pmnews

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘শনিবার সন্ধ্যায় মা হিসেবে পুত্রশোকে কাতর আরেক মায়ের (খালেদা জিয়া) শোকের অংশীদার হতে গিয়েছিলাম। রাজনীতি করতে যাইনি। তবে তাদের কাছে যে আচরণ পেলাম তা প্রত্যাশিত ছিল না। সামান্যতম সৌজন্যতা বিএনপি দেখায়নি। বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে ফিরে আসতে হলো, ঢুকতে দিল না, প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে রাখলো, বেইজ্জতির ব্যাপার। এতে আমি অপমানিত হয়েছি।’

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুতে খালেদা জিয়াকে সমবেদনা জানাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার নিজের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিতে গিয়ে এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেখানে (খালেদার গুলশান কার্যালয়) বিএনপির সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তারা ইচ্ছে করলে কথা বলতে পারতেন। সেই নেতাদের চেহারা তো আমরা দেখেছি।’

তিনি বলেন, ‘তাদের কাছ থেকে এমন আচরণ আমি আশা করিনি। কারণ আমি যোগাযোগ করে গিয়েছি। সেখানে বড় গেট তো বন্ধ ছিল। অন্তত ছোট গেট খোলা থাকবে। সেটিও তালা মারা ছিল।’

জানা গেছে, উল্লিখিত প্রসঙ্গটি মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু। তার কথার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী এই অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ ‘সৌজন্যতা না দেখানো ঠিক হয়নি’ বলে যে মন্তব্য করেছেন সেই কথার প্রসঙ্গ টেনে একাধিক মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, ‘আপনার যাওয়া যথার্থ ছিল। এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি অপমানিত হননি। তার প্রমাণ হলো, জনমতের চাপে তাদের জ্যেষ্ঠ নেতা মওদুদ আহমদ বলতে বাধ্য হয়েছেন, এ আচরণ করা ঠিক হয়নি। এর মানে তারা বিরাট একটা ভুল করেছে। তাই অপমানিত আপনি হননি, অপমানিত হয়েছে তারাই।

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here