জনতার নিউজ প্রতিবেদক।

বি,এন,পির তৃণমূল নেতা কর্মিদের মধ্য হতাশার কারন হচ্ছে যে গত ৫ বছরে বি,এন,পি আন্দোলন করে সরকারের বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারেন নাই, তাদের আন্দোলনের কোন অর্জন নাই, বরন এখন যদি বি,এনপি নির্বাচনে না যায় তাহলে আওয়ামীলীগ তার মিত্রদের নিয়ে নির্বাচন করে যদি ৫০% ভাগের উপরে ভোটার উপস্থিত করতে পারেন তাহলে সেই নির্বাচন দেশে বিদেশে গ্রহন যোগ্যতা পাবে আর আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করবে, তার পরের ৫ বছরও বি,এন,পি আন্দোলন করে কিছু করতে পারবে না এতে তৃণমূল নেতা কর্মিরা আরো ব্যাপক ক্ষতি গ্রস্থ হবে, জেল জুলুম নেমে আসবে তাদের উপর।এই আতংকে আছে বেশীর ভাগ নেতা কর্মি। আর বি,এন,পির অধিকাংশ সংসদ যাদের এলাকায় গ্রহন যোগ্যতা আছে তারা সবাই যে কোন নির্বাচন পদ্ধতিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক। তারা চায় সংসদে হাজির হয়ে তাদের এলাকাবাসীর প্রতিনিধিত্ব করতে।
কিন্তু তারা পড়ে গেছেন গ্যাঁড়াকলে। পরিবারতন্ত্র দলের নেতৃত্বে জাঁকিয়ে বসেছে, তার কবল থেকে মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তাদের কোন কিছু করার উপায় নেই।বিএনপিদলীয় শুভবুদ্ধির সংসদ সদস্যরা জানেন, দলের বর্তমান নেতৃত্ব দেশের বা দলের স্বার্থে নয়, নিজেদের পারিবারিক স্বার্থে রাজনীতিতে এমন অবস্থা নিয়েছে, যা দেশের দশের এবং দলের জন্যও গুরুতর ক্ষতিকর। বিএনপি নেত্রীর একমাত্র উদ্দেশ্য, তার দুই দুর্বৃত্ত পুত্রকে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের গুরুতর অভিযোগে শাস্তি পাওয়া থেকে রক্ষা করা এবং ক্ষমতায় বসানো। অন্যদিকে বিএনপির মিত্রদল জামায়াতের মূল উদ্দেশ্য একাত্তরের যুদ্ধাপরধীদের বিচার ঠেকানো এবং বাংলাদেশকে আবার দ্বিতীয় পাকিস্তানে পরিণত করা। এ দুই অশুভ উদ্দেশ্যই বিএনপি ও জামায়াত এই দু’দলকে মৈত্রীর বন্ধনে বেঁধে রেখেছে এবং দেশের রাজনীতি সন্ত্রাস ও সঙ্কট মুক্ত হতে পারছে না।
জিয়াউর রহমান যে আদর্শ নিয়ে এই দল গঠন করেছিলেন, এখন বি,এন,পির বেশীর ভাগ তৃণমুল নেতা কর্মি মনে করেন বর্তমান বি,এন,পি এখন তার দাড়ে কাছেও নাই, তারা মনে করছেন বর্তমান বি,এনপি জামাতের সাথে একাকার হয়ে বি,এনপির মূল আদর্শ থেকে অনেক দূরে সরে গেছে।এই অবস্থা থেকে বেড় হয়ে আসতে না পারলে আগামীতে বি,এন,পির জনপ্রিয়তা কমতে কমতে শুন্যের কোঠায় নেমে আসলেও আবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। তৃণমূল নেতা কর্মিরা মনে করেন এই ভাবে চলতে থাকলে আগামীতে বি,এনপির রাজনিতি বলতে আর কিছু অবশিষ্ট থাকবে না, তখন সকল যুদ্ধাপরাধের দায়দায়িত্ব বি,এন,পির গাড়ে চেপে বসবে,

এখন বেগম খালেদা জিয়া যদি চুড়ান্ত ভাবে নির্বাচন বয়কট করেন তাহলে তিনি ৩টা সমস্যার সন্মুখিন হবেন, প্রথমতঃবি,এন।পির যাদের এলাকায় গ্রহন যোগ্যতা আছে তারা সবাই যে কোন নির্বাচন পদ্ধতিতে সতন্ত্র হিসাবে হলেও নির্বাচনে যাবে, এতে দলের ভাঙ্গন ধরবে, দ্বিতীয়ত আরেকটি গুষ্টি যারা সংস্কারবাদী হিসাবে পরিচিত তারাও বি,এন,এফ এর প্রাথী হয়ে নির্বাচন করবে এতে ভোটারের উপস্থিতির হার ভাড়বে এবং দেশে বিদেশে এই নির্বাচন গ্রহন যোগ্যতা পাবে, তার পরে তৃতীয় পর্যায়ে বি,এনপি পড়বে কঠিন সমস্যায় যে সমস্যা থেকে আর কোন দিন বেড় হয়ে আসতে পারবে কিনা সন্দেহ আছে, যেমন তার দুই সন্তানের দূর্নীতির মামলা, তার দূর্নীতির মামলা, গ্রেনেড হামলা মামলা সহ বিভিন্ন মামলায় একের পর এক রায় হতে থাকলে তখন আস্তে আস্তে বেগম খালেদা জিয়ার আশের পাশের চাটুকার সরে পরবে ঠিক তখনই হবে কঠিন থেকে কঠিনতর সমস্যা, তিনি কি নিজেকে আর তার সন্তানকে বাচাবেন নাকি পার্টির ভাঙ্গন রক্ষা করবেন। তাই এখনই সময় যদি বি,এনপি তার ভূল রাজনিতি থেকে বেড় হয়ে জামাত মুক্ত হতে পারেন তাহলে সামনে হয়ত আশার আলো দেখা যেতেও পারে, অন্যথা দিন দিন জনপ্রিয়তা কমতে কমতে এক দিন হয়ত শুন্যের কোটায় নেমে আসলে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না।

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here