5296b7df8f921-Realআগের রাতে বার্সেলোনা ও চেলসির হার। তবে গত রাতটা দারুণ কাটল বড় দলগুলোর। সহজ জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোয় উঠে গেছে রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও বায়ার্ন মিউনিখ। ঘরের মাঠে গ্যালাতাসারাইকে ৪-১ গোলে হারায় রিয়াল। বায়ার লেভারকুসেনের মাঠে লেভারকুসেনকে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করে ইউনাইটেড। মস্কোকে ৩-১ গোলে হারায় বায়ার্ন। আগেই শেষ ষোলো নিশ্চিত করা ম্যানচেস্টার সিটি ৪-২ গোলে হারায় ভিক্টোরিয়া প্লজেনকে। এ ছাড়া পিএসজি ২-১ গোলে অলিম্পিয়াকোসকে ও জুভেন্টাস ৩-১ গোলে এফসি কোপেনহেগেনকে হারায়।

রিয়াল-গ্যালাতাসারাই: ম্যাচের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সময় ১০ জনের দল নিয়ে খেলে রিয়াল। এর ওপর চোটের কারণে ছিলেন না দলের প্রাণভোমরা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তবে নিজেদের মাঠে হেসেখেলেই জয় তুলে নিয়েছে সাবেক স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নরা। ২৬ মিনিটে গ্যালাতাসারাইয়ের ফরোয়ার্ড উমুত বুলুতের শার্ট টেনে ধরলে লালকার্ড দেখেন সার্জিও র্যামোস। এর ১১ মিনিট পরই দারুণ এক ফ্রি-কিকে রিয়ালকে এগিয়ে দেন গ্যারেথ বেল। পরের মিনিটেই অবশ্য সেটা শোধ করে ম্যাচে সমতা আনেন বুলুত। দ্বিতীয়ার্ধটা ছিল অবশ্য শুধুই রিয়ালের। একটি করে গোল করেন আরবেলোয়া (৫১), ডি মারিয়া (৬৩) ও ইসকো (৮০)।

ইউনাইটেড-লেভারকুসেন: ৫-০ স্কোরলাইনটাই বলে দেয়, এ ম্যাচে ইউনাইটেডের কাছে কতটা অসহায় ছিল স্বাগতিক লেভারকুসেন। ইউনাইটেডের গোলবন্যায় শুরুটা আন্তোনিও ভ্যালেন্সিয়াকে দিয়ে, ম্যাচের ২২ মিনিট। আট মিনিট পর ‘আত্মঘাতী’ গোল করে স্কোরলাইন ২-০ করে ফেলেন লেভারকুসেনের ডিফেন্ডার এমির স্পাহিক। দ্বিতীয়ার্ধে একটি করে গোল করেন জনি ইভানস (৬৫ মিনিট), ক্রিস স্মালিং (৭৭ মিনিট) ও নানি (৮০ মিনিট)। ১৯৫৭ সালে শামরক রোভার্সকে হারানোর পর গত রাতের জয়টা ইউরোপে অ্যাওয়ে ম্যাচে ইউনাইটেডের দ্বিতীয় বৃহত্তম জয়।

বায়ার্ন-মস্কো: চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে গত রাতে টানা দশম জয় তুলে নেয় বায়ার্ন। প্রথমার্ধে খুব বেশি উত্তেজনা ছিল না। একমাত্র গোলটি করেন আরিয়েন রোবেন। দ্বিতীয়ার্ধে গোল হয় তিনটি, এর মধ্যে দুটি আসে পেনাল্টি থেকে। ৫৬ মিনিটে মারিও গোেসর গোলটি ছিল দৃষ্টিনন্দন। মস্কোর তিন খেলোয়াড়কে পরাস্ত করে স্কোরলাইন ২-০ করেন এই জার্মান মিডফিল্ডার। ৬২ মিনিটে পোনাল্টি থেকে একটি গোল শোধ করেন কিউসুকে হোন্ডা। তবে এর তিন মিনিট পর সেই পেনাল্টি থেকেই গোল করে স্কোরলাইন ৩-১ করেন টমাস মুলার।

সিটি-প্লজেন: দুই দফায় সমতায় ফিরেও হার ঠেকাতে পারেনি প্লজেন। ৩৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে করা সার্জিও অ্যাগুয়েরোর গোলে এগিয়ে যায় সিটি। ১০ মিনিট পর ম্যাচে সময় ফেরান টমাস হোরাভা। ৬৫ মিনিটে সামির নাসরির গোলে আবারও এগিয়ে যায় সিটি। এবার প্লজেনকে সমতায় ফেরান স্তানিসলাভ, ৬৯ মিনিটে। নেগ্রেদো (৭৮ মিনিট) ও এডিনের (৮৯ মিনিট) করা গোল অবশ্য শোধ করতে পারেনি সফরকারী দল। সিটি জেতে ৪-২ গোলে। সূত্র: গোল ডটকম।

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here