pmnewsজাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য প্রদানকালে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির উত্থান আর কখনো বাংলাদেশে ঘটবে না।

১৫ অগাস্ট জাতির জনককে হত্যার দিনে জন্মদিন উদযাপন করায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘বিকৃত মানসিকতার’ বলেও আখ্যায়িত করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হাসিনা।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপরীত ধারায় পরিচালিত করার ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরে তার সঙ্গে জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হলেও জিয়া ক্ষমতা দখল করে তা বন্ধ করে দেয়।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জিয়ার সম্পৃক্ততার প্রমাণ হিসেবে আত্মস্বীকৃত খুনি ফারুক রহমান এবং আব্দুর রশীদের বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারের কথা তুলে ধরেন হাসিনা।

মোশতাক আহমেদের সঙ্গে জিয়ার যোগসাজশ ছিল দাবি করে তিনি বলেন, “খুনির সাথে খুনির সখ্য না থাকলে কী সেনা প্রধান করে? মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়া পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেছিল। আসলাম বেগের চিঠি থেকেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়।” মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী দল জামায়াতে ইসলামীকে পৃষ্ঠপোষকতার জন্য খালেদা জিয়াকেও দায়ী করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী। সেইসঙ্গে খালেদার সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর যোগাযোগ ছিল দাবি করে তিনি বলেন, “পাক সেনাকর্মকর্তা জানজুয়া মারা গেল, তিনি তখন রিটায়ার করেছেন, সে একাত্তরে গণহত্যার সাথে জড়িত- সম্পর্ক কত গভীর থাকলে শোকবার্তা পাঠাতে পারে। আপনারা একটু চিন্তা করবেন?”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচন ঠেকানোর নামে শত শত মানুষকে হত্যা করেছে। খুন করে যেন তার নেশা মেটে না। ঠিক যেভাবে তার প্রভু পাক হানাদার বাহিনী হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল।”

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মতিয়া চৌধুরী ও সাহারা খাতুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল-আলম হানিফ ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সংসদ সদস্য একেএম রহমতউল্লাহ, ফজলে নূর তাপস ও কামাল মজুমদার প্রমুখ।

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here