pm newsপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভূ-কেন্দ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি সমুদ্রভিত্তিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রম-তথা ব্লু ইকোনমি আমাদের সামনে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। সেজন্য সমুদ্র ও সমুদ্র সম্পদের অপার সম্ভাবনাকে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কাজে লাগিয়ে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। সমুদ্রের জলরাশি এবং তলদেশে বিদ্যমান জানা-অজানা জৈব ও খনিজ সম্পদের ভাণ্ডার উত্তোলনে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করতে শিল্পোন্নত দেশগুলোর সহায়তা নিতে হবে।

‘ব্লু ইকোনমি ব্যবহার করে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কর্মশালার উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্থানীয় একটি হোটেলে এই কর্মশালার আয়োজন করছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিত, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান, পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, মত্স্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী সায়েদুল হক, বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সহকারী মহাপরিচালক আর্নি এম ম্যাথিসেন। এই আন্তর্জাতিক কর্মশালায় প্রায় ২০টি দেশের ৩২ জন গবেষক ও বিশেষজ্ঞ অংশ নিচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে সমুদ্র ও সমুদ্র সম্পদের অপার সম্ভাবনাকে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কাজে লাগিয়ে দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, যে দেশ সমুদ্রকে যতো বেশি ব্যবহার করতে পেরেছে, সে দেশ তার অর্থনীতিকে ততো এগিয়ে নিতে পেরেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসও এর ব্যতিক্রম নয়।

প্রধানমন্ত্রী দেশের বিপুল সমুদ্রসীমা থেকে সমুদ্র সম্পদ আহরণে দক্ষ জনবল তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, সামুদ্রিক সম্পদের প্রাপ্যতা, উত্তোলন এবং ব্যবহার সম্পর্কে আমাদের পর্যাপ্ত দক্ষ জনবলের অভাব রয়েছে। সুতরাং দেশের বিপুল জলসীমা থেকে সামুদ্রিক সম্পদ আহরণে আমাদের দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, পাশাপাশি গভীর সমুদ্রে মত্স্য আহরণ এবং বঙ্গোপসাগরের তলদেশে বিদ্যমান খনিজ সম্পদের উত্তোলনেও আমাদের প্রযুক্তির অভাব রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য উত্পাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলাসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সমুদ্র সম্পদের ভূমিকা অপরিসীম।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের রয়েছে বঙ্গোপসাগরের অসীম সম্ভাবনাময় সমুদ্র সম্পদ। বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জ্বালানি নিরাপত্তায় সমুদ্রের খনিজ সম্পদের ব্যবহার, সামুদ্রিক মত্স্য সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, সমুদ্রের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরকে আমরা উন্নয়নের নিয়ামক ভূমিকায় দেখতে পারি।
দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে পুরোপুরি সমুদ্রনির্ভর উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রায় ১৩০ ডলারের জিডিপি নিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি জিডিপি’র আকারে আজ বিশ্বে ৪৪তম।
প্রধানমন্ত্রী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূর দৃষ্টিসম্পন্ন উদ্যোগের কথা স্মরণ করে বলেন, বঙ্গোপসাগরের বহুমাত্রিক বিশাল সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সমুদ্রে বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ‘দ্য টেরিটোরিয়াল ওয়াটার্স এন্ড ম্যারিটাইম জোন্স অ্যাক্ট, ১৯৭৪’ আইন প্রণয়ন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী দেশ হিসেবে সমুদ্রে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ জড়িত। বঙ্গোপসাগরে দেশের অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা ছিল মিয়ানমার ও ভারতের সাথে অমীমাংসিত সীমানা। এ বিষয়টি সবার জানা থাকলেও বিগত ৪০ বছর এ সমস্যা সমাধানে কেউ কোন বাস্তব পদক্ষেপ নেয়নি। বরং এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে জটিলতা সৃষ্টি করা হয়েছে। ফলশ্রুতিতে, প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর আপত্তির মুখে কেবল সমুদ্রসম্পদ আহরণের প্রক্রিয়াই বাধাগ্রস্ত হয়নি দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে তাঁর সরকার ২০০১ সালে আনক্লস অনুসমর্থন করে এবং এর মধ্য দিয়ে সমুদ্রে বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক বিধিবিধানকে ভিত্তি হিসেবে দাঁড় করানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়। এ প্রেক্ষাপটে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত এ বিষয় নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমা সম্পর্কিত আদালতে দায়েরকৃত মামলায় তাঁর সরকারের অব্যাহত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ মিয়ানমার ও ভারতের বিরুদ্ধে জয়লাভ করে। এতে মহীসোপান এলাকার ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত সকল প্রাণিজ ও খনিজ সম্পদের উপর বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বিনা বাধায় সমুদ্রের তলদেশ থেকে বিপুল খনিজ সম্পদ উত্তোলনের সুযোগ সৃষ্টি হয় ।

সমুদ্রপথে বাণিজ্য সমপ্রসারণে বাংলাদেশের বন্দরসমূহের গুরুত্ব প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমপ্রতি বর্তমান সরকারের প্রতিবাদের মুখে আন্তর্জাতিক মেরিটাইম ব্যুরো দীর্ঘ ২০ বছর পর জলদস্যুতার জন্য উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ তালিকা থেকে বাংলাদেশের নাম বাদ দিয়েছে। এছাড়া এ দেশের সমুদ্র এলাকায় বিদ্যমান জলদস্যুতা এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যক্রম রোধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের দক্ষতা বৃদ্ধির ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথ অবাধ বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মু্ক্ত ও নিরাপদ রাখা এবং একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল ও মহীসোপান এলাকার প্রাণিজ ও খনিজ সম্পদের অবৈধ ব্যবহার প্রতিরোধে বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং কোস্টগার্ডকে শক্তিশালী করার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এর ফলে বাংলাদেশের বন্দরসমূহে আন্তর্জাতিক জাহাজের আগমন বৃদ্ধি পাবে।
শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই বিশাল জলভাগ ও তার তলদেশ, সংলগ্ন সমুদ্র বা মহাসমুদ্রে বিদ্যমান প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদের যথাযথ ব্যবহার করে ব্লু ইকোনমি’র টেকসই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার পদক্ষেপ নেয় অত্যন্ত সময়োপযোগী।

তিনি বলেন, এ সকল সম্পদের প্রাপ্যতা, উত্তোলন ও ব্যবহারের পাশাপাশি গভীর সমুদ্রে মত্স্য আহরণ এবং বঙ্গোপসাগরের তলদেশে বিদ্যমান খনিজ সম্পদের উত্তোলনে বাংলাদেশের প্রযুক্তির অভাব রয়েছে। এ জন্য এসব ক্ষেত্রে দক্ষ জনবল তৈরির জন্য বর্তমান সরকারের উদ্যোগে ইতোমধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সমুদ্রবিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষাদানের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কক্সবাজারের রামুতে গড়ে উঠছে দেশের প্রথম “সমুদ্র-বৈজ্ঞানিক সমপ্রদায়”। এছাড়া শিল্পোন্নত দেশসমূহের সহায়তায় এসকল ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারের বিষয়েও উদ্যোগ নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

শেখ হাসিনা পৃথিবীর সর্ববৃহত্ ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন রক্ষায় বঙ্গোপসাগরের অপরিসীম অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেন, আনক্লস’র সদস্যরাষ্ট্র হিসেবে বঙ্গোপসাগরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বর্তমান সরকার সচেতন রয়েছে। এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশের সাথে সম্মিলিতভাবে বঙ্গোপসাগরের নির্দিষ্ট এলাকাকে ‘মেরিটইম প্রোটেকটেড এরিয়া’ ঘোষণার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক এই কর্মশালার সাফল্য কামনা এবং আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এ সেমিনারের মাধ্যমে একটি কার্যকর সুপারিশমালা তৈরি হবে এবং যা সংশ্লিষ্ট সকলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু তাঁর বক্তব্যে বলেন, এখন আমরা যেদিকে তাকাই কেবল সম্ভাবনা দেখি। সেইসঙ্গে অনেক সমস্যাও চোখে পড়ে। এটা কেবল বাংলাদেশেই নয়। পুরো বিশ্বের চিত্র। সমুদ্র কেন্দ্রিক অর্থনীতির বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য নিয়েও উদ্বেগের কথা ভাবা দরকার। সামুদ্রিক পরিবেশের দূষণ নিয়ে উদ্বেগ ও বিপদ সম্পর্কে আমরা সচেতন রয়েছি। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলেই সরকার সুষ্ঠু পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। সরকারের পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পররাষ্ট্র এবং অর্থ মন্ত্রণালয়কে সমন্বয় সাধনের মধ্যে কাজ করা দরকার। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি জাতীয় কমিটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রয়োজনীয় অনুশাসন ও দিক-নির্দেশনা দিচ্ছে।
পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আরো বলেন, এক সময়ে আমাদের কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও লেখকদের লেখায় ও কণ্ঠে সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা বাংলার কথা শোনা যেত। তাদের কণ্ঠে আজ কখনো কখনো ভিন্ন কিছু থাকলেও মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনার কণ্ঠে সেই প্রতিধ্বনি শোনা যায়। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনক্রমে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির আমন্ত্রণে ‘আওয়ার ওশান’ সম্মেলনে সম্প্রতি আমি যোগ দেই। সেখানে জানলাম সমুদ্রের পানি নানা কারণে দূষিত হয়ে শুধু মানুষের জন্য নয়, সামুদ্রিক সম্পদেরও ক্ষতিসাধন করছে। এই মুহূর্তে কিছু করা না হলে মানুষের জন্য বসবাসযোগ্য ‘একটি পৃথিবী’ নামক গ্রহটি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে। জলবায়ু দূষণ, সমুদ্রের উষ্ণায়ন মোকাবেলা একটি বিরাট ব্যয়বহুল বিষয়। পৃথিবীতে বসবাসরত আমাদের সবার এই মোকাবেলায় অংশগ্রহণ অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিত বলেন, সমুদ্রে সীমানা নির্ধারণের পর বাংলাদেশ নতুন দিগন্ত খুঁজে পেয়েছে। এখন থেকে আমরা ব্লু ইকোনমি ব্যবহার করে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পথ খুঁজব। সেজন্য গবেষণা, তথ্য ও জ্ঞান আহরণের কাজ হাতে নিতে হবে। উপযুক্ত ও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা আমাদের অগ্রাধিকার। সেইসঙ্গে বিশেষজ্ঞ ও প্রযুক্তি সহায়তা দরকার। সেজন্যই এই কর্মশালার আয়োজন। যার মাধ্যমে তথ্য ও জ্ঞানের আদান-প্রদান সম্ভব হবে।

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, এখন থেকে বাংলাদেশ বিদেশি কোম্পানীগুলোকে গভীর সমুদ্রে প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধানের জন্য কাজে লাগাতে পারবে। সামুদ্রিক সম্পদের উপযুক্ত ব্যবহার করলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে অনেকদূর এগিয়ে যাবে। সেজন্য সব পক্ষের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ প্রয়োজন। শিল্প মন্ত্রণালয় অন্য মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। যাতে টেকসই সম্পদ আহরণ ও উন্নয়ন সাধন সম্ভব হয়। নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান বলেন, পৃথিবীর সব বাণিজ্যিক পরিবহনের ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয় সমুদ্রপথে। এতেই বোঝা যায় বিশ্ববাণিজ্য কতটুকু সমুদ্রের উপর নির্ভরশীল। নিরাপদ সমুদ্র সেজন্য খুবই প্রয়োজন। সমুদ্র পরিবহন ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নও আবশ্যক। বিদেশি বিশেষজ্ঞদের জ্ঞান থেকে আমরা নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে পারব।

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here