জনতার নিউজঃ প্রতিবেদন

184831_10151241027705900_1595259481_n

newমোঃ আবুল খায়ের শাহজাহান বঙ্গবন্ধু,কে ভালো বেসে ছাত্রজীবন থেকে বঙ্গবন্ধু,র আদর্শের রাজনীতির সাথে জড়িত । খুনিচক্র বঙ্গবন্ধুকে সহ পরিবার অমানবিক ভাবে হত্যা করার পরে যখন ১৫ই আগস্টে মুনাজাত করার জন্য একটা হুজুর পাওয়া যেত না তখন তিনি শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ প্রতিস্টা করেন, সাবেক বানিজ্য মন্ত্রী জাতীয় নেতা বঙ্গবন্ধুর সহযোগী জনাব এম আর সিদ্দীকী , সাবেক গনপরিষদ সদস্য ও এম,পি প্রবীণ রাজনীতিবীদ বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেস্টা জনাব ইসাক মিয়ার একনিস্ট কর্মী হিসাবে তিনি কাজ করে যান। ১৯৮১ সালে জনাব এম আর সিদ্দিকীর অনুপ্রেরনায় ও তাহার সাহায্য সহযোগিতায় ছাত্রজীবন থেকে তিনি শুরু করেন ব্যাবসা এবং ব্যাবসায়িক কারনে তিনি ১৯৮২ সালে চট্রগ্রাম থেকে চলে আসেন ঢাকায় । কারন তখনকার ছাত্র নেতাদের কোন আয় রোজগার ছিল না , কোন চাদাবাজি ছিল না , মনে প্রানে ছিল শুধু বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং নেতাদের নির্দেশ ছিল স্কুল , কলেজ, বাড়ী ঘরে গিয়ে শুধু মানুষ কে বুঝাতে হবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ

সেটা কি…?

বাংলার মানুষ মুক্তি চাই, বাংলার মানুষ বাচতে চাই, বঙ্গবন্ধু বাংলার মানুষ কে মুক্ত করে দিয়েছে হানাদারের কবল থেকে এবং জীবন দিয়ে বাংলার মানুষের ভালো বাসার ঋন তিনি শোধ করে গেছেন কিন্থু বাংলার মানুষকে বাচাতে হলে এখন একমাত্র ভরসা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আর তা হল রোগ মুক্ত মানুষ, ভেজাল মুক্ত খাদ্য, দূর্নীতি মুক্ত সমাজ , জঙ্গী ও রাজাকার মুক্ত বাংলাদেশ । এই আদর্শ প্রচার করতে গিয়ে আবুল খায়ের শাহজাহান ঢাকা গিয়েও থেমে থাকেননি তিনি অনেকের সাথে মিলে ১৯৯২ সালে আজিমপুরে প্রতিস্টা করেন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ তিনি হলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং এই সংগঠনের মাধ্যমে সেই এলাকায় আওয়ামীলীগ এর এক ছত্র অধিকার প্রতিস্টা হয় । কারন তিনি তখন ছাত্রলীগের বিভিন্ন অনুস্টানে নানান সহযোগিতা করতে থাকেন যাহা বি,এন,পি এর নেতা নাছির উদ্দিন পিন্টুর কাছে ভাল লাগে নাই, ১৯৯৫/১৯৯৬ অসহযোগ আন্দোলনের সময় তিনি সক্রিয় ভাবে অংশ গ্রহন করেন এবং অনেক আর্থিক সহযোগিতা করেন। এর পর তিনি ১৯৯৮ ইং সালে প্রতিস্টা করেন বঙ্গবন্ধু গবেষনা ও স্মৃতি পরিষদ যাহার মাধ্যমে তিনি দেশ বিদেশে ব্যাপক প্রচার করতে থাকেন বঙ্গবন্ধুর পূব পুরুষের ইতিহাস যাহা দেশব্যাপি ব্যাপক সাড়া পড়ে যায় এবং বিদেশেও ব্যাপক সাড়া পড়ে যাহার কারনে আজ দেশ বিদেশে বঙ্গবন্ধু গবেষনা ও স্মৃতি পরিষদ এর হাজার জাহার নেতা কর্মী বঙ্গবন্ধুর আদর্শ প্রচার করে যাচ্ছেন।

২০০১ সালে বি,এন,পি ক্ষমতায় আসার পরে তাহার কর্মকান্ড তাদের চোখে পড়ে যায় ।

 

এর পর ২০০৩ সালের মে মাসে শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্ছি হান্নান, চেঙ্গা বাবু, নিটল তারেক জিয়ার নামে ৩০,০০০,০০/ ত্রিশ লক্ষ্য টাকা চাঁদা দাবি করে বলেন ৩০/০৫/২০০৩ ইং তারিখের মধ্য নগদ ত্রিশ লক্ষ্য টাকা ও ব্যাবসার ২৫% শেয়ার তারেক জিয়ার নামে না দিলে তাহার ব্যাবসা বন্দ করে দিবে এবং তাহার নামে বিভিন্ন মামলা দিয়ে জেলে পাঠাবেন । কিন্ত আবুল খায়ের শাহজাহান তাদের কথা মত চাদা না দেওয়াতে পরে নাজমুল হুদার ভাই খাইরুল হুদা, নাছির উদ্দিন পিন্টুর ভাই কিলার হাজী মনির ও অন্যান্যরা ব্যাপক প্রান নাশের হুমকী দেওয়াতে তিনি এক জাতীয় নেতার (নাম প্রকাশ করা যাবেনা) বাসায় বসে ২ (দুই) কোটি টাকা দেওয়ার শর্তে আপোস করে ১৭/৫/২০০৩ ব্যাবসায়িক কারনে বিদেশ সফরে যান কিন্ত তার বিদেশ থেকে আসতে একটু দেরি হওয়াতে তারা তাদের পরিকল্পনা মোতাবেক ৩১/৫/২০০৩ ইং সালে পিচ্চি হান্নানের নেতৃতে ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী প্রকাশ্যে অস্র নিয়ে তাহার দিলখুশা অফিস আক্রমন করেন ।

অস্রের মুখে অফিসের সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী নিরাপর্তা কর্মীদেরকে আটক করে অফিসের আলমারি ভাংচুর করে নগদ ৩০,০০,০০০/- ত্রিশ লক্ষ্য টাকা, কম্পিউটার, ফোন, ফ্যক্স ক্যাশ মেমো, ব্যাংক এর সাক্ষর করা চেক বই , বঙ্গবন্ধু গবেষণা ও স্মৃতি পরিষদের রেকর্ড পত্র লুটপাট করতে থাকে তখন মতিঝিল থানায় জানানোর পরে দারোগা সাহাব উদ্দিন এসে ওদের ছালাম দিয়ে নিরাপদে চলে যেতে সহযোগিতা করেন। অপর দিগে সবার অজান্তে কোম্পানীর এ,জি,এম ও চীফ ইঞ্জিনিয়ারকে ১০,০০০,০০/ (দশ) লক্ষ্য টাকা সহ ধরে নিয়ে যায়। কোম্পানীর চেয়ারম্যান আবুল খায়ের মতিঝিল থানায় ফোন করলে দারোগা মতিন তাকে জানায় আপনার অফিস এ কোন সমস্যা নাই আগামী কাল অফিস খোলা রাখবেন আমরা আপনার এ,জি,এম ও চীফ ইঞ্জিনিয়ার এর সাথে আলাপ করে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো আপনি কোন চিন্তা করবেননা অবশ্যই কাল আপনি অফিস এ আসবেন এবং আপনার জি,এম সাহেবকেও অফিসে আসতে বলবেন কিন্তূ দারোগাদের কথায় সন্দেহ হওয়াতে নিরাপর্তার কথা চিন্তা করে কোম্পানীর চেয়ারম্যান আবুল খায়ের ও জেনারেল ম্যানেজার ফ্লাইট সার্জেন্ট জয়নাল আবেদিন মজুমদার আর অফিসে যান নাই, যাহার কারনে তারা প্রানে বেচেঁ যায়।

পরদিন ০১/০৬/২০০৩ ইং রোজ রবিবার সকালে তাহার ধানমন্ডির বাসা, জি,এম এর মিরপুরের বাড়ী সহ ঢাকা চট্রগ্রাম এর অফিস ,গুদাম, শো-রুম, বাসা বাড়ীসহ ১২ টি স্থানে একই সময়ে পুলিশের সহযোগিতায় সন্ত্রাসীরা আক্রমন করে আমদানীকৃত কোটি কোটি টাকার মোটরসাইকেল, টেলিভিশন, ফ্যাক্টরীর মেশিনারী লুটপাট করেন এবং জি,এম সাহেবের ইতালী থেকে আশা মেয়েকে আটক করে নগদ ৫,০০,০০০/ পাচ লক্ষ টাকা নিয়ে যায় উলটা কোম্পানীর চেয়ারম্যান, জি,এম, এ,জি,এম, চীফ ইঞ্জিনিয়ার, চীফ একাউন্টান্ট সহ বৃদ্ধা , বাচ্চাসহ অনেককে আসামী করে একের পর এক মামলা দিতে থাকেন এদিগে দারোগা মতিন ও তাহার অন্যান্য ফোর্স অফিসের কর্মচারীদের মারধর করে অফিস থেকে বেড় করে দিয়ে অফিস তাদের দখলে নিয়ে বলতে থাকেন কোম্পানীর লোকজন মালিক সহ পালিয়ে গিয়েছে বিভিন্ন পত্রিকা ও টিভিতে ব্যাপক প্রচার করতে থাকে কোম্পানীর মালিক অনেক টাকা নিয়ে পালিয়ে গিয়াছে এবং অফিসের যাবতীয় মালামাল ক্রোক করার নামে মতিঝিল থানায় নিয়ে যায়। এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠালে কোন পত্রিকায় ছাপালো না পরে বিজ্ঞাপন আকারে প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন পাঠালে তারেক জিয়ার নাম দেখে কেহ সাহস করে ছাপালোনা যার কারনে তারেক জিয়ার নাম বাদদিয়ে ইত্তেফাক সহ বিভিন্ন পত্রিকায় তিনি প্রতিবাদ করেন এবং আদালত থেকে জামিন নিয়ে হাইকোর্ট এ রিট করেন কিন্তূ আবারো তারা অফিসে গিয়ে স্টাফদের হুমকী দিয়ে বলেন অফিস খোলা রাখলে সবাইকে প্রানে মেরে ফেলবে, প্রতিকার চেয়ে মতিঝিল থানায় মামলা করতে গেলে কোন মামলা গ্রহন করলো না বরং কোম্পানীর চেয়ারম্যানকে ফোনে দেশ ত্যাগ করার নির্দেশ দিলেন ।

উপায় না দেখে কোম্পানীর চেয়ারম্যান মতিঝিল থানার ও,সি মহিউদ্দিন কে নগদ ৭০,০০০/ টাকা দিয়ে শুধু মাত্র একটা জিডি করতে সক্ষম হন যাহার নাম্বার ১৭৯৭ তারিখ ১৯/৯/২০০৩ ইং মজার ব্যপার হচ্ছে দারোগা মতিন বঙ্গবন্ধু গবেষণা ও স্মৃতি পরিষদের রেকর্ড পত্র পায়ের নিছে ফেলে বঙ্গবন্ধুর পরিবার কে গালিগালাজ করায় সাথে সাথে তার প্রমোশন হয়ে যায় সে লালবাগ থানার ও,সি হয়ে পিন্টুর ছোট ভাই হয়ে শুরু করেন তার নতুন খেলা সেটা পরে বলছি কারন এখনো তিনি ও,সি তবে আওয়ামী লীগের মহান নেতার মত কাজ করেন শুধু তিনি নন আরো আছেন যেমন হাজারীবাগ থানার তখনকার ও,সি রেজা তিনি নিজেকে পিন্টুর কেডার পরিচয় দিতেন ভুইয়া মাহবুব তেজগাও থানার ও,সি থাকার সময় নিজেকে ফালুর ভাই বলতেন বর্তমানে তারা গোপালগঞ্জ বাড়ি বলে বহাল তবিয়তে বঙ্গবন্ধুর সৈ্নিক হিসাবে মহান কাজ করে যাচ্ছেন সুযোগ পেলে ছাত্রলীগ, যুবলীগ কে বারোটা বাজাচ্ছেন কি সৌভাগ্যবান তারা…?? তবে আওয়ামী লীগের মহান নেতারা ভুলে গেছেন মুফতী হান্নান, বাচ্ছু রাজাকারও ফরিদপুরে জর্ম্মগ্রহন করেছেন বঙ্গবন্ধু একা সেখানে জর্ম্মগ্রহন করেন নাই। আর ফরিদপুরের সবাই যদি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হতেন তাহলে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীকে আর নিরবাচন করতে হত না।

যাই হউক চেয়ারম্যান বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবাদ করার পর কি হয় দেখেন ? ০১। তাহার ড্রাইভারকে প্রান নাশের হুমকী দিয়ে তারিয়ে দিয়ে তাদের ড্রাইভার দিয়ে গুলশান থেকে তাহার প্রাইভেট কার নাম্বার ঢাকা মেট্রো ক-৭৫২০ নিয়ে যায় গুলশান থানা মামলা নং ১৫(১)০৪ তারিখ ৭/১/২০০৪ গাড়ী উদ্ধার নাই উলটা প্রাননাশের হুমকী। ০২। উত্তরা এইচ এম প্লাজার অফিসের ৪,০০,০০০/ চার লক্ষ্য টাকার মালামাল সহ অফিস লুট, মামলা নেয় নাই জিডি নং ৪৪১ তারিখ ০৫/০৮/২০০৫ ইং পুলিশের সহযোগিতা নাই কিছুই উদ্ধার হয় নাই। ০৩। নাছির উদ্দিন পিন্টুর নির্দেশে ও লালবাগ থানার সেই ও,সি মতিনের সহযোগিতায় আজিমপুরের মেসিন টুলস ফ্যাক্টরীর ৩৫,০০০,০০/ পয়ত্রিশ লক্ষ্য টাকার মেসিনারীজ লুট কিন্তু মামলা না নেওয়াতে আনেক দিন পর ও,সি যখন মধ্যপ অবস্থায় ছিলেন তখন অন্যের মাধ্যমে তাকে এক লক্ষ্য টাকা দিয়ে একটি মামলা নং ১৯(২)০৬ দায়ের করে দারোগাকে দিয়ে কিছু মেসিন, ভাঙ্গা আলমারি উদ্ধার করার পরে যখন পিন্টু ও ও,সি জানতে পারেন তখন মামলার ফাইনাল রিপোর্ট দিলে আদালতের মাধ্যমে আবার ডি,বি তে পূ্ন তদন্তের জন্য পাঠায় কিন্তু সেখানেও তারা তাই যথা নিয়মে আবারো ফাইনাল রিপোর্ট উলটা আলমারি ভেঙ্গে সাক্ষর করা চেক বই নিয়ে বিভিন্ন টাকার অঙ্ক বসিয়ে একের পর এক চেকের মামলা করে কোম্পানীর চেয়ারম্যান আবুল খায়ের কে ৯০,০০০,০০/ নব্বই লক্ষ্য টাকার মত দিতে বাধ্য করেন। ০৪। নাছির উদ্দিন পিন্টুর নির্দেশে এবার হাজারীবাগে গুদাম ভেঙ্গে আমদানীকৃত মোটরসাইকেল, ও খুচরা যন্ত্রা
অংশ লুট পাট করতে থাকেন কিন্তু হাজারীবাগ থানার ও,সি রেজাউল করিম বলেন যেখানে এম।পি সাহেব আছেন সেখানে আমার কিছু করার নাই পরে আদালত থেকে আদেশ এনে কিছু মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয় কিন্তু ইতিমধ্য ১০,০০০,০০/ দশ লক্ষ্য টাকার মালামাল লুটপাট হয়ে যায়। ০৫। মছাদ্দেক আলী ফালুর ব্যাক্তিগত ক্যাডার-কাম ফটোগ্রাফার নঈম পারভেজ অপু ১,৩০,০০০/ টাকা দামের একটা মোটর সাইকেল নিয়ে টাকা না দিয়ে উলটা প্রান নাশের হুমকী দেয় বর্তমানে তিনি বিশাল আওয়ামী লীগ নেতার সাথে চলে তিনিও বঙ্গবন্ধুর সৈ্নিক তাই তিনি ভুয়া নাম্বার দিয়ে সেই মোটর সাইকের ঢাকা শহরে বুক ফুলিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন তাকে ধরে কোন বাপের বেটা ।

০৬। ৮/২ পরিবাগে বিলাশ বহুল অফিস ডেকোরেশন, ফোন ফ্যক্স, এ,সি, অফিস এর স্টকে থাকা ন্যাশনাল ফোন, পিপলস টেল ফোন সহ ১২,০০০,০০/- লক্ষ্য টাকার মালামাল লুটপাট করেন শাহবাগ থানায় মামলা করতে গেলে দেখা যায় হাজারীবাগ থানার ভাগ্যবান ও,সি রেজাউল করিম শাহবাগ থানার ও,সি তাই তিনি মামলা নিলেন না তবে দয়া করে মামলার আবেদন খানা তিনি সাক্ষর করে রিসিভ করেছেন কিন্তু কোন মামলার নাম্বার নাই ভরশা একটা থানার সীল ও সই আছে এটাই বা কম কি ? কোন কিছু উদ্ধার করতে পারে নাই তখন তিনি ইত্তেফাক, ইনকিলাব সহ অন্যান্য পত্রিকার মাধ্যমে প্রধান মন্ত্রী বরাবর আবেদন করেন, সরাসরি আবেদন করেন বিনিময়ে একের পর এক মামলা হতে থাকে তার নামে পরে তিনি ব্যাবসা বন্ধ করে দিলে একটু শান্তি পান তার প্রতিস্টান এর পক্ষে একসময় দৈনিক আমাদের সময়, সমকাল সাপ্তাহিক ব্লিজ রিপোর্ট করেন কিন্তু কিছু হল না, তার পর ১/১১ সরকারের উপদেশটা বরাবর আবেদন করেও কোন ফল না পেয়ে তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করে বলেন আল্লাহ যেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সরকার প্রতিস্টা করেন হলও তাই তার পর বুক ভরা আশা নিয়ে তিনি গত ০৮/০২/২০০৯ ইং এক্সিমকো গ্রুপ অফ কোম্পানীজ এর বিস্তারিত বিবরন দিয়ে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর একটা আবেদন করেন কিন্তু কিছুই হল না কারন বঙ্গবন্ধু কন্যার আশে পাশে যাওয়া বড় মুশকিল কারন এক সময়ে যাদের কে হাওয়া ভবনে দেখা গেছে আজ তারা অনেক বড় আওয়ামীলীগ নেতা এক্সিমকো গ্রুপ অফ কোম্পানীজ এর চেয়ারম্যান আবুল খায়ের হলেন রাজাকার দূংখের সাথে বলতে হয় যিনি রাত দিন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ প্রচার করে বেড়াচ্ছেন অথচ গনভবনে যাতায়তকারী এক চাটুকার তাকে বললেন আপনিতো নতুন আওয়ামীলীগ করেন কি বিচিত্র এই দেশ যারা বলেছেন এখন জরুরী সরকার বেশী বাড়াবারি করো না তাহলে তোমাদেরকে পিটিয়ে পিটের চামড়া তুলে নিবে শেখ হাসিনা আর জেল থেকে বেড় হবে না আজ তারা মন্ত্রী , খন্দকার মোস্তাক মারা গেলেও তার প্রেত আত্তা এখনও বাংলার আকাশে বাতাশে গুড়ে বেড়াচ্ছে , গনভবনের ভিতরে আছে কিনা আমরা জানিনা তবে আমরা বাংলার জনগন দোয়া করি আল্লাহ যেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা গনতন্ত্রের মানস কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রক্ষা করেন । আমিন।

শেয়ার করুন
  • 20
    Shares

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here