জনতার নিউজ

পুত্রবধূ খুনের ঘটনায় মাগুরার বাড়িতে শোকের মাতম

মাহমুদা খানম মিতু

চট্টগ্রামে এসপি বাবুল আখতারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু খুনের ঘটনায় মাগুরা শহরের কাউন্সিল পাড়ায় অবস্থিত বাবুল আক্তারের পৈত্রিক বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। পুত্রবধূর নির্মম এই হত্যার ঘটনায় বাবুল আক্তারের বাবা আব্দুল ওয়াদুদ ও মা শাহিদা বেগম বিলাপ করছেন আর কান্নায় ভেঙ্গে পড়ছেন।

এদিকে এ হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবেশী ও শুভাকাঙ্খিরা সমবেদনা জানাতে বাবুল আক্তারের পিতার বাড়িতে ভিড় করেন। মাগুরার পুলিশ সুপার একেএম এহসান উল্লাহ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বাবুল আক্তারের বাড়িতে গিয়ে তার শোকাহত বাবা-মাকে সমবেদনা জানান।

উল্লেখ্য, এসপি বাবুল আক্তারের বাবা পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত এস আই আব্দুল ওয়াদুদ ও মা শাহিদা বেগম, ভাই অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাবু মাগুরা শহরের কাউন্সিল পাড়ার নিজ বাড়িতে বসবাস করছেন।

শেয়ার করুন

2 COMMENTS

  1. মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নিকট মহেসখালী মাতারবাড়ী মুক্তিযোদ্বা রমিজ আহমদের চৌং বি,এ আবেদন। স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর হলে ও মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ইউনিয়নের তিতামাঝির পাড়া গ্রামের মুক্তিযোদ্বা রমিজ আহমেদ চৌং এর নাম মুক্তিযোদ্বাদের মৃল তালিকায় অন্তর ভুক্ত হয়নি। শহীদ মৃক্তিযোদ্বা ও বঙ্গবনৃধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিশ্রদ্বা নিবেদন করে এই । প্রতিবেদক কে কান্না জড়িত কন্ঠে মুক্তিযোদ্বা রমিজ আহমেদ বি,এ জানান ১৯৭১ সালের ২৭ শে মার্চ সময় পাক হানাধার বাহীনি নিরহ নিরস্ত্র বাঙ্গালীর উপর বর্র বর্র হামলা ও নির্যাতন শুরুকরে ।তখন মাতারবাড়ীর সন্তান রমিজ আহমেদ চট্রগ্রাম সরকারী সিটি কলেজ অধ্যায়ন রত ছাত্র কালুঘাট এলাকায় ব্যপক ্যুদ্ব হচেছ খবর পেয়ে,রমিজ আহমেদ বি,এ মাতৃভুমি রক্ষার্থে চট্রগ্রামের ১ নং সেক্টরে কামান্ডার রফিকুল ইসলাম এর অধীনে সত্রি্য়ভাবে পাক হানাধার বাহীনির বিরোদ্বে য়ুদ্বে অংশগ্রহণ করেন । চট্রগ্রাম যুব ক্যাম্পের অধীনে, রমিজ আহমেদ অন্যান্য মুক্তিযুদ্বাররা সহ একাধিক বহীনির বিরোদ্বে যুদ্বে অংশগ্র্হণ করেন ।অন্যান্য মুক্তিযোদ্বারা সহ একাধিক বার পান্জাবি হানাধার বিরোদ্বে সুন্মুখ যোদ্বা অংশগ্রহণ করেন বলেন ,জানান রমিজ আহমেদ অনেক ত্যাগের বিনিময়ে দেশ শতৃরু মুক্তি হবার পর নাড়ীর টানে মাতৃভুমির নিজ গ্রামের চলে আসলে । রমিজ আহমেদ, তিনি হতশায় শুরে বলেন নিজ গ্রামে এসে দেখি পান্জাবিরা আমাদের ঘর বাড়ি আগুন দিয়ে সর্বস্ব নির্স্ব করে দিয়েছে । আমার পরিবার লোকজন অন্যত্রে আশ্রয় নিয়ে কোন মতে দিন আতিপাত করে প্রাণে বেঁচে ছিল । বিভিষিকাময় কালো অধ্যায়ের করুণ বর্ণানা দিলেন মুক্তিযোদ্বা রমিজ আহমেদ ও তাহার আত্মীয় ষজন ।স্বাধীনতার ৪৫ বছর পার হলে ও আমারর নামটা মুক্তিযোদ্বাদের মৃল তালিকায় অন্তর ভৃক্ত হয়নি জীবনের শেষ প্রান্তে এসে গেছি বয়স এখন ৭৫ চলছে ,জীবন মৃতযুর সন্বিক্ষণের এই মুহুর্তে দেশ মাতৃকার লড়াকু সৈনিক হিসেবে মুক্তিযোদ্বাদের মৃল তালিকায় আমার নামটি অন্তর ভৃক্ত করতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বঙ্গবনধুর কণ্যা দেশরত শেখ হাসিনার কাছে আকুল আবেদন জানাছি। ১৯৯১ সালের প্রবল ঘৃর্ণিঝড়ে আমার বাড়ীঘর ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল । ওই সময় আমার বাড়ীতে রক্ষিত দালিলিক কাগজ পত্র লোনাপানিতে নস্ট হয়ে গিয়েছিল , একাড়েমিক সাটিফিকেটর সাথে মুক্তিযোদ্বা অংশগহণ করার সাটিফিকেট টি পেয়েছি, যাহার ক্রমিক নান্বার ১১৭৯৯৩ নাম রমিজ আহমদ চৌং,বি,এ পিতা তমমি গোলাল, মাতা,বদিজজামান গ্রাম,তিতামাঝির,পাড়া ইউনিয়ন মাতারবাড়ী উপজেলা মহেসখালী জেলা কক্সসবাজার মোবাইল ০১৭২৫৫০৫৫৬৯,ছবির ক্যাপশন রমিজ আহমেদ সাটিফিকেট ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here