গ্রীস থেকে নিজস্ব সংবাদ দাতা- মোহাম্মাদ শাজাহান:জনতার নিউজঃ

4  news১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৯তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন করেন,যুবলীগ গ্রীস শাখা।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৯তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রবি বার বিকাল ৬ টায় গ্রীসের এথেন্সের মা হোটেলে এই জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়। প্রথমেই পবিত্র কোরআন তেলয়াত ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ও তাঁর পরিবারের এবং সকল শহীদ সদস্যবর্গের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। তার পরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জীবন ও কর্মের উপরে সাধারন আলোচনা করা হয় ।আলোচনায় শুভেছছা বক্তব্য রাখেন যুবলীগ গ্রীস শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সায়মুল হাসান সায়েম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুবলীগ গ্রীস শাখার সহ সভাপতি, অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ এসোসিয়েশন (আয়েবা)র যুব বিষয়ক সম্পাদক ও দেশী গল্প বাংলা ভয়েস চ্যাট এর প্রতিষ্ঠা কামরুল হাসান কামরুল,ও যুবলীগ গ্রীস শাখার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সুমন আহম্মেদ, অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি ছিলেন যুবলীগ গ্রীস শাখার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সাবেক সফল সাধারন সম্পাদক সিলেট শাজালাল ফেডারেশন জনাব আযহারুল ইসলাম ফয়সাল।বিশেষ অতিথি ছিলেন যুবলীগ গ্রীস শাখার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য,সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জনাব শেখ হেলাল।বিশেষ অতিথি ছিলেন সর্ব ইউরোপিয়ান গ্রীস শাখার সাধারন সম্পাদক,বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রীসের দপ্তর সম্পাদক মসজিদে উসমান এর সভাপতি জনাব ইলিয়াস হোসেন হাওলাদার।বিশেষ বক্তা ছিলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফারদিন সনেট। বিশেষ অতিথি ছিলেন ৭১ এর বীর মুক্তিযুদ্ধা জনাব হুমায়ন কবির ,বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রীসের সদস্য পদ প্রাথি সিলেট শাজালাল ফেডারেশন এর উপদেষ্টা সদস্য জনাব করিম চাচা, সিলেট শাজালাল ফেডারেশন এর উপদেষ্টা সদস্য আব্দুল হাই চাচা,আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা সদস্য সিরাজ ভাই, শরীয়তপুর জেলা কমিউনিটি ইন গ্রীসের সভাপতি নুরুল ইসলাম কোতোয়াল,অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন যুবলীগ গ্রীস শাখার সাধারন সম্পাদক,গ্রীস স্রমিক জোট এর যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জনাব এস এম কামরুল হাসান সেলিম। বিশেষ বক্তা ছিলেন যুবলীগ গ্রীস শাখার সহ সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তপু ,বিশেষ বক্তা ছিলেন যুবলীগ গ্রীস শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব ক্বারী মো:সেলিম উল্লাহ,বিশেষ বক্তা ছিলেন যুবলীগ গ্রীস শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব মোহাম্মাদ সাগর ব্যাপারী।

 

শুভেছছা বক্তব্য রাখেন যুবলীগ গ্রীস শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সায়মুল হাসান সায়েম-তিনি বলেন আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৯তম শাহাদাত বার্ষিকী আজকের এই দিনে আমরা পিতাকে হারিয়েছি আজকের এই দিনে আমরা হারিয়েছি ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর ও কলঙ্কজনক অধ্যায়। দেশের স্বাধীনতাবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে ঘাতকচক্রের হাতে ধানমণ্ডির নিজ বাসভবনে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান শহিদ হন। একই সাথে শহিদ হন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশুপুত্র শেখ রাসেল,পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, সহোদর শেখ নাসের, কৃষকনেতা আবদুর রব সেরনিয়াবাত, যুবনেতা শেখ ফজলুল হক মণি ও তার অন্ত:সত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি,বেবী সেরনিয়াবাত, সুকান্ত বাবু, আরিফ, আব্দুল নঈম খান রিন্টু। এ ঘটনা কেবল বাঙালির ইতিহাসে নয়, পৃথিবীর ইতিহাসেও বিরল। হত্যাকারীদের উদ্দেশ্য ছিল শুধু একজন রাষ্ট্রনায়ককে হত্যা করা নয়, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে মুছে ফেলা এবং পরাজিত শক্তিকে পুন:প্রতিষ্ঠিত করা।তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৯তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন করতে আসায় গ্রীস যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মাদ রিপন ফকির কে ধন্যবাদ জানান,তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ও তাঁর পরিবারের এবং সকল শহীদ সদস্যবর্গের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন সেই সাথে গ্রীস যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মাদ রিপন ফকির তারা তাড়ি সুস্থ হয়ে দলে আবার দায়িত্ব নিতে পারেন সে জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।

1

প্রধান অথিতি জনাব আযহারুল ইসলাম ফয়সাল বলেন-
মহাত্মা গান্ধী, মার্টিন লুথার কিং, লিংকন, লুমুম্বা, জন এফ কেনেডি, ইন্দিরা গান্ধী পর্যন্ত রাজনৈতিক হত্যাকা-ের শিকার হয়েছিলেন। কিন্তু কাউকেই বঙ্গবন্ধুর মতো সপরিবারে পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হয়নি। এদিন ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী শেখ ফজিলাতুনন্নেছা মুজিব, ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামালসহ ২২ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এমনকি বঙ্গবন্ধুর শিশুপুত্র শেখ রাসেলও এই নির্মম হত্যাকা-ের শিকার হন। যে কাজটি বর্বর হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীও করার সাহস করেনি, সেটিই করলো এ দেশের কিছু কুলাঙ্গার। স্বাধীনতাবিরোধী দেশি-বিদেশি চক্রের ষড়যন্ত্রের শিকার হলেন স্বাধীনতা আন্দোলনের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গঠন করতে দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছিলেন তখনই ঘটানো হয় এ নৃশংস ঘটনা।পরিসমাপ্তি ঘটে একটি ইতিহাসের। সে থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম বাংলার আকাশ-বাতাস-মানুষের মন থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছে ষড়যন্ত্রকারী ঘাতকরা। যা কোনো দিন হয়নি, হবেও না। পৃথিবীতে বাঙালি জাতি যতদিন থাকবেÑ ততদিনই থাকবে বঙ্গবন্ধুর নাম, তার কর্ম। ২০০৯ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক ৫ খুনির ফাঁসি কার্যকর হয়। এর ফলে দীর্ঘদিন পর কলঙ্কমুক্ত হয় বাঙালি জাতি। বুক থেকে নামে শোকের AkÖyaviv | আসুন আমরা বঙ্গবন্ধুকে হারানোর শোককে শক্তিতে রূপান্তর এবং দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করি। জাতির জনক ‘সোনার বাংলা’র স্বপ্ন দেখেছিলেন। আমাদের দায়িত্ব হবে দেশকে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করে জাতির জনকের সেই স্বপ্ন পূরণ করা। তা হলেই তার আত্মা শান্তি পাবে এবং আমরা এই মহান নেতার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে পারবো। অনেক কষ্টের ফসল এই গ্রীস যুবলীগ, প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই আমাদের গ্রীস যুবলীগ নিয়ে রাজনীতি করতে থাকে কিছু কিছু গ্রীস আওয়ামীলীগ নেতা,তাদের মধ্যে একজন গ্রীস আওয়ামীলীগের নামধারী সভাপতি শেখ কামরুল ইসলাম তিনি আমাদের প্রানের সংগঠন কে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আওয়ামীলীগ গ্রীস শাখা বানিয়েছেন।তিনি সব সময় গ্রীস যুবলীগ গ্রীস আওয়ামীলীগ কে তার নিজের কাজে ব্যাবহার করতে চায়।যখন ই তার নিজের কাজে ব্যাবহার হতে রাজি না হয় তখন তিনি সেই লোকটাকে অপমান করে বাহির করে আরেক জন তৈরি করে ফেলেন,আমি জানতে চাই তিনি কে? তিনি একজন দালাল গ্রীসে দালালি হুন্ডি কোন অবৈধ কাজ তিনি করেন না।তিনি হুশিয়ার করে বলেন সাবধান গ্রীস যুবলীগ নিয়ে ছিনি বিনি খেলার চেষ্টা করবেন না তাহলে ভাল হবে না আপনার ওই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আওয়ামীলীগ গ্রীস শাখা বেশি দিন থাকবেনা সঠিক নেতৃত্ব অবশ্যই আসবে আপনার নোংরা রাজনীতির দিন শেষ,তিনি বলেন গ্রীস আওয়ামীলীগের নামধারী সভাপতি শেখ কামরুল ইসলাম ও রেহান খান আপনারা কোণ সংবিধানের বলে গ্রীস যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মাদ রিপন ফকির কে বহিস্কার করার ক্ষমতা রাখেন?সংবিধান বুঝেন?জাতীয় শিশু কিশোর দিবস ২০১৪ ও বঙ্গ বন্ধুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে, লাখো কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত অনুষ্ঠান সহ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০১৪ অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর সৈনিকেরাই অংশ গ্রহন করে কারন তারা বঙ্গবন্ধুকে মনে প্রানে ভালবাসে গ্রীস যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মাদ রিপন ফকির এই অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করায় আপনারা তাকে বহিস্কার করেছেন আপনারা ২ জন প্রমান করেছেন আপনারা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আওয়ামীলীগ গ্রীস শাখা করছেন। সর্ব শেষ তিনি এই অসুস্থ শরীর নিয়ে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৯তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন করতে আসায় গ্রীস যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মাদ রিপন ফকির কে ধন্যবাদ জানান,তিনি বলেন এই হলেন খাটি মুজিব সেনা তার অসুস্ততা তাকে ধরে রাখতে পারেনি পরে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ও তাঁর পরিবারের এবং সকল শহীদ সদস্যবর্গের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ।

2

বিশেষ অতিথি শেখ হেলাল বলেন-
শোক দিবসে বেগম জিয়াকে ভূয়া জন্মদিন পালন থেকে বিরত থাকতে হবে, অন্ধকারের অতল গহ্ববর থেকে আলো পথে আসতে হবে ।তিনি গ্রীস আওয়ামীলীগের নামধারী সভাপতি শেখ কামরুল ইসলাম কে বলেন আপনার দিন শেষ আপনি ভাইয়ে ভাইয়ে মারা মারি লাগান,দলের মধ্যে সব সময় ভাগ করে রাখেন আপনার চাল বাজী আর চলবে না।আমরা গ্রীস যুবলীগ এক ছিলাম এক আছি এক থাকবো আজকে আমাদের অনুষ্ঠান দেখুন আমাদের হল কানায় কানায় ভরা আর আপনার পাশে ১০ জন ও নাই,আর যারা আছে তারা অনেকেই আওয়ামীলীগের না,তিনি আরও বলেন বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা আমরা প্রতিষ্ঠা করব। আজকের দিনে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।’অসুস্থ শরীর নিয়ে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৯তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন করতে আসায় গ্রীস যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মাদ রিপন ফকির কে ধন্যবাদ জানান,তিনি বলেন এই হলেন খাটি মুজিব সেনা তার অসুস্ততা তাকে ধরে রাখতে পারেনি পরে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ও তাঁর পরিবারের এবং সকল শহীদ সদস্যবর্গের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ।

 

বিশেষ অতিথি জনাব ইলিয়াস হোসেন হাওলাদার বলেন-
পঁচাত্তরের ১৫ ই আগস্ট জাতির জনককে হত্যার মধ্য দিয়ে জাতির আক্ঙ্খাকে খুন করতে চেয়েছিলো খুনীরা। কিন্তু তাদের সেই আশা ধুলিস্মাৎ হয়ে গেছে। ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ডকে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের ফল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি।’বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক ও অভিন্ন। বঙ্গবন্ধুকে সশরীরে হত্যা করা গেলেও তার আদর্শকে কখনও নিঃশেষ করা যাবে না। বঙ্গবন্ধু আমাদের মহান শিক্ষক। তার আদর্শ যুগ যুগ ধরে এ দেশের জনগণকে, নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। ‘১৫ই আগস্টের হত্যাকাণ্ড বাঙালি জাতির জীবনে সবচেয়ে মর্মান্তিক বিয়োগান্তক ঘটনা, যা নিষ্ঠুরতায় গ্রীক ট্রাজেডিকেও হার মানায়। কিছু উচ্ছৃখল বা বিপথগামী সেনাসদস্যের বিচ্ছিন্ন কোনো হত্যাকাণ্ড এটি ছিল না। এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত দেশি ও বিদেশি শক্তির ইন্ধনে সংগঠিত একটিপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।তিনি বলেন গ্রীসের কিছু নামধারী আওয়ামীলীগের কুলাঙ্গার আছে যারা আওয়ামীলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে চলে আপনারা তাদের কাছ থেকে সাবধান থাকবেন।গ্রীসের যুবলীগের একতা দেখে প্রান ভরে দোয়া করে তিনি বলেন আপনারা সব সময় এই ভাবে মিলে মিশে থাকেন এই কামনা করি। সর্ব শেষে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ও তাঁর পরিবারের এবং সকল শহীদ সদস্যবর্গের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ।

 

বিশেষ অতিথি বীর মুক্তিযুদ্ধা জনাব হুমায়ন কবির বলেন –
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবেচেয় নৃশংস ও লোমহর্ষক ঘটনা।১৫ আগষ্টের আসল ঘটনা তরুন প্রজন্মকে জানতে হবে,১৫ আগস্ট কেবল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়নি,এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে হত্যা করা হয়েছিল।এ কারণেই দীর্ঘ সময় ধরে যড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হতে দেয়নি। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা এ বিচার শেষ করছেন।তিনি আরও বলেন গ্রীসের আওয়ামীলীগ আজ কয়েক জনের হাতে জিম্মি তারা কারা আপনারা ভাল ভাবে জানেন,আপনারা তাদের কাছ থেকে সাবধান থাকবেন তারা আওয়ামী লীগকে দুর্বল করার জন্য দলের ভিতরে বিভাজন তৈরী করে রেখেছেন,দলের অন্যদের নেতৃত্ব দেওয়ার সকল যোগ্যতা থাকা সত্বেও দলীয় নেতা কর্মিকে অবহেলা করেন তারা আপনারা যুবলীগ আপনারাদের সবাই কে এক সাথে দেখে আমার অনেক ভাল লেগেছে আপনারা সবাই ঐক্য বদ্ধ আছেন সব সময় ঐক্য বদ্ধ থাকবেন গ্রীস আওয়ামীলীগের কোন অধিকার নেই আপনাদের ব্যাপারে নাক গলাবে।আমি আপনাদের সবাই কে চিনি আপনারা সবাই কাজ করে চলেন দল কে ভালবাসেন আমার বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসেন আমি আপনাদের জন্য দোয়া করি আপনারা আমার বঙ্গবন্ধুর সঠিক আদর্শ কে ধরে রাখবেন।

 

গ্রীস যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মাদ রিপন ফকির বলেন-আজ শোকাবহ ১৫ আগস্ট। জাতীয় শোক দিবস। বাঙালি জাতির জীবনে সবচেয়ে কলঙ্কময়,বেদনার দিন। ১৯৭৫ সালের এদিনে বাঙালি হারায় স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি,সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। এদিন কাকডাকা ভোরে বিপথগামী কিছু সেনাসদস্য ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। বাঙালি জাতির ললাটে এঁটে দেয় কলঙ্কের তিলক। যে কলঙ্ক থেকে দেশ-জাতি আজো মুক্ত হতে পারেনি। বাংলার সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ছিল অটুট বন্ধন, আত্মার আত্মীয় ছিল সবাই। প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে ছিল তার প্রতিচ্ছবি,যা এখনো জ্বল জ্বল করছে সবার মনে। তিনি ছিলেন এমন এক নেতা যার ব্যক্তিগত সম্পদ বলে কিছুই ছিল না। জনগণের জন্য সবকিছু উজাড় করে দিয়েছিলেন তিনি। জনগণের ভালোবাসাই ছিল তার একমাত্র সম্পদ। যে সম্পদ কেউ কোনোদিন কেড়েও নিতে পারে না। আর পারেনি বলেই ১৫ আগস্ট এলেই তা গভীরভাবে উপলব্ধি করা যায়। তাকে কোনো বাঙালি হত্যা করতে পারে এমন বিশ্বাস কারো মনে কোনোদিন ছিল না; যা ছিল না বঙ্গবন্ধুর মনেও। আর তাই বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও ঘনিষ্ঠজনদের শত অনুরোধ উপেক্ষা করে রাষ্ট্রপতি হয়েও বঙ্গভবনের মতো সুরক্ষিত স্থানে না থেকে সাধারণ মানুষের মতো থেকেছেন ধানমণ্ডির অরক্ষিত নিজ বাড়িতে। প্রতিটি মূহুর্ত থেকেছেন গরিব-দুঃখী মানুষের মাঝে। আর এটিই তার কাল হয়েছে স্বাধীনতাবিরোধী ওই ঘাতকচক্র হত্যা করে বঙ্গবন্ধুকে। যা ছিল পৃথিবীতেও বিরল মর্মান্তিক ঘটনা। তিনি বলেন আমি একটি সত্যি কথা বলতে চাই রাষ্ট্রদূত গোলাম মোহাম্মদ একজন সৎ ও ভাল মানুষ রাষ্ট্রদূত গোলাম মোহাম্মদ কে মিজান কামরুল অসৎ কাজে হাত করতে না পারায় রাষ্ট্রদূত গোলাম মোহাম্মদ এর বিরুদ্ধে এই সব যরযন্ত্র চলছে।আমি যখন আমার যুবলীগ গ্রীস শাখার সবাই কে নিয়ে এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াই তারা আমাকে নানান ভাবে তাদের হাত করার চেষ্টা করে ,কিন্তু আমরা কিছুতেই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেইনি মিজান কামরুল আমার পিছনে লেগে যায় ।আমাকে অন্যায় ভাবে বহিস্কার করা হয় এ নিয়ে গ্রীসে অনেক প্রতিবাদ হয় আওয়ামীলীগ দুই ভাগে বিভক্ত হয় যুবলীগ গ্রীস শাখা আওয়ামীলীগ থেকে আলাদা হয়ে যায় ।আমার অন্যায় ছিল গ্রীসের নামধারী আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ কামরুল ইসলাম, গ্রীস বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় শিশু কিশোর দিবস ২০১৪ ও বঙ্গ বন্ধুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে, লাখো কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত অনুষ্ঠান সহ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০১৪ অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকার জন্য নির্দেশ দেন।আমি গ্রীস যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মাদ রিপন ফকির তার নির্দেশ না মেনে সকল অনুষ্ঠানে যোগ দান করি এবং আমি বলি আমাদের বঙ্গ বন্ধুর জন্মদিনের অনুষ্ঠান , লাখো কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত অনুষ্ঠান সহ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০১৪ আমরা কেন যাবনা? যারা বঙ্গ বন্ধুর আদর্শ কে মনে প্রানে বিশ্বাস করে তারা কখনো এই অনুষ্ঠান থেকে বিরত থাকতে পারেনা।যারা সুবিধা বাদি আওয়ামীলীগকে কলঙ্ক করতে চায় তারাই এই সব অনুষ্ঠান থেকে বিরত থাকতে পারে,যুবলীগ এই সকল অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করায় শেখ কামরুল ইসলাম আমাকে কে বহিস্কার করার হুমকি দেয় ।এক পর্যায়ে শেখ কামরুল ইসলাম আমাকে আবার ও রাষ্ট্রদূত গোলাম মোহাম্মদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করতে বলে কিন্তু আমি যুবলীগ গ্রীস শাখার সভাপতি মোহাম্মাদ রিপন ফকির তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করি, তার পরের দিন ই সাধারন সম্পাদক রেহান খান শেখ কামরুল ইসলাম এর প্রেরিত বহিস্কার পত্র আমার হাতে দেন এবং সাধারন সম্পাদক আমার সামনে সহি করেন ।আমি যুবলীগ গ্রীস শাখার সভাপতি মোহাম্মাদ রিপন ফকির, সাধারন সম্পাদক রেহান খান কে জিজ্ঞাশা করলাম সংবিধানের কত ধারায় আপনারা আমাকে বহিস্কার করার ক্ষমতা রাখেন ? সাধারন সম্পাদক রেহান খান আমাকে বলেন সভাপতি শেখ কামরুল ইসলাম বলেছে তাই আমি সাইন করলাম ।আমি বললাম আসলে আওয়ামীলীগের সভাপতি যুবলীগ সভাপতি কে বহিস্কার করতে পারেন না সেই সংবিধান আপনাদের কি জানা নেই? যদি আপনারা সংবিধান না জানেন তাহলে আপনারা কিভাবে দল পরিচালনা করবেন ? কয়েক দিন আগে গ্রীসের কিছু ভাড়াটে গুন্ডা দিয়ে আমাকে কে হামলা চালায় আমার দলের সাধারন সম্পাদক এস এম কামরুল হাসান সেলিম ও যুবলীগের সদস্যরা আমার সাথে থাকায় হামলা থেকে বেঁচে যাই আমি, আমাকে নানান ভাবে হুমকি দিয়ে আসতেছে এই চক্রটি ।আমাকে মেরে ফেলার জন্য নানান ভাবে পরিকল্পনা করতেছে এই চক্র।আমি নিরাপত্তা হিনতায় আছি ,আমি আমার বাসায় পর্যন্ত থাকতে পারিনা ,অনেক রাতে আমার বাসার কলিং বেল টিপতে থাকে আমার পিছনে গুন্ডারা তারা করে , ১১-০৮-২০১৪ রাতে যখন আমি বাসায় ফিরি তখন গ্রীসের নামধারী আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক রেহান খান আমার উপরে হামলা করেন ।আমাকে মারতে আসেন কয়েক জন সম্মানী লোক আমার সামনে থাকায় আমি বেচে যাই।তিনি আমাকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করেন আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন ।আমি কোন মতে আমার জীবন নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে আসি। গ্রীসের নামধারী আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক রেহান খান আমার উপরে যখন হামলা করেন তখন তিনি মাতাল অবস্থায় ছিলেন তিনি আমাকে দেখে নেবার হুমকি দেন একজন মাতাল কি করে দলের সাধারন সম্পাদক হয় আপনারাই বলেন তখন সবাই এক সাথে বলে উঠেন হতে পারেনা আমরা তাদের চাইনা।তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ও তাঁর পরিবারের এবং সকল শহীদ সদস্যবর্গের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ।

toba

প্রধান বক্তা যুবলীগ গ্রীস শাখার সাধারন সম্পাদক জনাব এস এম কামরুল হাসান সেলিম বলেন-
স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৯তম শাহাদত বার্ষিকী আজ। শোকাবহ ১৫ই আগস্ট। জাতীয় শোক দিবস। জাতির জন্য কলঙ্কময় এক দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে জাতি হারিয়েছে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। এই দিনে কিছু বিশ্বাসঘাতক রাজনীতিকের চক্রান্তে কতিপয় বিপথগামী সেনাসদস্যের নির্মম বুলেটে সপরিবারে শাহাদত বরণ করেন ইতিহাসের এই মহানায়ক। সারা দেশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস হিসেবে দিবসটি পালিত হয় ।১৯৭৫ সালের এই দিনে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে নিজ বাসভবনে সপরিবারে শহীদ হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার সঙ্গে সেদিন প্রাণ হারান তার প্রিয় সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। তিন ছেলে মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল, সেনা কর্মকর্তা শেখ জামাল, শিশুপুত্র শেখ রাসেল, নবপরিণীতা দুই পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, আরও প্রাণ হারান বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই শেখ আবু নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, মেয়ে বেবি সেরনিয়াবাত, শিশু পৌত্র সুকান্ত বাবু, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার সন্তানসম্ভবা স্ত্রী আরজু মনি, নিকট আত্মীয় শহীদ সেরনিয়াবাত, আবদুর নঈম খান রিন্টু, বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিল প্রমুখ। পুরো জাতি আজ বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে এই দিনের ঘটনায় শাহাদতবরণকারী সবাইকে স্মরণ করবে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে। সেদিন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশের বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। স্বাধীন সংগ্রামের জন্য একটি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা, মরণপণ সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করা এবং স্বাধীনতার পর একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গঠনে ভূমিকা রেখে বঙ্গবন্ধু হয়ে উঠেছিলেন একটি ইতিহাস, জাতির স্বাধীন সত্তা আর ঐক্যের প্রতীক। তার ইস্পাত-কঠিন নেতৃত্বই জাতিকে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ছিনিয়ে আনার প্রেরণা যুগিয়েছিল। পাকিস্তানি শাসকদের অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম-নিপীড়ন থেকে মানুষকে মুক্তি দিয়েছিলেন তিনি। পাকিস্তানি শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৪ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঘোষণা করেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।ধীনতা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার ক্ষেত্রে তার এই আহ্বান বরণ করে নিয়েছিল স্বাধীনতাকামী বাঙালি। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের কালো রাতের নৃশংস হত্যাকা ের পর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ওই রাতেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তার ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দীর্ঘ নয় মাস তাকে পাকিস্তানের কারাগারে আটকে রাখা হয়। কারাগারে থাকাবস্থায় তার মাথার ওপর ঝুলেছিল মৃত্যুর খড়গ। তবুও স্বাধীনতার প্রশ্নে আপস করেননি মহান এই নেতা। এ কারণে পাকিস্তানের স্বৈরশাসককেও নতি স্বীকার করতে হয়েছে তার কাছে। মুক্তিযুদ্ধ শেষে বাঙালির প্রিয় এই নেতাকে তারা দেশে ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয়। সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শহীদ হওয়ার পরের ২১ বছর তার শাহাদত বার্ষিকী পালিত হয় রাষ্ট্রীয় অবহেলায়।আজ গ্রীসের মাটিতে কিছু কিছু গ্রীস আওয়ামীলীগ নেতা আছে যারা রাজাকারের সাথে মিলে গ্রীস যুবলীগকে খারাপ কাজে ব্যবহার করতে চায় তাদের মধ্যে একজন গ্রীস আওয়ামীলীগের নামধারী সভাপতি শেখ কামরুল ইসলাম ও রেহান খান তারা নিজ স্বার্থে দল কে ব্যবহার করতে চায়,গ্রীস আওয়ামীলীগের নামধারী সভাপতি শেখ কামরুল ইসলাম অনেক বার বলেছে যুবলীগ নাকি তার জন্য যুব জ্বালা,যখন খুশি তখন তিনি একেক জন সভাপতি সাধারন সম্পাদক দাড় করিয়ে দেন, কি ক্ষমতা আছে তার যুবলীগকে নিয়ে ছিনি বিনি খেলার?তিনি বলেন কামরুল ও রেহান খানের মেয়াদ শেষ তারা কিভাবে আওয়ামীলীগের সভাপতি সাধারন সম্পাদক হয়?তিনি ঘোষণা দেন যতদিন না গ্রীস আওয়ামীলীগের নতুন করে সম্মেলন না হয় যত দিন না গ্রীস আওয়ামীলীগে নতুন নেতৃত্ব না আসে ততদিন আমরা গ্রীস যুবলীগ,গ্রীস আওয়ামীলীগের সাথে কোন যোগাযোগ রাখবনা তাদের সাথে কোন অনুষ্ঠান করবোনা আওয়ামীলীগের সব অনুষ্ঠান আমরা গ্রীসে যুবলীগ একক ভাবে করবো।তিনি গ্রীস আওয়ামীলীগের নামধারী সভাপতি শেখ কামরুল ইসলাম ও রেহান খান কে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন সাবধান হয়ে যান আমার দলের নেতা কর্মিকে হুমকি দিবেন না গ্রীসের যুবলীগের একজন সদস্যর ও আপনাদের মতন কলঙ্ক নেই আমরা কাজ করে ভাত খাই আমরা আপনাদের মতন দালালি করিনা। আপনারা গ্রীসে বাংলাদেশ দুতাবাস এর মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব গোলাম মোহাম্মাদ,এর পিছনে লেগেছেন কেন? এখন উনি আসাতে আপনাদের দুই নাম্বারি কামাই বন্ধ হয়ে গিয়েছে তাই?একটা কথা মনে রাখবেন উনি আমাদের দেশের সম্মান উনি একজন ৭১ এর বীর মুক্তিযুদ্ধা, আপনাদের চক্রান্ত সফল হবেনা গ্রীসের সবাই জানে আপনারা কি করেন ।সর্বশেষে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৯তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন করতে আসায় গ্রীস যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মাদ রিপন ফকির কে ধন্যবাদ জানান,তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ও তাঁর পরিবারের এবং সকল শহীদ সদস্যবর্গের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন সেই সাথে গ্রীস যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মাদ রিপন ফকির তারা তাড়ি সুস্থ হয়ে দলে আবার দায়িত্ব নিতে পারেন সে জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।

 

যুবলীগ গ্রীস শাখার সহ সভাপতি, অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ এসোসিয়েশন (আয়েবা)র যুব বিষয়ক সম্পাদক ও দেশী গল্প বাংলা ভয়েস চ্যাট এর প্রতিষ্ঠা কামরুল হাসান কামরুল বলেন –
১৫ই আগষ্টে কেক কাটা বঙ্গবন্ধু হত্যা আনন্দের বহিঃপ্রকাশ। এটা জন্মদিন পালনের উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে না। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরে জিয়া যেভাবে আনন্দ উল্লাস প্রকাশ করেছিল, এখন খালেদা জিয়াও সে কাজটি করছেন।স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৯তম শাহাদত বার্ষিকী আজ। শোকাবহ ১৫ই আগস্ট। জাতীয় শোক দিবস। জাতির জন্য কলঙ্কময় এক দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে জাতি হারিয়েছে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এর কালো রাত্রিতে পাকিস্তানের এ দেশীয় এজেন্ট জেনারেল জিয়া- মোস্তাক চক্র রাতের অন্ধকারে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশকে যারা মেনে নিতে পারেনি তাদের সহায়তায় মহান নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। সে দিন বঙ্গবন্ধুর কনিণ্ঠ পুত্র শিশু শেখ রাসেল ও সুকান্ত বাবুর মত নিষ্পাপ দুগ্ধপোষ্যও গর্ভবতী নারী সেই হায়নাদের হাত থেকে রা পায় নি। বঙ্গন্ধুকে হত্যার পর ইমডেমনিটি এ্যাক্ট করে জাতির জনকের হত্যার বিচার রুদ্ধ করে দিয়ে ছিল আর যারা হত্যাকান্ডে অংশগ্রহণ করেছিল তাদেরকে জেনারেল জিয়া বিদেশে বিভিন্ন দুতাবাসে চাকুরী ও পদন্নোতি দিয়ে পুরস্কৃত করেছিল। ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ডের পেছনে জিয়াউর রহমানের সরাসরি সম্পৃক্ততা আজ বিশ্বভাবে সুস্পষ্ট। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের প্রথম স্বৈরাচার জিয়াউর রহমান এদেশে সন্ত্রাসের রাজনীতি কায়েম করেছিল আর তার স্ত্রী খালেদা জিয়া মতায় এসে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে পৃষ্ঠাপোষকতা দিয়ে বাংলাদেশকে সারা বিশ্বে একটি জঙ্গি ও অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার বিচার কার্যকর করার মধ্য দিয়ে এদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং তারই নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী ও খাদ্য স্বয়ংসম্পন্ন রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। স্বৈরাচার জিয়া ও তার সহধর্মীনি খালেদা জিয়ার দেশধ্বংত্মক কর্মসূচি থেকে বাংলাদেশকে একটি উদারগণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে পেরেছে গণতন্ত্রে মানসকণ্যা জননেত্রী শেখ হাসিন। নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর বিদেশী পালিয়ে থাকা বাকী খুনিদের বিদেশ থেকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে ধরে এনে ফাঁসির রায় করার জন্য এ সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।তিনি আরও বলেন আজ আমাদের এমন দুর্দিন এসেছে গ্রীস আওয়ামীলীগের নামধারী সভাপতি শেখ কামরুল ইসলাম রাজাকার জামাত শিবিরদের সাথে মিলে আমাকে হুমকি দেয় আমাকে বলে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে গ্রীসে গোসল করে পবিত্র অবস্থায় থাকিস। তিনি বলেন আমি বলতে চাই হত্যার হুমকি কাকে দেখান আমরা মুজিব সেনা আমরা আপনার মতন দালালি করিনা।আপনি আমাদের গ্রীসের আওয়ামীলীগের কলঙ্ক গ্রীস আওয়ামীলীগের নামধারী সভাপতি শেখ কামরুল ইসলাম আপনাকে একটা কথা বলতে চাই সত্যির জয় অনিবার্য।আপনি কেমন আওয়ামীলীগ এর সভাপতি যুবলীগকে যুব জ্বালা বলেন।আপনাকে বলছি যুবলীগ যুব জ্বালা না, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ বাংলাদেশের প্রথম যুব সংগঠন যা ১৯৭২ সালের ১১ই নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নির্দেশে ১৯৭২ সালের ১১ই নভেম্বর শেখ ফজলুল হক মনি কর্তৃক বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।আর আপনি সেই যুবলীগকে বলেন যুব জ্বালা,ধিক্কার জানাই আপনার মতন নেতাদেরকে।বলাটা সত্যি কষ্ট দায়ক এইতো ১৫ ই আগস্টে গ্রীস দুতাবাসে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কথা বলার সুযোগ পায়নি গ্রীস যুবলীগ ।স্খানীয় শ্রমিক জোট নেতা বক্তব্য রাখার পর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বক্তব্য রাখেন তার পর আর যুবলীগের বক্তব্য রাখার ‍সুগোগ নেই ।জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় থেকে বঙ্গবন্ধুর সংগঠন করে যদি যুবলীগ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কথা বলার সুযোগ না পায় সেখানে থেকেই বা লাভ কি ?অতপর আমরা তাৎখনিক ভাবে শান্তি পূর্ণ ভাবে দুতাবাস ত্যাগ করি ।যদিও গ্রীস দুতাবাসে কর্মরত রাজিব আহমেদ উপস্খাপনার দায়িত্বে ছিলেন রাষ্ট্রদুতের দেওয়া কপিতে যুবলীগের নামছিল কিন্তু কোন এক অদৃশ্য কারনে তা হারিয়ে গেল।দুঃখের বিষয় গ্রীস আওয়ামীলীগের নামধারী সভাপতি উপস্থিত থেকেও বিষটি দেখেনি একটা বার ফোন করে সমবেদনা জানান নি যদিও গ্রীস আওয়ামলীগের সভাপাতি যুবলীগকে যুব জ্বালা বলেন ।তাই বাধ্য হয়ে আমরা আলাদা অনুষ্ঠান করতেছি একই দিনে একই সময় দেখুন আমাদের হলে বঙ্গবন্ধুর সৈনিকদের ঢল নেমেছে আর আপনার পাশে ১০ জনই নাই।আর যারা আছে তাদের মাঝে কিছু কিছু জামাত শিবির এর মানুষ।আপনি ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে গ্রীসে আমাকে কি দেখাবেন আমি দেখার অপেক্ষায় থাকলাম। সর্বশেষ তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৯তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন করতে আসায় গ্রীস যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মাদ রিপন ফকির কে ধন্যবাদ জানান,তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ও তাঁর পরিবারের এবং সকল শহীদ সদস্যবর্গের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন সেই সাথে গ্রীস যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মাদ রিপন ফকির তারা তাড়ি সুস্থ হয়ে দলে আবার দায়িত্ব নিতে পারেন সে জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।

 

বিশেষ বক্তা ছিলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফারদিন সনেট বলেন-
বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফাঁসি নিশ্চিত হবেই,২১টা বছর এই দেশে শেখ মুজিবের নাম নেয়া হারাম ছিলো হারাম ! জিয়া, এরশাদ, খালেদা’র এই ২১ টা বছর। মানুষ আশা ছাইড়া দিছিলো, ইহজীবনে আর আওয়ামীলীগ কোনদিন ক্ষমতায় আসতে পারবে না।
আসছে না ? তোমরাই আনাইছো না ? প্রজন্ম যতো লেখাপড়া করবে, বিবেকবান হবে, তারা বুঝবে, এই দেশটা মুজিবের হাতে গড়া দেশ, মুজিবের প্রতি যে ঋন সেইটা কোনদিন শোধ করা যাবে না, এইটা প্রজন্ম যতো শিক্ষিত হবে, যতো বই পড়বে, লেখাপড়া করবে, ততো বুঝতে পারবে। তিনি বলেন শোকাবহ ১৫ আগস্টে বাঙালি জাতি বিনম্র শ্রদ্ধায় চোখের জল আর হূদয়ের ভালবাসায় স্মরণ করেছে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সকল শহীদদের।তিনি আরও বলেন আজ গ্রীসে কিছু আওয়ামীলীগ নেতা আছেন যারা গ্রীসের আওয়ামীলীগকে তামাশা বানিয়ে রেখেছে ,নিজেদের স্বার্থে তারা দলের নাম বিক্রি করছে,যুবলীগকে তারা হুমকি দিচ্ছে আসুন দেখি কার কত সাহস আছে।আপনার হুমকির দিন শেষ,আমাদের একটা যুবলীগ কর্মিকে কিছু বলে দেখেন পরিনাম কি হয়।সর্বশেষে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৯তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন করতে আসায় গ্রীস যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মাদ রিপন ফকির কে ধন্যবাদ জানান,তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ও তাঁর পরিবারের এবং সকল শহীদ সদস্যবর্গের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন সেই সাথে গ্রীস যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মাদ রিপন ফকির তারা তাড়ি সুস্থ হয়ে দলে আবার দায়িত্ব নিতে পারেন সে জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।

 

বিশেষ বক্তা যুবলীগ গ্রীস শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব মোহাম্মাদ সাগর ব্যাপারী বলেন-জাতীয় শোক দিবসে শোকাচ্ছন্ন নীরবতায় যেন থমকে গিয়েছিল গোটা বাংলাদেশ। ৩৯ বছর আগের ভয়াল সেই রাতের শোকাবহ স্মৃতি স্মরণ করেছে গোটা জাতি। জাতির পিতা হারানোর বেদনায় বাঙালি জাতি আজ শোককে শক্তিতে পরিণত করে ক্ষুধা-দারিদ্র্য মুক্ত, উন্নত-সমৃদ্ধ ও অসামপ্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার জাতির পিতার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন এবং একাত্তরের ঘাতকদের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার অঙ্গীকার বদ্ধ।তিনি গ্রীসের নামধারী আওয়ামীলীগের সভাপতি সাধারন সম্পাদক কে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন আমরা যুবলীগ আমাদের মাঝে সবার সম্পর্ক ভাইয়ের মতন আপনারা আমাদের মাঝে দেয়াল খাড়া করার চেষ্টা করবেন না।আপনারা জানেন গ্রীস যুবলীগ আপনাদের থেকে বেশি শক্তিশালী,আপনাদের মাঝে ঐক্য নেই,কিন্তু আমাদের মাঝে ঐক্য আছে আমরা সবাই এক আমাদের কে হুমকি দিয়ে লাভ হবে না,সর্বশেষে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৯তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন করতে আসায় গ্রীস যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মাদ রিপন ফকির কে ধন্যবাদ জানান,তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ও তাঁর পরিবারের এবং সকল শহীদ সদস্যবর্গের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন সেই সাথে গ্রীস যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মাদ রিপন ফকির তারা তাড়ি সুস্থ হয়ে দলে আবার দায়িত্ব নিতে পারেন সে জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন-যুবলীগ গ্রীস শাখার সহ-সভাপতি আনোয়ার ফকির,খায়রুল ইসলাম রাজা,সাংগঠনিক সম্পাদক ক্বারী মো:সেলিম উল্লাহ, যুব বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আনু,ইমিগ্রেশন বিষয়ক সম্পাদক খান জামাল,সহ কোষাধ্যক্ষ কাজী নুরুল ইসলাম,যুবলীগ নেতা এস এম শামিম,নুরুল ইসলাম,শহিদ মোল্লাম,লাল মিয়া লালু,ফারুখ মিয়া,রুবেল মিয়া,রাজু আহম্মেদ তালুকদার,জসিম,নেয়ামত,ময়না,কালাম, রকিব,আহম্মেদ তালুকদার,জসিম,নেয়ামত,ময়না,কালাম,রকিব,হান্নান,জিল্লু,কাউসার,সিরাজুল হক,এমদাদ,আসাদ, সহ আরো অনেকে।

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here