528f276623bd1-Economist‘খালেদা জিয়া যদি নির্বাচন বর্জনই করতে চান, তাহালে তাঁকে নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক নেতাদের বোঝাতে হবে, নির্বাচনে অংশ না নিলেই তাঁদের স্বার্থ রক্ষা হবে। অন্যথায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এসব নেতার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঝুঁকিতে পড়বেন তিনি। এতে দলে ভাঙন তৈরি হবে এবং একই সঙ্গে জানুয়ারির নির্বাচনকে বৈধতাও দেওয়া হবে।’
গত বুধবার দ্য ইকোনমিস্ট সাময়িকীতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

সাময়িকীর অনলাইন সংস্করণের ব্লগ ব্যানিয়ানের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বিএনপির অধিকাংশ নেতাই নির্বাচনে অংশ নিতে ব্যাকুল। এসব নেতাকে বুঝিয়ে দলে ধরে রাখাই বিএনপির প্রধানের চ্যালেঞ্জ। ৯ জানুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ হতে পারে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।

‘বাংলাদেশি পলিটিক্স: ট্রেঞ্চ ওয়ারফেয়ার’ শীর্ষক এ প্রতিবেদনে বলা হয়, আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা ধসে পড়ছে। তবে বিএনপি নির্বাচন বর্জন করলে তাদের ক্ষমতায় থাকা আরও কিছুটা দীর্ঘায়িত হতে পারে।

অর্থপাচার মামলায় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের খালাস পাওয়ায় দুই নেত্রীর মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা কিছুটা শিথিল হতে পারে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সমঝোতা সম্ভব বলেও উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আওয়ামী লীগ নির্বাচনকালীন সরকারে সাবেক স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টিসহ আওয়ামী লীগ কয়েকটি ছোট মিত্রদলকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এই সরকার সাংবিধানিক হলেও তার জনপ্রিয়তা খুব কম বলে উল্লেখ করে ইকোনমিস্ট। নির্বাচনকালীন এই সরকার মূলত বর্তমান শেখ হাসিনার সরকারেরই ছোট্ট সংস্করণ বলেও ইকোনমিস্ট মনে করে।

মতামত জরিপের কথা তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের পাঁচ ভাগের চার ভাগ মানুষ নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়। সাময়িকীটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনী সহিংসতার হুমকি বিএনপির জন্য সহায়ক হতে পারে। আর কম ভোটারের উপস্থিতি আওয়ামী লীগকে বেকায়দায় ফেলতে পারে। পরিস্থিতি অনুকূলে গেলে বিএনপি নির্বাচনে যাবে বলেও মনে করে ইকোনমিস্টের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বিচার বিভাগ ও রাজনীতিবিদদের মধ্যবর্তী রেখা ভয়াবহ রকমের অস্পষ্ট।
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের চার আইনজীবী এবং তদন্ত দলের প্রধান আওয়ামী লীগের প্রার্থী হওয়ার আবেদন করেছেন উল্লেখ করে প্রতিবেদনে তাঁদের সরাসরি অংশ নেওয়ার ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছে।

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here