সিলেটের ওসমানীনগরে ছাত্রদলের দু’ গ্রুপে সংঘর্ষ আহত শতাধিকঃ কমিটির কার্যক্রম স্থগিত.

সিলেট প্রতিনিধিঃ হাসান রাহমান মারজান

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে সিলেট-২ নির্বাচনী এলাকার প্রবেশ মুখ শেরপুর টোল প্লাজায় বরণ করতে গিয়ে ছাত্রদলের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ হয়েছে।এতে কমপক্ষে ছাত্রদলের উভয় পক্ষে শতাধিক আহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর ওসমানীনগরে ছাত্রদলের কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।তাৎক্ষনিক সভার প্রধান অতিথি সাবেক এমপি এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রশিদী লুনা বিএনপি নেতা-কর্মীদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে ওসমানীনগর থানা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটিকে স্থগিত ঘোষনা করেন বলে বিএনপির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। ওসমানীনগর থানা ছাত্রদলের আহবায়ক সৈয়দ ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক রুমেল আহমদের গ্রুপের মধ্যে মঞ্চে স্থান দখল নিয়ে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।আহতরা হচ্ছেন থানা বিএনপি নেতা নিজাম উদ্দিন সিদ্দেকী, আব্দাল মিয়া, শিহাবুর রহমান, ছাত্রদলের আহবায়ক সৈয়দ মোফাজ্জল আলী, ছাত্রদল নেতা আজাদ আহম,আব্দুস সামাদ মাহবুব, মুহিবুর রহমান, এমদাদুর রহমান, জাহাঙ্গির আলম ছাড়া তাৎক্ষনিক অনান্য আহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। জানা যায়, বেগম খালেদা জিয়ার সিলেট আগমন উপলক্ষে গতকাল রাতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শেরপুর টোল প্লাজায় বালাগঞ্জ -বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর থানা বিএনপিও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সভাবেশে প্রধান অতিথি বিএনপির নিখোঁজ নেতা এম ইলিয়াস আলীর পত্নী তাহসিনা রশিদি লুনাকে মহাসড়কের নাজিরবাজার এলাকা থেকে মটোর সাইকেল শোভাযাত্রা দিয়ে সমাবেশ স’লে উপসি’ত হয়ে মঞ্চে উঠাকে কেন্দ্র করে ওসমানী নগর থানা ছাত্রদলের রুমেল ও আহবায়ক সৈয়দ মোফাজ্জল আলী গ্রুপের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। প্রায় অর্ধ ঘন্টা সংঘর্ষে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনসহ উভয় গ্রুপের প্রায় দেড় শতাধিক লোকজন হন।পরবর্তীতে থানা পুলিশ ও অনুষ্ঠানের অতিথিসহ বিএনপির সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।তারা তাৎক্ষনিক উভয় গ্রুপের নেতাদের ডেকে নিয়ে ওসমানীনগর থানা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির কার্যক্রম স্থগিত ঘোষনা করেন। বিএনপির একাধিক নেতা জানান, ছাত্রদলের উভয় গ্রুপই সমাবেশের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে সংঘর্ষের সৃষ্টি করে ।তাই কমিটির কার্যক্রম স’গিতের ঘোষনা মৌখিক ভাবে দেওয়া হয়েছে। ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ জুবের আহমদ দু-গ্রুপের সংঘর্ষের সত্যাতা স্বীকার করে বলেন, থানা পুলিশ ও বিএনপির নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। তবে এ ব্যাপারে থানায় কোন লিখিত অভিযোগ আসেনি।image_56594

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here