নেপালের রাজধানী কাঠমুন্ডুর ত্রিভুবন বিমান বন্দরে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলা এয়ার লাইন্সের নিহত যাত্রীদের একজন হলেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার কুমুদিনী উইন্সে মেডিকেল কলেজের ছাত্রী শ্রেয়া ঝাঁ(২৫)। তিনি এমবিবিএস কোর্সের শেষ বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।

নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় তার এই অকালমৃত্যুতে কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রী ও শিক্ষকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রিয় বান্ধবীকে হারিয়ে সবার মাঝে বিরাজ করছে শোক।

কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. এম এ হালিম আজ মঙ্গলবার রাতে নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় তার ছাত্রী শ্রেয়া ঝাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কলেজ সুত্র জানায়, শ্রেয়া ঝাঁর বাড়ি নেপালে। মেডিকেলে পড়ার জন্য মির্জাপুর কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। শিক্ষক ও তার সহপাঠীরা জানিয়েছেন, শ্রেয়া ঝাঁ ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী, শান্তশিষ্ট। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অংগনে ছিলেন বেশ পারদর্শী। এ জন্য ক্যাম্পাসে তিনি ছিলেন সবার প্রিয় মুখ। মাঝে-মধ্যেই বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার জন্য নেপালে যেতেন শ্রেয়া ঝাঁ। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার জন্য শ্রেয়া কলেজ থেকে ছুটি নিয়েছিলেন। সোমবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে ইউএস-বাংলা এয়ার লাইনন্সের বিমানের টিকেট নিয়ে নেপাল রওয়ান দেন। নেপালের স্থানীয় সময় সোয়া দুইটার দিকে বিমানটি রানওয়ের কাছে বিধ্বস্ত হয়ে অর্ধশতাধিক যাত্রী মারা যান।

এদিকে নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের মেধাবী ছাত্রী শ্রেয়া ঝাঁর অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন, কুমুদিনী ওযেলফেয়ার ট্র্যাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান শ্রী রাজিব প্রসাদ সাহা, কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্র্যাস্টের শিক্ষা পরিচালক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল প্রতিভা মুৎসুদ্দি, পরিচালক শ্রী মতি সাহা, পরিচালক মিসেস সম্পা সাহা, কুমুদিনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. দুলাল চন্দ্র পোদ্দার এবং টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনের সংসদ সদস্য ও সড়ক পরিবহন এবং সেতু মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. একাব্বর হোসেন, পৌরসভার মেয়র মো. সাহাদত হোসেন সুমন ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু প্রমুখ।

শেয়ার করুন
  • 2
    Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here