newsদেশের বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটেছে। সিরাজগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধাসহ অনেক জেলায় পানির চাপে বাঁধ ধসে পড়ছে। নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ওই তিন জেলাসহ আরো কয়েকটি জেলায় তলিয়ে গেছে অসংখ্য গ্রাম। পানিবন্দী লক্ষাধিক মানুষ অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দে র বরাত দিয়ে ইত্তেফাক রিপোর্টার জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ দিন দেশের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। যমুনা নদীর পানি গতকাল সোমবার বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। ভোর ৬টার দিকে এই পয়েন্টে যমুনার পানি বিপদসীমার ১২ সেন্টিমিটার এবং সারিয়াকান্দিতে ৩৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এছাড়া বাঘাবাড়িতে আত্রাই বিপদসীমার ৯ সেন্টিমিটার, সুরমা কানাইঘাটে ৭৯ সেন্টিমিটার ও সুনামগঞ্জে ৩৫ সেন্টিমিটার এবং জারিয়াজানজাইলে কংস নদীর পানি বিপদসীমার ৭১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার নদ-নদীর পানি গতকাল সবকটি পয়েন্টে বেড়েছে। গঙ্গা অববাহিকায়ও পানি মাত্র তিনটি পয়েন্ট ছাড়া সব পয়েন্টে বৃদ্ধি পেয়েছে।

চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির ফলে সিরাজগঞ্জের চৌহালী এবং এনায়েতপুরে যমুনা নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। পানি বৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত থাকলে আজ রাতের মধ্যে সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করবে। গতকাল পানির চাপে এনায়েতপুরে নির্মিত স্পার বাঁধের ৩০ মিটার এলাকা ধসে গেছে। এতে মাত্র কয়েশ গজ দূরে অবস্থিত প্রায় ১২শ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত খাজা ইউনুছ আলী মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতাল ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে। এলাকা জুড়ে বিরাজ করছে ভাঙ্গন আতঙ্ক। খবর পেয়ে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধসে যাওয়া স্থানে বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে এর বিস্তৃতি ঠেকাতে কাজ শুরু করেন।

এদিকে ওই দুই উপজেলায় অন্তত ২০টি গ্রামে নতুন করে বন্যা দেখা দিয়েছে। বেতিল চর এলাকায় ৩ শতাধিক ঘরবাড়ি ডুবে সহস্রাধিক মানুষ পানিবন্দী জীবন কাটাচ্ছেন। টিউবওয়েলগুলো তলিয়ে থাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাব। বেতিল চরের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, সুলতান আলী, রমজান হোসেন এবং আলম উদ্দিন জানান, চরম কষ্টে দিন যাচ্ছে। গবাদি পশু ও খাবার পানি নিয়ে পড়েছি বিপাকে। কেউ খোঁজ-খবর নিতে আসেনি। কাজও নেই। এভাবে চললে অনাহারে থাকতে হবে আমাদের।

সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের এমপি মজিদ মণ্ডল জানান, বন্যায় দুর্ভোগে পড়া মানুষের প্রতি আমাদের দৃষ্টি রয়েছে। তাদের সরকারি ভাবে সাহায্য-সহযোগিতার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

কাজীপুর (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় এখানকার বিলচতল, ঢেকুরিয়া, মাইজবাড়ি, শ্রীপুর, মল্লিকপাড়া, সুতানাড়া, ফুলজোড়, চর মাইজবাড়ি, পলাশপুরসহ ১৫টি গ্রাম বন্যা কবলিত হয়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়ায় অনেকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।

গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান- তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা এবং গাইবান্ধা সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এতে ৬০ গ্রামের ২০ সহস্রাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। নতুন করে ফুলছড়ি উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের নিচু এলাকা বন্যা কবলিত হয়েছে। পানির তোড়ে গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধের ৭টি পয়েন্টে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে শহর রক্ষা বাঁধের ২০ ফুট নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া পশ্চিম কোমরনই এলাকার ২শ ফুট এলাকায় বাঁধটি মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, বাঁধ রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে বাঁশের পাইলিং বসিয়ে ও বালুর বস্তা ফেলে ভাঙ্গন রোধ করা হচ্ছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর জানিয়েছে, জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ৫টি, সদর উপজেলার ৪টি, ফুলছড়ি উপজেলার ৬টি এবং সাঘাটা উপজেলার ৩টি ইউনিয়নসহ মোট ১৮টি ইউনিয়নের ৯ হাজার পরিবার এখন বন্যা কবলিত।

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা জানান, উলিপুরে ব্রহ্মপুত্র নদ অববাহিকার সাহেবেরে আলগা ইউনিয়নসহ তিস্তা অববাহিকার গ্রামগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ২৫ হাজার মানুষ। তলিয়ে গেছে সদ্য রোপণ করা প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ক্ষেত। ১৭ লাখ টাকা ব্যয়ে সদ্য নির্মিত বজরা ইউনিয়নের চর বজরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ডেবে গেছে। এদিকে ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে গত ১ সপ্তাহের ব্যবধানে ৮ ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে ৫ শতাধিক ঘর-বাড়ী বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গনের শিকার পরিবারগুলো বাঁধের রাস্তাসহ উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ড. মুহাম্মদ মুনসুর আলম খান বলেন, বন্যা দুর্গত ও নদী ভাঙ্গনের শিকার পরিবারের তালিকা ডিসি অফিসে পাঠানো হয়েছে।

সিলেট অফিস জানায়, প্রবল বর্ষণ ও ঢল জনিত কারণে সৃষ্ট বন্যায় বৃহত্তর সিলেটের চার জেলায় অন্তত: ২৫ সহস্রাধিক লোক পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। গ্রামীণ রাস্তাঘাট ডুবে উপজেলা সদরের সাথে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। রোপা আমনের বীজ তলা, আবাদকৃত রোপা আমন ক্ষেত, আউশ ও সবজি ক্ষেতসহ মোট ১২ হাজার ৬৫৭ হেক্টর জমির ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট সদর, কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইঘাট, জৈন্তাপুর, মৌলভীবাজার সদর, কমলগঞ্জ, হবিগঞ্জের মাধবপুর, সুনামগঞ্জ সদর, দোয়ারাবাজার, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর ও ছাতক উপজেলায় ঢলে ক্ষয়-ক্ষতি বেশি হয়েছে।

গোয়াইনঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হেকিম চৌধুরী জানান, তার উপজেলায় ১০ হাজার লোক পানিবন্দী রয়েছেন। জেলা প্রশাসন থেকে মাত্র ১০ টন চাল দেয়া হয়েছে বন্যার্তদের জন্য। কিন্তু এগুলো প্রয়োজনের তুলনায় কম।

এদিকে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় সুরমা নদীর ভাঙ্গনের হুমকিতে রয়েছে উপজেলা কমপ্লেক্স। এলাকাবাসী জানান, এই স্থানে প্রতিরক্ষা কাজ না করলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত উপজেলা কমপ্লেক্সের বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।

সারিয়াকান্দি (বগুড়া) সংবাদদাতা জানান, যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় চরাঞ্চলের কাজলা, চালুয়াবাড়ী, হাটশেরপুর, কর্ণিবাড়ী, চন্দনবাইশা ও বোহাইল ইউনিয়নের চর গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে। ওই সব এলাকার ২ হাজার ৩শ’ হেক্টর জমির রোপা আমন, আউশ ও বীজতলা তলিয়ে গেছে। চরাঞ্চলের ৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যা কবলিত হওয়ায় বিদ্যালয়গুলোর ১০ সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর ২য় সাময়িক পরীক্ষা নিতে হিমসিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া পানির চাপে চন্দনবাইশা শেখপাড়ায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৩০ মিটার যমুনায় বিলীন হয়ে গেছে। বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

ধুনট (বগুড়া) সংবাদদাতা জানান, বগুড়ার ধুনটে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৫০ সেমি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বানিয়াজান স্পার বাঁধের ৫০ মিটার গতকাল সকালে ধসে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড বালির বস্তা ফেলে বাঁধে ভাঙ্গন ঠেকানোর চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নাজমুল হক। এদিকে উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের ১২টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এসব গ্রামের ২ শতাধিক বাড়ী-ঘরে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জানান, চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা, দুধকুমার, ফুলকুমারসহ বিভিন্ন নদ-নদী অববাহিকার দেড় শতাধিক গ্রাম, চর ও দ্বীপচর প্লাবিত হয়ে জেলার ২৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। তলিয়ে গেছে ২০ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ক্ষেত। বন্যা দুর্গতদের জন্য এখন পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি পর্যায় থেকে কোন ধরনের ত্রাণ সহায়তা দেয়া হয়নি।

এদিকে ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট ব্রিজটির সংযোগ সড়ক দুধকুমার নদের প্রবল ভাঙ্গনের মুখে ধসে যাওয়ায় সোনাহাট স্থল বন্দরের সাথে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। দুর্ঘটনার আশংকায় কুড়িগ্রাম সড়ক বিভাগ ব্রিজটির উপর দিয়ে সবধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক এবিএম আজাদ জানান, গতকাল ১৫০ মেট্রিক টন চাল বন্যার্তদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

জামালপুর প্রতিনিধি জানান, জেলার বিভিন্ন স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে হু-হু করে নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকছে। দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চুকাইবাড়ী ও চিকাজানী ইউনিয়ন, ইসলামপুর উপজেলার পাথর্শী, কুলকান্দি, বেলগাছা, চিনাডুলী, নোয়ারপাড়া ও সাপধরী ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ওই দু’উপজেলার অর্ধশত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বানভাসিরা আশ্রয় নিতে শুরু করেছেন। পাথর্শী ইউপি চেয়ারম্যান হাসমত আলী খান বলেন, তার ইউনিয়নের ৭ গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সাপধরী ইউপি চেয়ারম্যান সুরুজ মন্ডল জানান, তার ইউনিয়নের পুরোটাই পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। চিনাডুলী ইউপির চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম, নোয়ারপাড়া ইউপির চেয়ারম্যান মশিউর রহমান বাদল বলেন, তাদের ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা এখন পানির নিচে।

এদিকে যমুনার পানি মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্রহ্মপুত্র নদ দিয়ে উল্টা স্রোতে পানি প্রবাহিত হয়ে পলবান্দা, ইসলামপুর সদর ইউনিয়নসহ ইসলামপুর পৌর এলাকা নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। স্থানীয় এমপি ফরিদুল হক খান দুলাল দুর্যোগ মোকাবেলায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিভিন্ন স্থানে নদী ভাঙ্গন

রামগতি (লক্ষ্মীপুর) সংবাদদাতা জানান, মেঘনা নদীর অস্বাভাবিক জোয়ার এবং প্রচণ্ড ঢেউয়ের আঘাতে উপজেলার আলেকজান্ডার-সোনাপুর আঞ্চলিক সড়কের এক কিলোমিটার অংশ ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। এরমধ্যে দক্ষিণ অংশে ৩শ’ মিটার ভেঙ্গে সড়কটি সরু হয়ে যাওয়ায় বাস, ট্রাকসহ ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। তবে সিএনজিচালিত অটোরিক্সা ও টেম্পু চলাচল করছে ঝুঁকি নিয়ে।

এলাকাবাসী জানান, সড়কটি রক্ষা করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) চেষ্টা চালিয়ে গেলেও সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। আঞ্চলিক এ সড়কটি বিলীন হয়ে গেলে উপজেলার দক্ষিণ অঞ্চলের ৫টি ইউনিয়ন উপজেলা সদর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে এবং দু’লাখেরও বেশি মানুষ উপজেলা সদরে চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়বেন।

রাজবাড়ী প্রতিনিধি জানান, পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙ্গনে হুমকির মুখে পড়েছে জেলার পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের দেড় কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। ২/৩ দিনের মধ্যে ভাঙ্গন প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে বাঁধের ৩ শত মিটার অংশ ভেঙ্গে নদীতে বিলীন হবে যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এদিকে গত শনিবার বিকালে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম ওই এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তিনি ভাঙ্গন প্রতিরোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here