Mushfiq-1

মুশফিকের অধিনায়কোচিত ব্যাটিংয়েই ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। ছবি: শামসুল হকশুরুর মতো শেষটাও খুব একটা ভালো হলো না বাংলাদেশের। মাঝখানে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম আর নাঈম ইসলামের ১৫৪ রানের লড়াকু জুটিটার সুবাদেই স্কোরবোর্ডে যোগ হলো ২৬৫ রান।
৪৫তম ওভারে নাঈম আউট হওয়ার পর শেষ ছয় ওভারে বাংলাদেশ হারিয়েছে চারটি উইকেট। স্কোরবোর্ডে যোগ হয়েছে ৩৩ রান। এর মধ্যে ১১ রানই এসেছে শেষ ওভার থেকে।
দলের বিপর্যয়পূর্ণ মুহূর্তে যথার্থ অধিনায়কের মতোই ব্যাটিং করেছেন মুশফিকুর রহিম। মাত্র ২৫ রানেই তিন উইকেট হারানোর পর দলকে নিয়ে গেছেন ভালো অবস্থানে। নিজেও চলে গিয়েছিলেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতকটির খুব কাছাকাছি। কিন্তু শেষপর্যন্ত মাত্র ১০ রানের আক্ষেপ নিয়েই সাজঘরে ফিরতে হয়েছে মুশফিককে। অধিনায়ককে বেশ ভালোই সঙ্গ দিয়েছেন নাঈম ইসলাম। ৮৪ রান এসেছে নাঈমের ব্যাট থেকে।
টসে হেরে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ প্রথম বিপদে পড়ে মাত্র ৫ রান করে তামিম ইকবাল টিম সাউদির বলে এলবিডব্লুর ফাঁদে পড়ায়। টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট হাতে বেশ কিছু রেকর্ড গড়া মুমিনুল হক কোনো বল খেলার আগেই রান আউটের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন। বাংলাদেশের স্কোর তখন ২ উইকেট ১৭। এনামুল নিজে ১৩ রান করে সাউদির দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফিরে গেলে বাংলাদেশ পড়ে যায় ভীষণ সংকটে।
সেই সংকট থেকেই দলকে উদ্ধার করছেন সদ্যই জীবনের নতুন ইনিংস খোলা অধিনায়ক। হবু স্ত্রীর সামনে নিজের লড়াকু পরিচয়টি খুব ভালোভাবেই দেখিয়ে দিলেন মুশফিক। ৯৮ বলে ৯০ রানের ইনিংসটি খেলার পথে মেরেছেন আটটি চার ও দুইটি ছয়। ফিফটিও ছুঁয়েছেন চার মেরে। চতুর্থ উইকেটে মুশফিক আর নাঈমের ১৫৪ রানের জুটিটা বাংলাদেশের তৃতীয় সেরা জুটি। ২০০৬ সালে ফতুল্লায় কেনিয়ার বিপক্ষে চতুর্থ উইকেটে ১৭৫ রান তুলেছিল হাবিবুল বাশার ও রাজিন সালেহর জুটি।

শেষপর্যায়ে মাহমুদুল্লাহর ২৯ ও আব্দুর রাজ্জাকের ১২ রানের ছোট ইনিংস দুটির সুবাদে স্কোরবোর্ডে ২৬৫ রান জমা করে বাংলাদেশ।

Mushfiq-1

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here