quadernews

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশের হাইওয়েগুলোতে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসে জাল, ভুয়া ড্রাইভিং লাইসেন্সধারী গাড়িচালক যান্ত্রিক ত্রুটিপূর্ণ, রংচটা, চলটা উঠা, ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়েছে এবং এসবের বিরুদ্ধে বিআরটিএ এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। গত ১০ নভেম্বর থেকে ঢাকাসহ সারাদেশে ফিটনেসবিহীন ও অবৈধ যানবাহন এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন গাড়িচালকদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি মঙ্গলবার সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

সরকারি দলের আমিনা আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে জাতীয় মহাসড়কের ২২৭টি দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ৩১টি ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ১০টি স্থানে রোড ডিভাইডার নির্মাণসহ ৪ লেনে উন্নীত করার কাজ চলমান রয়েছে। জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কের ১৫টি স্থানে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কাজ সাসেক রোড কানেকশন প্রজেক্ট ইমপ্রুভমেন্ট অব জয়দেবপুর-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা রোড টু ৪ লেন হাইওয়ে শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় গ্রহণ করা হবে। এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনা রোধে রাস্তা প্রশস্তকরণ, হার্ড সোল্ডার নির্মাণ, রোড ডিভাইডার নির্মাণ করাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক নিরাপত্তা ট্রাফিক আইন ও সচেতনতামূলক বিষয়ে পেশাজীবী গাড়িচালকদের নিয়মিতভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। ২০০৯ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত ১ লাখ ৭ হাজার ৪০৫ জন গাড়িচালককে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ২০০৯ সাল থেকে চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত সড়ক নিরাপত্তা ও গণসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক শ্লোগান সম্বলিত বিভিন্ন ধরনের ৮ লাখ ৮৬ হাজার লিফলেট এবং ১৫ লাখ ১৪ হাজার ৫শ’টি স্টিকার বিতরণ করা হয়েছে।

সরকারি দলের কামাল আহমেদ মজুমদারের এক প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ঢাকা মহানগরীতে বৈধ যানবাহনের সংখ্যা ৮ লাখ ৫৩ হাজার ৩০৪টি। এর মধ্যে বাস ২১ হাজার ৬১৬টি, মিনিবাস ৯ হাজার ৯০৪টি, মোটরকার ২০ লাখ ৩০ হাজার ৩৩টি, মোটরসাইকেল ৩ লাখ ৩১ হাজার ৭৪৭টি এবং অন্যান্য যানবাহন ২ লাখ ৮৭ হাজার ৫টি।

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here