিলেন, বললাম আমাদের খাওয়ার সময় নাই, আরেকটা এসাইনমেন্ট আছে তাই চলে এসেছি এই জন্য দুঃখিত।

মাননীয় সংসদ  সদস্যের সাক্ষাতকারটি নির্মে হবহু তুলে ধরা হলো।

জনতার নিউজঃ-

আত্যন্ত দুর্যোগের মুহুর্ত্বে আপনাকে সীতাকুণ্ড আসনের নমিনেশন নিয়েছেন, আজকে ৩ বছর পুর্তি হলো, আপনি এলাকার জনগনের জন্য কি কি কাজ করেছেন, আর দলের জন্য কি করেছেন ?

দিদারুল আলম এম পিঃ-

আপনাকে ধন্যবাদ, দেখুন তখনকার সেই দূর্যোগ মুহুর্ত্বে জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে বিশ্বাস করে, নমিনেশন দিয়েছেন, এখানে সেই সময়ে অত্যন্ত প্রতিধন্দিতা মূলক নির্বাচন হয়েছে, অনেকে এম পি নমিনেশন না পেয়ে  আমাকে হারানোর জন্য মশালে ভোট দিয়েছে, অনেকে নিজের মেয়েকে স্বতন্ত্র হিসেবে দাঁড় করিয়েছিলেন এটার প্রমান আপনারা সিটি কর্পোরেশন এলাকা বাদে সীতাকুণ্ডে ৮৪টা ভোট কেন্দ্র আছে সেখানে খবর নিলে জানতে পারবেন।,দেখুন অনেকে জনপ্রতিনিধি হয়েছেন, এরা কি নিজের টাকা খরচ করে জনপ্রতিনিধি হয়েছে নাকি জনপ্রতিনিধি হয়ে আওয়ামীলীগকে বিক্রি করে টাকা কামিয়েছে, আপনারা সেই খবর নেন, আমি কোন ব্যক্তিলীগ পছন্দ করিনা, কারন আমাকে বিশ্বাস করে বঙ্গবন্ধু কন্যা দায়িত্ব দিয়েছেন তাই আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারন করে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য নিজের পকেটের টাকা খরচ করে জনগনের জন্য কাজ করে যাচ্ছি, কারন নেত্রী আমাকে যে বিশ্বাস করে  দায়িত্ব দিয়েছে আমি অক্ষরে অক্ষরে সেই দায়িত্ব পালন করতে চাই, আমি মনে করি আমি আমার এলাকার উন্নয়নের জন্য, সন্ত্রাস ধমনের জন্য, মাদক ও চাঁদাবাজি বন্ধের জন্য যে কাজ করেছি তার সুফল জনগন এখন পাচ্ছেন,

জনতার নিউজঃ-

আপনি জানে যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণা করেছেন আর এটা নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেস্টা জনাব সজিব ওয়াজেদ জয় রাতদিন কাজ করে যাচ্ছেন, যার সুফল এখন জনগন পাচ্ছেন,  আপনি কি আপনার অফিস ও এলাকার স্কুলকে ডিজিটাল করবেন ?

দিদারুল আলম এম পিঃ-

আমার যে অফিসের কথা বলছেন, সেটা দিয়ে কি হবে এখন ফেসবুকের রাজনীতি চলে, মোবাইলে সব কিছু চলে এসেছে এমনকি আমার সারে পাঁচ বছরের বাচ্চাও ডিজিটাল বুঝে ও মোবাইল চালাতে পারে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সু_যৌগ্য সন্তান জনাব সজিব ওয়াজেদ জয় এর অক্লান্ত পরিশ্রমের সুফল আজকে জনগন পাচ্ছেন, আমি সরাসরি জনগনের সাথে মোবাইলে কথা বলি, ফেসবুকে যে কেউ প্রশ্ন করলেও আমি সরাসরি উত্তর দেই কারন আমার উত্তর তো অন্য কেউ দিতে পারবে না, সেই জন্য আমি আমার অফিসে কম্পিউটার দিচ্ছি না তবে আমার এলাকার স্কুল গুলাকে আমি ডিজিটাল করে যাচ্ছি, আমার এখানে প্রায় ৯৮ টা প্রাইমারী স্কুল তার মধ্য  ৩৪টা আমি ডিজিটালের আওয়তায় নিয়ে এসেছি। এছাড়া পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ইউনিয়নের  সকল প্রাইমারী ও হাই স্কুল গুলাকে ডিজিটার করবো

জনতার নিউজঃ-

আপনি নিশ্চয় জানেন, যে বর্তমান সরকারে ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে www.amarmp.com একটা প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে যেখানে সকল এম পি মহোদয় গনের যাবতীয় তথ্য, ও সংসদ সচিবালয়ে দেওয়া আপনাদের সকলের সম্পদ ফোন নাম্বার দেওয়া আছে, জনগন বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে তার এলাকার এম পি সাহেবের তথ্য জানতে পারবেন এবং www.amarmp.com এর মাধ্যমে যার যার এলাকার সংসদ সদস্যদের প্রশ্ন করতে পারবে, আপনাকে এই সাইটে প্রশ্ন করলে কি উত্তর পাওয়া যাবে ??

দিদারুল আলম এম পিঃ-

দেখুন আমার নিজের ইমেইল আছে, জনগনের জন্য মোবাইল সব সময় খোলা রাখি, যে কেউ আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারে, আর হাঁ আমার এম পি ডটকম থেকে যদি কেউ আমাকে প্রশ্ন করে তাহলে আমি সাথে সাথে তার উত্তর দিব, কারন আমাকে করা প্রশ্নের উত্তর তো অন্য কেউ দিতে পারবে না, আপনি যে আমাকে প্রশ্ন করছেন, তার উত্তর তো আমি নিজেই দিচ্ছি ঠিক একই ভাবে যদি কেউ আমার এম,পি ডটকমের মাধ্যমে আমাকে প্রশ্ন করে আমি নিজেই সরাসরি তার উত্তর দিব। অনেক এম পি কে নির্বাচনের পরে ঠিক মত জনগন পাই না আমি ঢাকা মূখি না আমি এলাকা মূখি আমি দেশে থাকলে সব সময় জনগনকে নিয়েই থাকি কারন জনগন আমাকে ভোট দিয়েছে তাদের সেবা করার জন্য, তাদের যে কোন সমস্যা আমার সাধ্যমত সমাধা করার চেস্টা করি,

জনতার নিউজঃ

আপনি এলাকার জন্য অনেক কাজ করে যাচ্ছেন, কিন্ত সেই হিসেবে আপনার প্রচার নাই, আপনার ভালো কাজের প্রচার থাকলে আরেক এলাকার এম পি হয়ত আপনার কাজ দেখে উদ্ভোধ্য হতেন এতে দেশের ও দলের উপকার হতো, কারন আওয়ামীলীগের উন্নয়নের প্রচার তেমন একটা নাই তবে আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বেশি হচ্ছে সে হিসেবে আপনাদের আরো ব্যাপক প্রচার মূখি হওয়া উচিত নয় কি ?

দিদারুল আলম এম পিঃ-

দেখুন জননেত্রী সারা দেশের এলাকা ভাগ করে এম পি নমিনেশন দিয়েছেন, যার যার এলাকার জনগনকে সচেতন করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ঘরে ঘরে পৌছে দেওয়া প্রতিটা এম পি,র দায়িত। আমিত সারা দেশে প্রচার করতে পারবো না চট্রগ্রাম এ ৩/৪ টা পেপার আছে, ১৬ জন এম পি আছে, প্রতিদিন সব এম পি,র খবর তো পত্রিকায় আসে না, আমার দায়িত্ব হচ্ছে আমার এলাকার জনগনের কাছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাণী ও কর্মকান্ড পৌছে দেওয়া তাছাড়া আমার এলাকার অনেক মুরুব্বী আছেন যারা ডিজিটালের আওতায় আসে নাই, অনেকে পেপার ও পড়ে না তাই আমি আমার এলাকার ৯০ টা ওয়ার্ড কে ৩০ ভাগে ভাগ করেছি প্রতিটা এলাকায় গিয়ে আমি মুরুব্বীদের সাথে উঠান বৈঠক করে আমার নেত্রীর বাণী ও উন্নয়নের খবরা খবর পৌছে দিয়ে তাদের সমস্যার কথা শুনে তা সাধ্য মত সমাধান করার চেস্টা করে যাচ্ছি।

শুনেন আপনি নিজেও একজন সাংবাদিক,আর সাংবাদিকরা দলমতের উর্ধে তাই আমি কোন সাংবাদিকের নাম  না বলে একটা কথা বলি কিছু মনে করবেন না এখন অনেকে নতুন আওয়ামীলীগ হয়েছেন, নানান কর্মকরে টাকা কামিয়ে বিভিন্ন সাংবাদিকদের ২-৫ হাজার টাকা দিয়ে আত্মপ্রচার করে যাচ্ছেন, আমি কাউকে কোন টাকা দিয়ে কোন প্রকার প্রচার করি না, কারন আমি সেই টাকা এলাকার  গরীব মানুষকে দেই, তাছাড়া এলাকার যে কোন গরীব মানুষের ছেলে-মেয়ের বিয়েতে আমি আমার সাধ্যমত নিজের পকেটের টাকা দিয়ে সাহায্য করি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এই দেশ স্বাধীন হয়েছে, তার সুযৌগ্য কন্যার নেতৃত্বে আজকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, অপ্ল কিছুদিনের মধ্য আমরা মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বিশ্বের কাছে মাথা উচু করে দাঁড়াবো, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি, তাই তার পক্ষে উন্নয়নের কাজ মানুষের সেবা করার কাজ করে যাচ্ছি, আর আপনি শুধু সাংবাদিক নয় আপনি একজন সাবেক ছাত্রনেতা, আপনি আমার এলাকার মানুষ, আমি আপনার এলাকার জনপ্রতিনিধি, আপনার ও নৈ্তিক দায়িত্ব জননেত্রীর সেবার কথা আমার এলাকার কথা ব্যাপক ভাবে প্রচার করা।

জনতার নিউজঃ-

মাননীয় সংসদ সদস্য আপনি জানে কি আপনার দাদা একজন  খাঁটি আওয়ামীলীগ নেতা ছিলেন, বঙ্গবন্ধুর সাথে কাজ করেছেন ?

দিদারুল আলম এম পিঃ-

আমি জানি আর আপনার মত কিছু লোক জানে অথচ এলাকার কিছু কিছু লোক আছে যারা আমাকে জামাত বানিয়ে দিয়ে প্রকারান্তে দলের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছেন, আমার দাদা আওয়ামীলীগ যে দিন প্রতিষ্ঠা হয়েছিল সেদিন থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন তিনি আমাদের মুরুব্বী বর্তমান আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপদেস্টা সাবেক গনপরিষদ সদস্য সাবেক এম পি জনাব ইছাক মিয়া সাহেবের সাথে গনপরিষদ সদস্য ছিলেন আমার নেত্রী আমার উপরে যে বিশ্বাস রেখে আমাকে দলের নমিনেশন  দিয়েছেন, আমি তার সন্মান রেখে আমার দাদার মত আজীবন দলের জন্য, এলাকার মানুষের জন্য সচ্ছতা ও সততার সহিত কাজ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের সন্মান উজ্জ্বল করতে যা যা করা দরকার তা করে যাবো, আমি সীতাকুণ্ডের  সংসদ সদস্য হিসেবে  আমার এলাকাকে সন্ত্রাস মুক্ত, মাদক মুক্ত ও জামাত মুক্ত করেই ছাড়বো ইনশাআল্লাহ। আমা

চলবে……… আরো অনেক গুরুত্বপুর্ণ তথ্য পরবর্তি কিস্তিতে থাকবে……

 

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here