52ca78634b4e7-Jatio-partyনির্বাচনে অংশ নেওয়া, না নেওয়া নিয়ে বিস্তর নাটকের পর এবার সংসদে বিরোধী দলের আসনে বসা, না বসা নিয়ে নতুন নাটকের তোড়জোড় শুরু করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)।
দলের মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার  বলেন, জাতীয় পার্টির যেসব সদস্য নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন, তাঁরা শপথ গ্রহণ করবেন কি না, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়নি। জাতীয় পার্টি সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আসছে কি না, সে বিষয়টিও চূড়ান্ত হয়নি। দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ যা বলবেন, দল তা-ই করবে।
উল্লেখ্য, এরশাদ গত ৩ ডিসেম্বর নির্বাচন থেকে সরে আসার ঘোষণা দেওয়ার পরও তাঁর দলের ৬৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে থেকে যান। এরশাদের অনুগত হিসেবে পরিচিত রুহুল আমিন হাওলাদার পটুয়াখালী-১ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর দাবি, তিনি নির্বাচনে জেতার জন্য কোনো কাজই করেননি। কেবল নির্বাচনের আগে তিনি এলাকায় গিয়েছিলেন তাঁর বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করতে।

রুহুল আমিন হাওলাদার ও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ২০ জন সাংসদকে নিয়ে এবার জাতীয় পার্টির আসনসংখ্যা ৩৩।

এদিকে জাতীয় পার্টি থেকে ঢাকা-৬ আসনে নির্বাচিত অপর সাংসদ কাজী ফিরোজ রশীদ আজ সাংবাদিকদের বলেছেন, রওশন এরশাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি সংসদে যাবে। এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত আর কিছু জানাননি।

তবে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও এরশাদের ভাই জি এম কাদেরের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছেন, তাঁরা এরশাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন। শেষ পর্যন্ত এরশাদের কথা মেনে চলায় জি এম কাদের লালমনিরহাটে নির্বাচনী প্রচারে যাননি। তিনি হেরে গেছেন। নির্বাচনকালীন সরকারে অংশগ্রহণ, নির্বাচনে অংশগ্রহণ ইত্যাদি নিয়ে এরশাদের স্ত্রী ও দলের সভাপতিমণ্ডলীর জ্যেষ্ঠ সদস্য রওশন এরশাদ এবং ভাই জি এম কাদেরের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। এরশাদের অনুমতি না থাকলেও রওশন এরশাদের কথায় দলের একাংশ নির্বাচনে যায়।

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here